03 Para / ০৩ পারা – সূরা বাকারার ২৫৩ আয়াত থেকে ২৮৬ এবং সূরা আল ইমরানের ৯১ আয়াত পর্যন্ত

 

(253)  تِلْكَ الرُّسُلُ فَضَّلْنَا بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ مِّنْهُم مَّن كَلَّمَ اللّهُ وَرَفَعَ بَعْضَهُمْ دَرَجَاتٍ وَآتَيْنَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ الْبَيِّنَاتِ وَأَيَّدْنَاهُ بِرُوحِ الْقُدُسِ وَلَوْ شَاء اللّهُ مَا اقْتَتَلَ الَّذِينَ مِن بَعْدِهِم مِّن بَعْدِ مَا جَاءتْهُمُ الْبَيِّنَاتُ وَلَـكِنِ اخْتَلَفُواْ فَمِنْهُم مَّنْ آمَنَ وَمِنْهُم مَّن كَفَرَ وَلَوْ شَاء اللّهُ مَا اقْتَتَلُواْ وَلَـكِنَّ اللّهَ يَفْعَلُ مَا يُرِيدُ এই রসূলগণ-আমি তাদের কাউকে কারো উপর মর্যাদা দিয়েছি। তাদের মধ্যে কেউ তো হলো তারা যার সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন, আর কারও মর্যাদা উচ্চতর করেছেন এবং আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে প্রকৃষ্ট মু’জেযা দান করেছি এবং তাকে শক্তি দান করেছি ‘রুহূল কুদ্দুস’ অর্থৎ জিবরাঈলের মাধ্যমে। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে পরিস্কার নির্দেশ এসে যাবার পর পয়গম্বরদের পেছনে যারা ছিল তারা লড়াই করতো না। কিন্তু তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়ে গেছে। অতঃপর তাদের কেউ তো ঈমান এনেছে, আর কেউ হয়েছে কাফের। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে তারা পরস্পর লড়াই করতো, কিন্তু আল্লাহ তাই করেন, যা তিনি ইচ্ছা করেন। Those apostles We endowed with gifts, some above others: To one of them Allah spoke; others He raised to degrees (of honour); to Jesus the son of Mary We gave clear (Signs), and strengthened him with the holy spirit. If Allah had so willed, succeeding generations would not have fought among each other, after clear (Signs) had come to them, but they (chose) to wrangle, some believing and others rejecting. If Allah had so willed, they would not have fought each other; but Allah Fulfilleth His plan.

( تِلْكَ এই These, ٱلرُّسُلُ রাসূলগণ (are) the Messengers, فَضَّلْنَا আমরা মর্যাদা দিয়েছি We (have) preferred, بَعْضَهُمْ তাদের কাউকে some of them, عَلَىٰ উপর over, بَعْضٍ কারও others, مِّنْهُم তাদের মধ্যে হতে Among them, مَّن কারও (সাথে) (were those with) whom, كَلَّمَ বলেছেন কথা spoke, ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, وَرَفَعَ এবং উন্নীত করেছেন and He raised, بَعْضَهُمْ তাদের কাউকে some of them, دَرَجَٰتٍ (উচ্চ) মর্যাদায় (in) degrees, وَءَاتَيْنَا এবং আমরা দিয়েছি And We gave, عِيسَى ঈসাকে Isa, ٱبْنَ পুত্র son, مَرْيَمَ মারইয়ামের (of) Maryam, ٱلْبَيِّنَٰتِ সুষ্পষ্ট প্রমাণ সমূহ the clear proofs, وَأَيَّدْنَٰهُ এবং তাকে সাহায্য করেছি আমরা and We supported him, بِرُوحِ আত্মা দিয়ে with Spirit, ٱلْقُدُسِ পবিত্র (অর্থাৎ জিবরাইল) [the] Holy, وَلَوْ এবং যদি And if, شَآءَ চাইতেন (had) willed, ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, مَا না not, ٱقْتَتَلَ তারা পরস্পর যুদ্ধ করত (would have) fought each other, ٱلَّذِينَ যারা (ছিল) those who, مِنۢ থেকে (came) from, بَعْدِهِم তাদের পরে after them, مِّنۢ থেকেও from, بَعْدِ এরপর after, مَا যা [what], جَآءَتْهُمُ তাদের কাছে এসেছিল came to them, ٱلْبَيِّنَٰتُ সুষ্পষ্ট নিদর্শনাদি the clear proofs, وَلَٰكِنِ কিন্তু [And] but, ٱخْتَلَفُوا۟ মতবিরোধ করল তারা they differed, فَمِنْهُم তাদের পরে মধ্যথেকে [so] of them, مَّنْ কেউ (are some) who, ءَامَنَ ঈমান আনল believed, وَمِنْهُم আবার তাদের মধ্যেথেকে and of them, مَّن কেউ (are some) who, كَفَرَ অস্বীকার করল denied, وَلَوْ এবং যদি And if شَآءَ, ইচ্ছা করতেন (had) willed, ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, مَا না not, ٱقْتَتَلُوا۟ তারা একে অপরে লড়ত they (would have) fought each other, وَلَٰكِنَّ কিন্তু [and] but, ٱللَّهَ আল্লাহ Allah, يَفْعَلُ করেন does, مَا যা what, يُرِيدُ তিনি চান He intends )

 

(254)  يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ أَنفِقُواْ مِمَّا رَزَقْنَاكُم مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِيَ يَوْمٌ لاَّ بَيْعٌ فِيهِ وَلاَ خُلَّةٌ وَلاَ شَفَاعَةٌ وَالْكَافِرُونَ هُمُ الظَّالِمُونَ হে ঈমানদারগণ! আমি তোমাদেরকে যে রুযী দিয়েছি, সেদিন আসার পূর্বেই তোমরা তা থেকে ব্যয় কর, যাতে না আছে বেচা-কেনা, না আছে সুপারিশ কিংবা বন্ধুত্ব। আর কাফেররাই হলো প্রকৃত যালেম। O ye who believe! Spend out of (the bounties) We have provided for you, before the Day comes when no bargaining (Will avail), nor friendship nor intercession. Those who reject Faith they are the wrong-doers.

( يَٰٓأَيُّهَا হে O you, ٱلَّذِينَ যারা who, ءَامَنُوٓا۟ ঈমান এনেছ believe[d]!,  أَنفِقُوا۟ তোমরা ব্যয় করো Spend, مِمَّا তা থেকে যা of what, رَزَقْنَٰكُم তোমাদের আমরা জীবিকা দিয়েছি We (have) provided you, مِّن থেকে from, قَبْلِ এর পূর্ব before, أَن যে that, يَأْتِىَ আসবে comes, يَوْمٌ দিন a Day, لَّا না no, بَيْعٌ কেনাবেচা হবে bargaining, فِيهِ তার মধ্যে in it, وَلَا আর না and no, خُلَّةٌ বন্ধুত্ব friendship, وَلَا আর না and no, شَفَٰعَةٌ সুপারিশ (কাজে আসবে) intercession, وَٱلْكَٰفِرُونَ এবং কাফিররা And the deniers, هُمُ তারাই they, ٱلظَّٰلِمُونَ সীমালঙ্ঘনকারী (are) the wrongdoers )

 

(255)  اللّهُ لاَ إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لاَ تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلاَ نَوْمٌ لَّهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ مَن ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلاَّ بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلاَ يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلاَّ بِمَا شَاء وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ وَلاَ يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান। Allah. There is no god but He,-the Living, the Self-subsisting, Eternal. No slumber can seize Him nor sleep. His are all things in the heavens and on earth. Who is there can intercede in His presence except as He permitteth? He knoweth what (appeareth to His creatures as) before or after or behind them. Nor shall they compass aught of His knowledge except as He willeth. His Throne doth extend over the heavens and the earth, and He feeleth no fatigue in guarding and preserving them for He is the Most High, the Supreme (in glory).

( ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, لَآ নেই (there is) no, إِلَٰهَ কোনো ইলাহ God, إِلَّا ছাড়া except, هُوَ তিনি Him, ٱلْحَىُّ চিরঞ্জীব the Ever-Living, ٱلْقَيُّومُ সর্বসত্তার ধারক the Sustainer of all that exists, لَا না Not, تَأْخُذُهُۥ তাকে স্পর্শ করতে পারে overtakes Him, سِنَةٌ তন্দ্রা slumber, وَلَا আর না [and] not, نَوْمٌ ঘুম sleep, لَّهُۥ তাঁরই জন্য To Him (belongs), مَا যা কিছু what(ever), فِى মধ্যে (আছে) (is) in, ٱلسَّمَٰوَٰتِ আকাশ সমূহের the heavens, وَمَا এবং যা কিছু and what(ever), فِى মধ্যে (আছে) (is) in, ٱلْأَرْضِ পৃথিবীর the earth, مَن কে Who, ذَا সে (এমন সম্পন্ন) (is) the one, ٱلَّذِى যে who, يَشْفَعُ সুপারিশ করবে (can) intercede, عِندَهُۥٓ তাঁর কাছে with Him, إِلَّا ছাড়া except, بِإِذْنِهِۦ তাঁর অনুমতি by His permission, يَعْلَمُ তিনি জানেন He knows, مَا যা (আছে) what, بَيْنَ (মাঝে) (is), أَيْدِيهِمْ তাদের সামনে(হাতের) before them, وَمَا এবং যা কিছু and what, خَلْفَهُمْ তাদের পিছনে (is) behind them, وَلَا এবং না And not, يُحِيطُونَ তারা আয়ত্ত করতে পারে they encompass, بِشَىْءٍ সামান্য কিছুও anything, مِّنْ হতে of, عِلْمِهِۦٓ তাঁর জ্ঞান His Knowledge, إِلَّا এছাড়া except, بِمَا যা সে বিষয়ে [of] what, شَآءَ তিনি চান He willed, وَسِعَ পরিব্যাপ্ত করে আছে Extends, كُرْسِيُّهُ তাঁর (কর্তৃত্ব) আসন His Throne, ٱلسَّمَٰوَٰتِ আকাশ সমূহে (to) the heavens, وَٱلْأَرْضَ ও পৃথিবীতে and the earth, وَلَا এবং না And not, يَـُٔودُهُۥ তাঁকে ক্লান্ত করে tires Him, حِفْظُهُمَا এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ (the) guarding of both of them, وَهُوَ এবং তিনি And He, ٱلْعَلِىُّ সুউচ্চ (সত্তা) (is) the Most High, ٱلْعَظِيمُ সুমহান the Most Great )

 

(256) لاَ إِكْرَاهَ فِي الدِّينِ قَد تَّبَيَّنَ الرُّشْدُ مِنَ الْغَيِّ فَمَنْ يَكْفُرْ بِالطَّاغُوتِ وَيُؤْمِن بِاللّهِ فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَىَ لاَ انفِصَامَ لَهَا وَاللّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি বা বাধ্য-বাধকতা নেই। নিঃসন্দেহে হেদায়াত গোমরাহী থেকে পৃথক হয়ে গেছে। এখন যারা গোমরাহকারী ‘তাগুত’দেরকে মানবে না এবং আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করবে, সে ধারণ করে নিয়েছে সুদৃঢ় হাতল যা ভাংবার নয়। আর আল্লাহ সবই শুনেন এবং জানেন। Let there be no compulsion in religion: Truth stands out clear from Error: whoever rejects evil and believes in Allah hath grasped the most trustworthy hand-hold, that never breaks. And Allah heareth and knoweth all things.

( لَآ নেই (There is) no, إِكْرَاهَ জবরদস্তি compulsion, فِى মধ্যে in, ٱلدِّينِ দীনের the religion, قَد নিশ্চয়ই Surely, تَّبَيَّنَ স্পষ্ট হয়েছে has become distinct, ٱلرُّشْدُ সত্য পথ the right (path), مِنَ হতে from, ٱلْغَىِّ ভ্রান্ত পথ the wrong, فَمَن যে অতঃপর Then whoever, يَكْفُرْ অস্বীকার করবে disbelieves, بِٱلطَّٰغُوتِ তাগুতের (অসত্য দেবতার) প্রতি in false deities, وَيُؤْمِنۢ ও ঈমান আনবে and believes, بِٱللَّهِ আল্লাহর উপর in Allah, فَقَدِ তাহলে নিশ্চয়ই then surely, ٱسْتَمْسَكَ সে ধারণ করল he grasped, بِٱلْعُرْوَةِ রাশি (বা হাতলকে) the handhold, ٱلْوُثْقَىٰ সুদৃঢ় করে [the] firm, لَا না (which) not, ٱنفِصَامَ ছিন্ন হওয়ার (will) break, لَهَا যা [for it], وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ And Allah, سَمِيعٌ সব শুনেন (is) All-Hearing, عَلِيمٌ সব জানেন All-Knowing )

 

(257) اللّهُ وَلِيُّ الَّذِينَ آمَنُواْ يُخْرِجُهُم مِّنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّوُرِ وَالَّذِينَ كَفَرُواْ أَوْلِيَآؤُهُمُ الطَّاغُوتُ يُخْرِجُونَهُم مِّنَ النُّورِ إِلَى الظُّلُمَاتِ أُوْلَـئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহ তাদের অভিভাবক। তাদেরকে তিনি বের করে আনেন অন্ধকার থেকে আলোর দিকে। আর যারা কুফরী করে তাদের অভিভাবক হচ্ছে তাগুত। তারা তাদেরকে আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়। এরাই হলো দোযখের অধিবাসী, চিরকাল তারা সেখানেই থাকবে। Allah is the Protector of those who have faith: from the depths of darkness He will lead them forth into light. Of those who reject faith the patrons are the evil ones: from light they will lead them forth into the depths of darkness. They will be companions of the fire, to dwell therein (For ever).

( ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, وَلِىُّ অভিভাবক (is the) Protecting Guardian, ٱلَّذِينَ (তাদের) যারা (of) those who, ءَامَنُوا۟ ঈমান এনেছে believe[d], يُخْرِجُهُم তিনি তাদের বের করে আনেন He brings them out, مِّنَ হতে from, ٱلظُّلُمَٰتِ অন্ধকারগুলো [the] darkness, إِلَى দিকে towards, ٱلنُّورِ আলোর [the] light, وَٱلَّذِينَ এবং যারা And those who, كَفَرُوٓا۟ অস্বীকার করেছে disbelieve(d), أَوْلِيَآؤُهُمُ তাদের অভিভাবক their guardians, ٱلطَّٰغُوتُ তাগুত (অসত্য দেবতা) (are) the evil ones, يُخْرِجُونَهُم তাদেরকে তারা বের করে নিয়ে যায় they bring them out, مِّنَ থেকে from, ٱلنُّورِ আলো the light, إِلَى দিকে towards, ٱلظُّلُمَٰتِ অন্ধকারগুলোর the darkness, أُو۟لَٰٓئِكَ ঐ সব লোক Those, أَصْحَٰبُ অধিবাসী (are the) companions, ٱلنَّارِ (জাহান্নামের) আগুনের (of) the Fire, هُمْ তারা they, فِيهَا তার মধ্যে in it, خَٰلِدُونَ চিরস্থায়ী হবে will abide forever )

 

(258) أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِي حَآجَّ إِبْرَاهِيمَ فِي رِبِّهِ أَنْ آتَاهُ اللّهُ الْمُلْكَ إِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّيَ الَّذِي يُحْيِـي وَيُمِيتُ قَالَ أَنَا أُحْيِـي وَأُمِيتُ قَالَ إِبْرَاهِيمُ فَإِنَّ اللّهَ يَأْتِي بِالشَّمْسِ مِنَ الْمَشْرِقِ فَأْتِ بِهَا مِنَ الْمَغْرِبِ فَبُهِتَ الَّذِي كَفَرَ وَاللّهُ لاَ يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ তুমি কি সে লোককে দেখনি, যে পালনকর্তার ব্যাপারে বাদানুবাদ করেছিল ইব্রাহীমের সাথে এ কারণে যে, আল্লাহ সে ব্যাক্তিকে রাজ্য দান করেছিলেন? ইব্রাহীম যখন বললেন, আমার পালনকর্তা হলেন তিনি, যিনি জীবন দান করেন এবং মৃত্যু ঘটান। সে বলল, আমি জীবন দান করি এবং মৃত্যু ঘটিয়ে থাকি। ইব্রাহীম বললেন, নিশ্চয়ই তিনি সুর্যকে উদিত করেন পূর্ব দিক থেকে এবার তুমি তাকে পশ্চিম দিক থেকে উদিত কর। তখন সে কাফের হতভম্ব হয়ে গেল। আর আল্লাহ সীমালংঘণকারী সম্প্রদায়কে সরল পথ প্রদর্শন করেন না। Hast thou not Turned thy vision to one who disputed with Abraham About his Lord, because Allah had granted him power? Abraham said: “My Lord is He Who Giveth life and death.” He said: “I give life and death”. Said Abraham: “But it is Allah that causeth the sun to rise from the east: Do thou then cause him to rise from the West.” Thus was he confounded who (in arrogance) rejected faith. Nor doth Allah Give guidance to a people unjust.

( أَلَمْ নি কি Did not, تَرَ তুমি দেখ you see, إِلَى প্রতি [towards], ٱلَّذِى (তার) যে the one who, حَآجَّ বিতর্ক করেছিল argued, إِبْرَٰهِۦمَ ইবরাহীমের (সাথে) (with) Ibrahim, فِى সম্বন্ধে concerning, رَبِّهِۦٓ তার রব his Lord, أَنْ (এজন্য) যে because, ءَاتَىٰهُ তাকে দিয়ে ছিলেন gave him, ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, ٱلْمُلْكَ রাজত্ব the kingdom?, إِذْ যখন When, قَالَ বলেছিল Said, إِبْرَٰهِۦمُ ইবরাহীম Ibrahim, رَبِّىَ আমার রব (হচ্ছেন) “My Lord, ٱلَّذِى (ঐ সত্তা) যিনি (is) the One Who, يُحْىِۦ জীবিত করেন grants life, وَيُمِيتُ এবং মৃত্যু ঘটান and causes death”, قَالَ সে বলল He said, أَنَا۠ আমি “I, أُحْىِۦ জীবন দান করি give life, وَأُمِيتُ ও মৃত্যু ঘটাই and cause death”, قَالَ বলল Said, إِبْرَٰهِۦمُ ইবরাহীম Ibrahim, فَإِنَّ নিশ্চয়ই তবে “[Then] indeed, ٱللَّهَ আল্লাহ Allah, يَأْتِى আনেন brings up, بِٱلشَّمْسِ সূর্যকে নিয়ে the sun, مِنَ হতে from, ٱلْمَشْرِقِ পূর্বদিক the east, فَأْتِ তুমি তাহলে আনো so you bring, بِهَا তাকে নিয়ে it, مِنَ হতে from, ٱلْمَغْرِبِ পশ্চিমদিক the west”, فَبُهِتَ হতবুদ্ধি হয়ে তখন গেল So became dumbfounded, ٱلَّذِى যে the one who, كَفَرَ অস্বীকার করেছিল disbelieved, وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ and Allah, لَا না (does) not, يَهْدِى সঠিক পথ দেখান guide, ٱلْقَوْمَ সম্প্রদায়কে the people, ٱلظَّٰلِمِينَ সীমালঙ্ঘনকারী (who are) [the] wrongdoers )

 

(259) أَوْ كَالَّذِي مَرَّ عَلَى قَرْيَةٍ وَهِيَ خَاوِيَةٌ عَلَى عُرُوشِهَا قَالَ أَنَّىَ يُحْيِـي هَـَذِهِ اللّهُ بَعْدَ مَوْتِهَا فَأَمَاتَهُ اللّهُ مِئَةَ عَامٍ ثُمَّ بَعَثَهُ قَالَ كَمْ لَبِثْتَ قَالَ لَبِثْتُ يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍ قَالَ بَل لَّبِثْتَ مِئَةَ عَامٍ فَانظُرْ إِلَى طَعَامِكَ وَشَرَابِكَ لَمْ يَتَسَنَّهْ وَانظُرْ إِلَى حِمَارِكَ وَلِنَجْعَلَكَ آيَةً لِّلنَّاسِ وَانظُرْ إِلَى العِظَامِ كَيْفَ نُنشِزُهَا ثُمَّ نَكْسُوهَا لَحْمًا فَلَمَّا تَبَيَّنَ لَهُ قَالَ أَعْلَمُ أَنَّ اللّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ তুমি কি সে লোককে দেখনি যে এমন এক জনপদ দিয়ে যাচ্ছিল যার বাড়ীঘরগুলো ভেঙ্গে ছাদের উপর পড়ে ছিল? বলল, কেমন করে আল্লাহ মরনের পর একে জীবিত করবেন? অতঃপর আল্লাহ তাকে মৃত অবস্থায় রাখলেন একশ বছর। তারপর তাকে উঠালেন। বললেন, কত কাল এভাবে ছিলে? বলল আমি ছিলাম, একদিন কংবা একদিনের কিছু কম সময়। বললেন, তা নয়; বরং তুমি তো একশ বছর ছিলে। এবার চেয়ে দেখ নিজের খাবার ও পানীয়ের দিকে-সেগুলো পচে যায় নি এবং দেখ নিজের গাধাটির দিকে। আর আমি তোমাকে মানুষের জন্য দৃষ্টান্ত বানাতে চেয়েছি। আর হাড়গুলোর দিকে চেয়ে দেখ যে, আমি এগুলোকে কেমন করে জুড়ে দেই এবং সেগুলোর উপর মাংসের আবরণ পরিয়ে দেই। অতঃপর যখন তার উপর এ অবস্থা প্রকাশিত হল, তখন বলে উঠল-আমি জানি, নিঃসন্দেহে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল। Or (take) the similitude of one who passed by a hamlet, all in ruins to its roofs. He said: “Oh! how shall Allah bring it (ever) to life, after (this) its death?” but Allah caused him to die for a hundred years, then raised him up (again). He said: “How long didst thou tarry (thus)?” He said: (Perhaps) a day or part of a day.” He said: “Nay, thou hast tarried thus a hundred years; but look at thy food and thy drink; they show no signs of age; and look at thy donkey: And that We may make of thee a sign unto the people, Look further at the bones, how We bring them together and clothe them with flesh.” When this was shown clearly to him, he said: “I know that Allah hath power over all things.”

( أَوْ অথবা Or, كَٱلَّذِى যে দৃষ্টান্ত (ঐলোকের) like the one who, مَرَّ অতিক্রম করছিল passed, عَلَىٰ উপর দিয়ে by, قَرْيَةٍ এক নগরের a township, وَهِىَ এমনঅবস্থায় যে তা (ছিল) and it, خَاوِيَةٌ ধ্বংসস্তুপ হয়েছিল (had) overturned, عَلَىٰ উপর on, عُرُوشِهَا তার ছাদগুলোর its roofs, قَالَ সে বলল He said, أَنَّىٰ কিরূপে “How, يُحْىِۦ জীবিত করবেন (will) bring to life, هَٰذِهِ এটাকে this (town), ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, بَعْدَ পর after, مَوْتِهَا তার (মৃত্যুর) its death?”, فَأَمَاتَهُ তাকে তখন মৃত্যু দিলেন Then he was made to die, ٱللَّهُ আল্লাহ (by) Allah, مِا۟ئَةَ একশত (for) a hundred, عَامٍ বছর (পর্যন্ত) year(s), ثُمَّ এরপর then,  بَعَثَهُۥ তাকে পুনরুজ্জীবিত করলেন He raised him, قَالَ (তাকে) বললেন He said, كَمْ কতকাল “How long, لَبِثْتَ তুমি অবস্থান করেছ (have) you remained?”, قَالَ সে বলল He said, لَبِثْتُ অবস্থান করেছি আমি “I remained, يَوْمًا একদিন (for) a day, أَوْ কিংবা or,  بَعْضَ কিছু অংশ a part, يَوْمٍ দিনের (of) a day”, قَالَ তিনি বললেন He said, بَل বরং “Nay, لَّبِثْتَ তুমি অবস্থান করেছ you (have) remained, مِا۟ئَةَ একশত one hundred, عَامٍ বছর year(s), , فَٱنظُرْ অতঃপর লক্ষ করো Then look, إِلَىٰ দিকে at, طَعَامِكَ তোমার খাদ্যের your food, وَشَرَابِكَ ও তোমার পানীয়ের (দিকে) and your drink, لَمْ নি (they did) not, يَتَسَنَّهْ বিকৃত হয় change with time, وَٱنظُرْ এবং লক্ষ করো তুমি and look, إِلَىٰ প্রতি at, حِمَارِكَ তোমার গাধার your donkey, وَلِنَجْعَلَكَ এবং তোমাকে আমরা বানাতে পারি and We will make you, ءَايَةً নিদর্শন a sign, لِّلنَّاسِ মানুষের জন্য for the people, وَٱنظُرْ ও তুমি দেখো And look, إِلَى প্রতি at, ٱلْعِظَامِ হাড়গুলোর the bones, كَيْفَ কীভাবে how, نُنشِزُهَا আমরা তা সংযোজিত করি We raise them, ثُمَّ এরপর then, نَكْسُوهَا তা ঢেকে দিই আমরা We cover them, لَحْمًا গোশত (দিয়ে) (with) flesh”, فَلَمَّا অতঃপর যখন Then when, تَبَيَّنَ প্রকাশ পেল became clear, لَهُۥ তার নিকটে to him, قَالَ সে বলল he said, أَعْلَمُ আমি জানি “I know, أَنَّ যে that, ٱللَّهَ আল্লাহ Allah, عَلَىٰ ওপর (is) on, كُلِّ সব every, شَىْءٍ কিছুরই thing, قَدِيرٌ  সর্বশক্তিমান All-Powerful” )

 

(260) وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ أَرِنِي كَيْفَ تُحْيِـي الْمَوْتَى قَالَ أَوَلَمْ تُؤْمِن قَالَ بَلَى وَلَـكِن لِّيَطْمَئِنَّ قَلْبِي قَالَ فَخُذْ أَرْبَعَةً مِّنَ الطَّيْرِ فَصُرْهُنَّ إِلَيْكَ ثُمَّ اجْعَلْ عَلَى كُلِّ جَبَلٍ مِّنْهُنَّ جُزْءًا ثُمَّ ادْعُهُنَّ يَأْتِينَكَ سَعْيًا وَاعْلَمْ أَنَّ اللّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌ আর স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম বলল, হে আমার পালনকর্তা আমাকে দেখাও, কেমন করে তুমি মৃতকে জীবিত করবে। বললেন; তুমি কি বিশ্বাস কর না? বলল, অবশ্যই বিশ্বাস করি, কিন্তু দেখতে এজন্যে চাইছি যাতে অন্তরে প্রশান্তি লাভ করতে পারি। বললেন, তাহলে চারটি পাখী ধরে নাও। পরে সেগুলোকে নিজের পোষ মানিয়ে নাও, অতঃপর সেগুলোর দেহের একেকটি অংশ বিভিন্ন পাহাড়ের উপর রেখে দাও। তারপর সেগুলোকে ডাক; তোমার নিকট দৌড়ে চলে আসবে। আর জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী, অতি জ্ঞান সম্পন্ন। Behold! Abraham said: “My Lord! Show me how Thou givest life to the dead.” He said: “Dost thou not then believe?” He said: “Yea! but to satisfy My own undertaking.” He said: “Take four birds; Tame them to turn to thee; put a portion of them on every hill and call to them: They will come to thee (Flying) with speed. Then know that Allah is Exalted in Power, Wise.”

( وَإِذْ এবং যখন And when, قَالَ বলল said, إِبْرَٰهِۦمُ ইবরাহীম Ibrahim, رَبِّ হে আমার রব “My Lord, أَرِنِى দেখাও আমাকে show me, كَيْفَ কীভাবে how, تُحْىِ তুমি জীবিত কর You give life, ٱلْمَوْتَىٰ মৃতদেরকে (to) the dead”, قَالَ তিনি বললেন He said, أَوَلَمْ না কি “Have not, تُؤْمِن তুমি বিশ্বাস কর you believed?”, قَالَ সে বলল He said, بَلَىٰ হ্যাঁ অবশ্যই “Yes, وَلَٰكِن কিন্তু [and] but, لِّيَطْمَئِنَّ প্রশান্ত লাভ করে to satisfy, قَلْبِى আমার অন্তর my heart”, قَالَ তিনি বললেন He said, فَخُذْ তুমি তাহলে ধরো “Then take, أَرْبَعَةً চারটি four, مِّنَ থেকে of, ٱلطَّيْرِ পাখি the birds, فَصُرْهُنَّ তাদেরকে এরপর পোষ মানাও and incline them, إِلَيْكَ তোমার প্রতি towards you, ثُمَّ এরপর then, ٱجْعَلْ রেখে দাও put, عَلَىٰ উপর on, كُلِّ প্রত্যেক each, جَبَلٍ পাহাড়ের hill, مِّنْهُنَّ তাদের থেকে of them, جُزْءًا (কর্তিত এক এক) অংশ a portion, ثُمَّ এরপর then, ٱدْعُهُنَّ তাদেরকে ডাকো call them, يَأْتِينَكَ তোমার কাছে আসবে they will come to you, سَعْيًا দৌড়ে (in) haste, وَٱعْلَمْ এবং তুমি জেনে রাখো And know, أَنَّ যে that, ٱللَّهَ আল্লাহ Allah, عَزِيزٌ পরাক্রমশালী (is) All-Mighty, حَكِيمٌ মহাবিজ্ঞ All-Wise )

 

(261) مَّثَلُ الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللّهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ أَنبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِي كُلِّ سُنبُلَةٍ مِّئَةُ حَبَّةٍ وَاللّهُ يُضَاعِفُ لِمَن يَشَاء وَاللّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি বীজের মত, যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। প্রত্যেকটি শীষে একশ করে দানা থাকে। আল্লাহ অতি দানশীল, সর্বজ্ঞ।The parable of those who spend their substance in the way of Allah is that of a grain of corn: it groweth seven ears, and each ear Hath a hundred grains. Allah giveth manifold increase to whom He pleaseth: And Allah careth for all and He knoweth all things.

( مَّثَلُ উপমা (তাদের ঐরূপ) Example, ٱلَّذِينَ যারা (of) those who, يُنفِقُونَ ব্যয় করে spend, أَمْوَٰلَهُمْ তাদের ধন সম্পদ their wealth, فِى মধ্যে in, سَبِيلِ পথের (the) way, ٱللَّهِ আল্লাহর (of) Allah, كَمَثَلِ মতো উপমা (is) like, حَبَّةٍ একটা শস্যদানা (বীজের) a grain, أَنۢبَتَتْ তা উৎপন্ন করে which grows, سَبْعَ সাতটি seven, سَنَابِلَ শীষ ears, فِى মধ্যে (আছে) in, كُلِّ প্রত্যেকটি each, سُنۢبُلَةٍ শীষে ear, مِّا۟ئَةُ একশত hundred, حَبَّةٍ শস্যদানা grain(s), وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ And Allah, يُضَٰعِفُ বৃদ্ধি করেন বহুগুনে gives manifold, لِمَن তার জন্য যাকে to whom, يَشَآءُ তিনি ইচ্ছা করেন He wills, وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ And Allah, وَٰسِعٌ প্রাচুর্যময় (is) All-Encompassing, عَلِيمٌ সর্বজ্ঞ All-Knowing )

 

(262)  الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللّهِ ثُمَّ لاَ يُتْبِعُونَ مَا أَنفَقُواُ مَنًّا وَلاَ أَذًى لَّهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ যারা স্বীয় ধন সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে, এরপর ব্যয় করার পর সে অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে না এবং কষ্টও দেয় না, তাদেরই জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে পুরস্কার এবং তাদের কোন আশংকা নেই, তারা চিন্তিতও হবে না। Those who spend their substance in the cause of Allah, and follow not up their gifts with reminders of their generosity or with injury,-for them their reward is with their Lord: on them shall be no fear, nor shall they grieve.

( ٱلَّذِينَ যারা Those who, يُنفِقُونَ ব্যয় করে spend, أَمْوَٰلَهُمْ তাদের ধন সম্পদ their wealth, فِى মধ্যে in, سَبِيلِ পথের (the) way, ٱللَّهِ আল্লাহর (of) Allah, ثُمَّ এরপর then, لَا না not, يُتْبِعُونَ তারা পেছনে থাকে they follow, مَآ (তার) যা what, أَنفَقُوا۟ তারা ব্যয় করেছে they spend, مَنًّا (অনুগ্রহ করার) খোটা (with) reminders of generosity, وَلَآ আর না and not, أَذًى কষ্ট hurt -, لَّهُمْ তাদের জন্য (রয়েছে) for them, أَجْرُهُمْ তাদের পুরস্কার their reward, عِندَ কাছে (is) with, رَبِّهِمْ তাদের রবের their Lord, وَلَا এবং নেই and (there will be) no, خَوْفٌ কোনো ভয় fear, عَلَيْهِمْ তাদের জন্য on them, وَلَا আর না and not, هُمْ তারা they, يَحْزَنُونَ দুঃখ করবে will grieve )

 

(263) قَوْلٌ مَّعْرُوفٌ وَمَغْفِرَةٌ خَيْرٌ مِّن صَدَقَةٍ يَتْبَعُهَآ أَذًى وَاللّهُ غَنِيٌّ حَلِيمٌ নম্র কথা বলে দেয়া এবং ক্ষমা প্রদর্শন করা ঐ দান খয়রাত অপেক্ষা উত্তম, যার পরে কষ্ট দেয়া হয়। আল্লাহ তা’আলা সম্পদশালী, সহিঞ্চু। Kind words and the covering of faults are better than charity followed by injury. Allah is free of all wants, and He is Most-Forbearing.

( قَوْلٌ কথা A word, مَّعْرُوفٌ ভাল kind, وَمَغْفِرَةٌ ও ক্ষমা and (seeking) forgiveness, خَيْرٌ উত্তম (are) better, مِّن চেয়ে than, صَدَقَةٍ (এমন) দানের a charity, يَتْبَعُهَآ যার পেছনে আসে followed [it], أَذًى কষ্ট (by) hurt, وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ And Allah, غَنِىٌّ অভাবমুক্ত (is) All-Sufficient, حَلِيمٌ পরম সহনশীল All-Forbearing )

 

(264) يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تُبْطِلُواْ صَدَقَاتِكُم بِالْمَنِّ وَالأذَى كَالَّذِي يُنفِقُ مَالَهُ رِئَاء النَّاسِ وَلاَ يُؤْمِنُ بِاللّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ صَفْوَانٍ عَلَيْهِ تُرَابٌ فَأَصَابَهُ وَابِلٌ فَتَرَكَهُ صَلْدًا لاَّ يَقْدِرُونَ عَلَى شَيْءٍ مِّمَّا كَسَبُواْ وَاللّهُ لاَ يَهْدِي الْقَوْمَ الْكَافِرِينَ হে ঈমানদারগণ!তোমরা অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে এবং কষ্ট দিয়ে নিজেদের দান খয়রাত বরবাদ করো না সে ব্যক্তির মত যে নিজের ধন-সম্পদ লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ব্যয় করে এবং আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে না। অতএব, এ ব্যাক্তির দৃষ্টান্ত একটি মসৃণ পাথরের মত যার উপর কিছু মাটি পড়েছিল। অতঃপর এর উপর প্রবল বৃষ্টি বর্ষিত হলো, অনন্তর তাকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দিল। তারা ঐ বস্তুর কোন সওয়াব পায় না, যা তারা উপার্জন করেছে। আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শন করেন না। O ye who believe! cancel not your charity by reminders of your generosity or by injury,- like those who spend their substance to be seen of men, but believe neither in Allah nor in the Last Day. They are in parable like a hard, barren rock, on which is a little soil: on it falls heavy rain, which leaves it (Just) a bare stone. They will be able to do nothing with aught they have earned. And Allah guideth not those who reject faith.

( يَٰٓأَيُّهَا হে O you, ٱلَّذِينَ যারা who, ءَامَنُوا۟ ঈমান এনেছ believe[d]!, لَا না (Do) not, تُبْطِلُوا۟ তোমরা নষ্ট করো render in vain, صَدَقَٰتِكُم তোমাদের দান সমূহ your charities, بِٱلْمَنِّ (অনুগ্রহ প্রদানের) খোটা দিয়ে with reminders (of it), وَٱلْأَذَىٰ ও কষ্ট (দিয়ে) or [the] hurt, كَٱلَّذِى (ঐ ব্যক্তির) মতো যে like the one who, يُنفِقُ ব্যয় করে spends, مَالَهُۥ তার ধন সম্পদ his wealth, رِئَآءَ দেখানোর জন্য (to) be seen, ٱلنَّاسِ মানুষ (by) the people, وَلَا আর না and (does) not, يُؤْمِنُ বিশ্বাস করে believe, بِٱللَّهِ আল্লাহর প্রতি in Allah, وَٱلْيَوْمِ ও দিনে and the Day, ٱلْءَاخِرِ আখিরাতের [the] Last, فَمَثَلُهُۥ সুতরাং তার উপমা Then his example, كَمَثَلِ উপমার মতো (is) like, صَفْوَانٍ একটি পাথরের মসৃণ (that of a) smooth rock, عَلَيْهِ তার উপর (আছে) upon it, تُرَابٌ মাটি (is) dust, فَأَصَابَهُۥ তাতে অতঃপর বর্ষিত হয় then fell on it, وَابِلٌ প্রবল বৃষ্টি heavy rain, فَتَرَكَهُۥ ফলে তাকে রেখে দেয় then left it, صَلْدًا পরিস্কার করে bare, لَّا না Not, يَقْدِرُونَ তারা সক্ষম হয় (কাজে লাগাতে) they have control, عَلَىٰ এক্ষেত্রে on, شَىْءٍ কোনো কিছুই anything, مِّمَّا তা হতে যা of what, كَسَبُوا۟ তারা অর্জন করেছে they (have) earned, وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ And Allah, لَا না (does) not, يَهْدِى সৎপথে পরিচালিত করেন guide, ٱلْقَوْمَ সম্প্রদায়কে the people, ٱلْكَٰفِرِينَ (যারা) অস্বীকারকারী [the] disbelieving )

 

(265) وَمَثَلُ الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمُ ابْتِغَاء مَرْضَاتِ اللّهِ وَتَثْبِيتًا مِّنْ أَنفُسِهِمْ كَمَثَلِ جَنَّةٍ بِرَبْوَةٍ أَصَابَهَا وَابِلٌ فَآتَتْ أُكُلَهَا ضِعْفَيْنِ فَإِن لَّمْ يُصِبْهَا وَابِلٌ فَطَلٌّ وَاللّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন-সম্পদ ব্যয় করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে এবং নিজের মনকে সুদৃঢ় করার জন্যে তাদের উদাহরণ টিলায় অবস্থিত বাগানের মত, যাতে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়; অতঃপর দ্বিগুণ ফসল দান করে। যদি এমন প্রবল বৃষ্টিপাত নাও হয়, তবে হাল্কা বর্ষণই যথেষ্ট। আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম যথার্থই প্রত্যক্ষ করেন। And the likeness of those who spend their substance, seeking to please Allah and to strengthen their souls, is as a garden, high and fertile: heavy rain falls on it but makes it yield a double increase of harvest, and if it receives not Heavy rain, light moisture sufficeth it. Allah seeth well whatever ye do.

( وَمَثَلُ এবং উপমা And (the) example, ٱلَّذِينَ (তাদের) যারা (of) those who, يُنفِقُونَ ব্যয় করে spend, أَمْوَٰلَهُمُ তাদের সম্পদগুলো their wealth, ٱبْتِغَآءَ সন্ধানে seeking, مَرْضَاتِ সন্তুষ্টির (the) pleasure, ٱللَّهِ আল্লাহর (of) Allah, وَتَثْبِيتًا এবং সুদৃঢ় করতে and certainty, مِّنْ বিষয়টিকে from, أَنفُسِهِمْ তাদের আত্মার their (inner) souls, كَمَثَلِ (তাদের) উপমা যেমন (is) like, جَنَّةٍۭ একটি বাগানের a garden, بِرَبْوَةٍ উঁচু ভূমিতে অবস্থিত on a height, أَصَابَهَا তাতে বর্ষিত হয় fell on it, وَابِلٌ প্রবল বৃষ্টি heavy rain, فَـَٔاتَتْ আসে অতঃপর so it yielded, أُكُلَهَا তার ফলমূল its harvest, ضِعْفَيْنِ দ্বিগুণ double, فَإِن যদি তবে Then if, لَّمْ না (does) not, يُصِبْهَا তাতে বর্ষিত হয় fall (on) it, وَابِلٌ প্রবল বৃষ্টি heavy rain, فَطَلٌّ সামান্য তবে বৃষ্টিই (যথেষ্ট) then a drizzle, وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ And Allah, بِمَا ঐ বিষয়ে যা of what, تَعْمَلُونَ তোমরা কাজ করছ you do, بَصِيرٌ সম্যক দ্রষ্টা (is) All-Seer )

 

(266) أَيَوَدُّ أَحَدُكُمْ أَن تَكُونَ لَهُ جَنَّةٌ مِّن نَّخِيلٍ وَأَعْنَابٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الأَنْهَارُ لَهُ فِيهَا مِن كُلِّ الثَّمَرَاتِ وَأَصَابَهُ الْكِبَرُ وَلَهُ ذُرِّيَّةٌ ضُعَفَاء فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللّهُ لَكُمُ الآيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُونَ তোমাদের কেউ পছন্দ করে যে, তার একটি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান হবে, এর তলদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত হবে, আর এতে সর্বপ্রকার ফল-ফসল থাকবে এবং সে বার্ধক্যে পৌছবে, তার দুর্বল সন্তান সন্ততিও থাকবে, এমতাবস্থায় এ বাগানের একটি ঘূর্ণিবায়ু আসবে, যাতে আগুন রয়েছে, অনন্তর বাগানটি ভষ্মীভূত হয়ে যাবে? এমনিভাবে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্যে নিদর্শনসমূহ বর্ননা করেন-যাতে তোমরা চিন্তা-ভাবনা কর। Does any of you wish that he should have a garden with date-palms and vines and streams flowing underneath, and all kinds of fruit, while he is stricken with old age, and his children are not strong (enough to look after themselves)- that it should be caught in a whirlwind, with fire therein, and be burnt up? Thus doth Allah make clear to you (His) Signs; that ye may consider.

( أَيَوَدُّ কামনা করে কি Would like, أَحَدُكُمْ তোমাদের কেউ any of you, أَن যে that, تَكُونَ হবে it be, لَهُۥ তার জন্য for him, جَنَّةٌ একটি বাগান a garden, مِّن এর of, نَّخِيلٍ খেজুর date-palms, وَأَعْنَابٍ ও আঙ্গুরের and grapevines, تَجْرِى প্রবাহিত হয় flowing, مِن দিয়ে [from], تَحْتِهَا তার নিচ underneath it, ٱلْأَنْهَٰرُ ঝর্ণাসমূহ the rivers, لَهُۥ তার (আছে) for him, فِيهَا তার মধ্যে in it, مِن থেকে of, كُلِّ সব ধরণের all (kinds), ٱلثَّمَرَٰتِ ফলমূল(of) [the] fruits, وَأَصَابَهُ এবং তার আপতিত হল and strikes him, ٱلْكِبَرُ বার্ধক্য [the] old age, وَلَهُۥ যখন তার আছে and [for] his, ذُرِّيَّةٌ সন্তান সন্ততি children, ضُعَفَآءُ দুর্বল (are) weak, فَأَصَابَهَآ তাকে অতঃপর আঘাত করল then falls on it, إِعْصَارٌ ঘূর্ণিঝড় whirlwind, فِيهِ তার মধ্য (আছে) in it, نَارٌ আগুন (is) fire, فَٱحْتَرَقَتْ পুড়ে গেল অতঃপর (সেই বাগান) then it is burnt, كَذَٰلِكَ এভাবে Thus, يُبَيِّنُ বর্ণনা করেন makes clear, ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, لَكُمُ তোমাদের জন্য for you, ٱلْءَايَٰتِ নিদর্শনাবলী (His) Signs, لَعَلَّكُمْ আশা করা যায় তোমরা so that you may, تَتَفَكَّرُونَ চিন্তা করবে ponder )

 

(267) يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ أَنفِقُواْ مِن طَيِّبَاتِ مَا كَسَبْتُمْ وَمِمَّا أَخْرَجْنَا لَكُم مِّنَ الأَرْضِ وَلاَ تَيَمَّمُواْ الْخَبِيثَ مِنْهُ تُنفِقُونَ وَلَسْتُم بِآخِذِيهِ إِلاَّ أَن تُغْمِضُواْ فِيهِ وَاعْلَمُواْ أَنَّ اللّهَ غَنِيٌّ حَمِيدٌ হে ঈমানদারগণ! তোমরা স্বীয় উপার্জন থেকে এবং যা আমি তোমাদের জন্যে ভূমি থেকে উৎপন্ন করেছি, তা থেকে উৎকৃষ্ট বস্তু ব্যয় কর এবং তা থেকে নিকৃষ্ট জিনিস ব্যয় করতে মনস্থ করো না। কেননা, তা তোমরা কখনও গ্রহণ করবে না; তবে যদি তোমরা চোখ বন্ধ করে নিয়ে নাও। জেনে রেখো, আল্লাহ অভাব মুক্ত, প্রশংসিত। O ye who believe! Give of the good things which ye have (honourably) earned, and of the fruits of the earth which We have produced for you, and do not even aim at getting anything which is bad, in order that out of it ye may give away something, when ye yourselves would not receive it except with closed eyes. And know that Allah is Free of all wants, and worthy of all praise.

( يَٰٓأَيُّهَا হে O you, ٱلَّذِينَ যারা who, ءَامَنُوٓا۟ ঈমান এনেছ believe[d]!, أَنفِقُوا۟ ব্যয় কর তোমরা Spend, مِن হতে from, طَيِّبَٰتِ পবিত্র জিনিসগুলো (the) good things, مَا যা that, كَسَبْتُمْ তোমরা অর্জন করেছ you have earned, وَمِمَّآ এবং তা হতেও যা and whatever, أَخْرَجْنَا বের করেছি আমরা We brought forth, لَكُم তোমাদের জন্য for you, مِّنَ থেকে from, ٱلْأَرْضِ জমি the earth, وَلَا এবং না And (do) not, تَيَمَّمُوا۟ তোমরা সংকল্প করো aim at, ٱلْخَبِيثَ নিকৃষ্ট বস্তুগুলোকে the bad, مِنْهُ তা থেকে of it, تُنفِقُونَ ব্যয় করতে you spend, وَلَسْتُم অথচ তোমরা নও while you (would) not, بِـَٔاخِذِيهِ তা গ্রহণকারী take it, إِلَّآ এছাড়া except, أَن যে [that], تُغْمِضُوا۟ তোমরা চোখ বন্ধ করে থাক (with) close(d) eyes, فِيهِ তা হতে [in it], وَٱعْلَمُوٓا۟ এবং তোমরা জেনে রেখো and know, أَنَّ যে that, ٱللَّهَ আল্লাহ Allah, غَنِىٌّ অভাবমুক্ত (is) Self-Sufficient, حَمِيدٌ প্রশংসিত Praiseworthy )

 

(268)  الشَّيْطَانُ يَعِدُكُمُ الْفَقْرَ وَيَأْمُرُكُم بِالْفَحْشَاء وَاللّهُ يَعِدُكُم مَّغْفِرَةً مِّنْهُ وَفَضْلاً وَاللّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ শয়তান তোমাদেরকে অভাব অনটনের ভীতি প্রদর্শন করে এবং অশ্লীলতার আদেশ দেয়। পক্ষান্তরে আল্লাহ তোমাদেরকে নিজের পক্ষ থেকে ক্ষমা ও বেশী অনুগ্রহের ওয়াদা করেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সুবিজ্ঞ। The Evil one threatens you with poverty and bids you to conduct unseemly. Allah promiseth you His forgiveness and bounties. And Allah careth for all and He knoweth all things.

( ٱلشَّيْطَٰنُ শয়তান The Shaitaan, يَعِدُكُمُ তোমাদের ভয় দেখায় promises you, ٱلْفَقْرَ দারিদ্র্যের [the] poverty, وَيَأْمُرُكُم এবং নির্দেশ দেয় and orders you, بِٱلْفَحْشَآءِ অশ্লীলতার to immorality, وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ while Allah, يَعِدُكُم তোমাদের প্রতিশ্রুতি দেন promises you, مَّغْفِرَةً ক্ষমার forgiveness, مِّنْهُ তাঁর থেকে from Him, وَفَضْلًا ও তাঁর অনুগ্রহের and bounty, وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ And Allah, وَٰسِعٌ প্রাচুর্যময় (is) All-Encompassing, عَلِيمٌ সর্বজ্ঞ All-Knowing )

 

(269) يُؤتِي الْحِكْمَةَ مَن يَشَاء وَمَن يُؤْتَ الْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا وَمَا يَذَّكَّرُ إِلاَّ أُوْلُواْ الأَلْبَابِ তিনি যাকে ইচ্ছা বিশেষ জ্ঞান দান করেন এবং যাকে বিশেষ জ্ঞান দান করা হয়, সে প্রভুত কল্যাণকর বস্তু প্রাপ্ত হয়। উপদেশ তারাই গ্রহণ করে, যারা জ্ঞানবান।He granteth wisdom to whom He pleaseth; and he to whom wisdom is granted receiveth indeed a benefit overflowing; but none will grasp the Message but men of understanding.

( يُؤْتِى দেন তিনি He grants, ٱلْحِكْمَةَ প্রজ্ঞা [the] wisdom, مَن যাকে (to) whom, يَشَآءُ তিনি ইচ্ছা করেন He wills, وَمَن এবং যাকে and whoever, يُؤْتَ দেয়া হয়েছে is granted, ٱلْحِكْمَةَ প্রজ্ঞা [the] wisdom, فَقَدْ তবে নিশ্চয়ই then certainly, أُوتِىَ তাকে দেয়া হয়েছে he is granted, خَيْرًا কল্যাণ good, كَثِيرًا অনেক abundant, وَمَا এবং না And none, يَذَّكَّرُ শিক্ষা নেয় (এ থেকে) remembers, إِلَّآ এছাড়া except, أُو۟لُوا۟ সম্পন্নরা those, ٱلْأَلْبَٰبِ বোধশক্তি (of) understanding )

 

(270) وَمَا أَنفَقْتُم مِّن نَّفَقَةٍ أَوْ نَذَرْتُم مِّن نَّذْرٍ فَإِنَّ اللّهَ يَعْلَمُهُ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنصَارٍ তোমরা যে খয়রাত বা সদ্ব্যয় কর কিংবা কোন মানত কর, আল্লাহ নিশ্চয়ই সেসব কিছুই জানেন। অন্যায়কারীদের কোন সাহায্যকারী নেই। And whatever ye spend in charity or devotion, be sure Allah knows it all. But the wrong-doers have no helpers.

( وَمَآ এবং যা And whatever, أَنفَقْتُم তোমরা ব্যয় করেছ you spend, مِّن কোনো (out) of, نَّفَقَةٍ খরচা খরচ (your) expenditures, أَوْ অথবা or, نَذَرْتُم তোমরা মানত কর you vow, مِّن কোনো of, نَّذْرٍ মানত vow(s), فَإِنَّ নিশ্চয়ই অতঃপর then indeed, ٱللَّهَ আল্লাহ Allah, يَعْلَمُهُۥ তা জানেন knows it, وَمَا এবং নেই and not, لِلظَّٰلِمِينَ সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য for the wrongdoers, مِنْ কোনো any, أَنصَارٍ সাহায্যকারী helpers )

 

(271)  إِن تُبْدُواْ الصَّدَقَاتِ فَنِعِمَّا هِيَ وَإِن تُخْفُوهَا وَتُؤْتُوهَا الْفُقَرَاء فَهُوَ خَيْرٌ لُّكُمْ وَيُكَفِّرُ عَنكُم مِّن سَيِّئَاتِكُمْ وَاللّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ যদি তোমরা প্রকাশ্যে দান-খয়রাত কর, তবে তা কতইনা উত্তম। আর যদি খয়রাত গোপনে কর এবং অভাবগ্রস্তদের দিয়ে দাও, তবে তা তোমাদের জন্যে আরও উত্তম। আল্লাহ তা’আলা তোমাদের কিছু গোনাহ দূর করে দিবেন। আল্লাহ তোমাদের কাজ কর্মের খুব খবর রাখেন। If ye disclose (acts of) charity, even so it is well, but if ye conceal them, and make them reach those (really) in need, that is best for you: It will remove from you some of your (stains of) evil. And Allah is well acquainted with what ye do.

( إِن যদি If, تُبْدُوا۟ তোমরা প্রকাশ্যে দাও you disclose, ٱلصَّدَقَٰتِ সদকা সমূহ the charities, فَنِعِمَّا উত্তম তবে then well, هِىَ তা it (is), وَإِن আর যদি But if, تُخْفُوهَا তা তোমরা গোপনে কর you keep it secret, وَتُؤْتُوهَا ও তোমরা তা দাও and give it, ٱلْفُقَرَآءَ অভাবগ্রস্তদেরকে (to) the poor, فَهُوَ তা তবে then it, خَيْرٌ (আরও) ভালো (is) better, لَّكُمْ তোমাদের জন্য for you, وَيُكَفِّرُ এবং দূর করবেন And He will remove, عَنكُم তোমাদের থেকে from you, مِّن কিছু কিছু [of], سَيِّـَٔاتِكُمْ তোমাদের পাপগুলো your evil deeds, وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ And Allah, بِمَا ঐ বিষয় যা with what, تَعْمَلُونَ তোমরা কাজ কর you do, خَبِيرٌ ভালোভাবে অবহিত (is) All-Aware )

 

(272) لَّيْسَ عَلَيْكَ هُدَاهُمْ وَلَـكِنَّ اللّهَ يَهْدِي مَن يَشَاء وَمَا تُنفِقُواْ مِنْ خَيْرٍ فَلأنفُسِكُمْ وَمَا تُنفِقُونَ إِلاَّ ابْتِغَاء وَجْهِ اللّهِ وَمَا تُنفِقُواْ مِنْ خَيْرٍ يُوَفَّ إِلَيْكُمْ وَأَنتُمْ لاَ تُظْلَمُونَ তাদেরকে সৎপথে আনার দায় তোমার নয়। বরং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সৎপথে পরিচালিত করেন। যে মাল তোমরা ব্যয় কর, তা নিজ উপাকারার্থেই কর। আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যয় করো না। তোমরা যে, অর্থ ব্যয় করবে, তার পুরস্কার পুরোপুরি পেয়ে যাবে এবং তোমাদের প্রতি অন্যায় করা হবে না। It is not required of thee (O Messenger., to set them on the right path, but Allah sets on the right path whom He pleaseth. Whatever of good ye give benefits your own souls, and ye shall only do so seeking the “Face” of Allah. Whatever good ye give, shall be rendered back to you, and ye shall not Be dealt with unjustly.

( لَّيْسَ নয় Not, عَلَيْكَ তোমার উপর (দায়িত্ব) on you, هُدَىٰهُمْ তাদের সৎপথ গ্রহণের (is) their guidance, وَلَٰكِنَّ কিন্তু [and] but, ٱللَّهَ আল্লাহ Allah, يَهْدِى পথ দেখান guides, مَن যাকে whom, يَشَآءُ তিনি চান He wills, وَمَا এবং যা And whatever, تُنفِقُوا۟ তোমরা ব্যয় কর you spend, مِنْ কোনো of, خَيْرٍ সম্পদ good, فَلِأَنفُسِكُمْ তোমাদের তবে তা নিজেদের জন্য then it is for yourself, وَمَا এবং না and not, تُنفِقُونَ তোমরা ব্যয় কর you spend, إِلَّا এছাড়া যে except, ٱبْتِغَآءَ সন্ধানে seeking, وَجْهِ চেহারা (the) face, ٱللَّهِ আল্লাহর (of) Allah, وَمَا এবং যা And whatever, تُنفِقُوا۟ তোমরা খরচ কর you spend, مِنْ কোনো of, خَيْرٍ সম্পদ good, يُوَفَّ পূর্ণ দেয়া হবে will be repaid in full, إِلَيْكُمْ তোমাদের প্রতি to you, وَأَنتُمْ ও তোমাদের (প্রতি) and you, لَا না (will) not, تُظْلَمُونَ অন্যায় করা হবে be wronged )

 

(273) لِلْفُقَرَاء الَّذِينَ أُحصِرُواْ فِي سَبِيلِ اللّهِ لاَ يَسْتَطِيعُونَ ضَرْبًا فِي الأَرْضِ يَحْسَبُهُمُ الْجَاهِلُ أَغْنِيَاء مِنَ التَّعَفُّفِ تَعْرِفُهُم بِسِيمَاهُمْ لاَ يَسْأَلُونَ النَّاسَ إِلْحَافًا وَمَا تُنفِقُواْ مِنْ خَيْرٍ فَإِنَّ اللّهَ بِهِ عَلِيمٌ খয়রাত ঐ সকল গরীব লোকের জন্যে যারা আল্লাহর পথে আবদ্ধ হয়ে গেছে-জীবিকার সন্ধানে অন্যত্র ঘোরাফেরা করতে সক্ষম নয়। অজ্ঞ লোকেরা যাঞ্চা না করার কারণে তাদেরকে অভাবমুক্ত মনে করে। তোমরা তাদেরকে তাদের লক্ষণ দ্বারা চিনবে। তারা মানুষের কাছে কাকুতি-মিনতি করে ভিক্ষা চায় না। তোমরা যে অর্থ ব্যয় করবে, তা আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই পরিজ্ঞাত। (Charity is) for those in need, who, in Allah.s cause are restricted (from travel), and cannot move about in the land, seeking (For trade or work): the ignorant man thinks, because of their modesty, that they are free from want. Thou shalt know them by their (Unfailing) mark: They beg not importunately from all the sundry. And whatever of good ye give, be assured Allah knoweth it well.

( لِلْفُقَرَآءِ অভাবগ্রস্তদের জন্য For the poor, ٱلَّذِينَ যারা those who, أُحْصِرُوا۟ আটকে পড়েছে (ব্যস্ততার কারণে) are wrapped up, فِى মধ্যে in, سَبِيلِ পথের (the) way, ٱللَّهِ আল্লাহর (of) Allah, لَا না not, يَسْتَطِيعُونَ তারা পারে they are able, ضَرْبًا ঘোরাফিরা করতে (to) move about, فِى মধ্যে in, ٱلْأَرْضِ পৃথিবীর (অর্থাৎ উপার্জন করতে) the earth, يَحْسَبُهُمُ তাদেরকে মনে করে Think (about) them, ٱلْجَاهِلُ অজ্ঞ লোকেরা the ignorant one, أَغْنِيَآءَ অভাবমুক্ত (that they are) self-sufficient, مِنَ কারণে (because) of, ٱلتَّعَفُّفِ না চাওয়ার (their) restraint, تَعْرِفُهُم তাদেরকে তুমি চিনবে you recognize them, بِسِيمَٰهُمْ তাদের লক্ষণ দিয়ে by their mark, لَا না Not, يَسْـَٔلُونَ তারা চায় (do) they ask, ٱلنَّاسَ মানুষ (থেকে) the people, إِلْحَافًا নাছোড় হয়ে with importunity, وَمَا এবং যা And whatever, تُنفِقُوا۟ তোমরা ব্যয় কর you spend, مِنْ হতে of, خَيْرٍ সম্পদ good, فَإِنَّ অতঃপর নিশ্চয়ই then indeed, ٱللَّهَ আল্লাহ Allah, بِهِۦ তা সম্পর্কে of it, عَلِيمٌ খুব অবহিত (is) All-Knower )

 

(274) الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُم بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ سِرًّا وَعَلاَنِيَةً فَلَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ যারা স্বীয় ধন-সম্পদ ব্যয় করে, রাত্রে ও দিনে, গোপনে ও প্রকাশ্যে। তাদের জন্যে তাদের সওয়াব রয়েছে তাদের পালনকর্তার কাছে। তাদের কোন আশংঙ্কা নেই এবং তারা চিন্তিত ও হবে না। Those who (in charity) spend of their goods by night and by day, in secret and in public, have their reward with their Lord: on them shall be no fear, nor shall they grieve.

( ٱلَّذِينَ যারা Those who, يُنفِقُونَ ব্যয় করে spend, أَمْوَٰلَهُم তাদের সম্পদ সমূহকে their wealth, بِٱلَّيْلِ রাতে by night, وَٱلنَّهَارِ ও দিনে and day, سِرًّا গোপনে secretly, وَعَلَانِيَةً ও প্রকাশ্যে and openly, فَلَهُمْ ফলে (রয়েছে) তাদের জন্য then for them, أَجْرُهُمْ তাদের পুরস্কার (is) their reward, عِندَ কাছে with, رَبِّهِمْ তাদের রবের their Lord, وَلَا এবং নেই and no, خَوْفٌ কোনো ভয় fear, عَلَيْهِمْ তাদের জন্য on them, وَلَا এবং না and not, هُمْ তারা they, يَحْزَنُونَ দুঃখিত হবে will grieve )

 

(275) يَأْكُلُونَ الرِّبَا لاَ يَقُومُونَ إِلاَّ كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُواْ إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبَا وَأَحَلَّ اللّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا فَمَن جَاءهُ مَوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّهِ فَانتَهَىَ فَلَهُ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُ إِلَى اللّهِ وَمَنْ عَادَ فَأُوْلَـئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্রয় ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লা’হ তা’আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে, পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে। Those who devour usury will not stand except as stand one whom the Evil one by his touch Hath driven to madness. That is because they say: “Trade is like usury,” but Allah hath permitted trade and forbidden usury. Those who after receiving direction from their Lord, desist, shall be pardoned for the past; their case is for Allah (to judge); but those who repeat (The offence) are companions of the Fire: They will abide therein (for ever).

( ٱلَّذِينَ যারা Those who, يَأْكُلُونَ খায় consume, ٱلرِّبَوٰا۟ সুদ [the] usury, لَا না not, يَقُومُونَ তারা দাঁড়াবে they can stand, إِلَّا এছাড়া except, كَمَا যেমন like, يَقُومُ দাঁড়ায় stands, ٱلَّذِى সেই (ব্যক্তি) the one who, يَتَخَبَّطُهُ যাকে পাগল করেছে confounds him, ٱلشَّيْطَٰنُ শয়তান the Shaitaan, مِنَ দ্বারা with, ٱلْمَسِّ (তার) স্পর্শ (his) touch, ذَٰلِكَ এটা That, بِأَنَّهُمْ এ জন্য যে তারা (is) because they, قَالُوٓا۟ বলে say, إِنَّمَا মূলতঃ “Only, ٱلْبَيْعُ ব্যবসাও the trade, مِثْلُ মতো (is) like, ٱلرِّبَوٰا۟ সুদেরই [the] usury”, وَأَحَلَّ অথচ বৈধ করেছেন While has permitted, ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, ٱلْبَيْعَ ব্যবসাকে [the] trade, وَحَرَّمَ ও নিষিদ্ধ করেছেন but (has) forbidden, ٱلرِّبَوٰا۟ সুদকে [the] usury, فَمَن অতঃপর যে Then whoever, جَآءَهُۥ তার কাছে এসেছে comes to him, مَوْعِظَةٌ উপদেশ (the) admonition, مِّن পক্ষ হতে from, رَّبِّهِۦ তার রবের His Lord, فَٱنتَهَىٰ সে অতঃপর বিরত হয়েছে (সুদখোরী হতে) and he refrained, فَلَهُۥ তবে তার জন্য then for him, مَا যা what, سَلَفَ অতীত হয়ছে (হয়ে গেছে) (has) passed, وَأَمْرُهُۥٓ এবং তার ব্যাপার (সোপর্দ) and his case, إِلَى কাছে (is) with, ٱللَّهِ আল্লাহ Allah, وَمَنْ আর যে and whoever, عَادَ পুনরাবৃত্তি করবে repeated, فَأُو۟لَٰٓئِكَ তাহলে ঐসব লোক then those, أَصْحَٰبُ অধিবাসী (হবে) (are the) companions, ٱلنَّارِ আগুনের (of) the Fire, هُمْ তারা they, فِيهَا তার মধ্যে in it, خَٰلِدُونَ চিরস্থায়ী হবে will abide forever )

 

(276) يَمْحَقُ اللّهُ الْرِّبَا وَيُرْبِي الصَّدَقَاتِ وَاللّهُ لاَ يُحِبُّ كُلَّ كَفَّارٍ أَثِيمٍ আল্লাহ তা’আলা সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দান খয়রাতকে বর্ধিত করেন। আল্লাহ পছন্দ করেন না কোন অবিশ্বাসী পাপীকে। Allah will deprive usury of all blessing, but will give increase for deeds of charity: For He loveth not creatures ungrateful and wicked.

( يَمْحَقُ নিশ্চিহ্ন করেন Destroys, ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, ٱلرِّبَوٰا۟ সুদকে the usury, وَيُرْبِى ও বর্ধিত করেন and (gives) increase, ٱلصَّدَقَٰتِ দানকে (for) the charities, وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ And Allah, لَا না (does) not, يُحِبُّ ভালোবাসেন love, كُلَّ প্রত্যেক every, كَفَّارٍ অকৃতজ্ঞ ungrateful, أَثِيمٍ পাপীকে sinner )

 

(277)  إِنَّ الَّذِينَ آمَنُواْ وَعَمِلُواْ الصَّالِحَاتِ وَأَقَامُواْ الصَّلاَةَ وَآتَوُاْ الزَّكَاةَ لَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ নিশ্চয়ই যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, সৎকাজ করেছে, নামায প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং যাকাত দান করেছে, তাদের জন্যে তাদের পুরষ্কার তাদের পালনকর্তার কছে রয়েছে। তাদের কোন শঙ্কা নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না। Those who believe, and do deeds of righteousness, and establish regular prayers and regular charity, will have their reward with their Lord: on them shall be no fear, nor shall they grieve.

( إِنَّ নিশ্চয়ই Indeed, ٱلَّذِينَ যারা those who, ءَامَنُوا۟ ঈমান এনেছে believe[d], وَعَمِلُوا۟ ও কাজ করেছে and did, ٱلصَّٰلِحَٰتِ সৎ good deeds, وَأَقَامُوا۟ ও প্রতিষ্ঠা করেছে and established, ٱلصَّلَوٰةَ সালাত the prayer, وَءَاتَوُا۟ ও দিয়েছে and gave, ٱلزَّكَوٰةَ যাকাত the zakah, لَهُمْ তাদের জন্য (রয়েছে) for them -, أَجْرُهُمْ তাদের পুরস্কার their reward, عِندَ কাছে (is) with, رَبِّهِمْ তাদের রবের their Lord, وَلَا এবং না and no, خَوْفٌ ভয় (থাকবে) fear, عَلَيْهِمْ তাদের উপর on them, وَلَا আর না and not, هُمْ তারা they, يَحْزَنُونَ তারা দুঃখিত হবে will grieve )

 

(278)  يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ اتَّقُواْ اللّهَ وَذَرُواْ مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যে সমস্ত বকেয়া আছে, তা পরিত্যাগ কর, যদি তোমরা ঈমানদার হয়ে থাক। O ye who believe! Fear Allah, and give up what remains of your demand for usury, if ye are indeed believers.

( يَٰٓأَيُّهَا হে O you, ٱلَّذِينَ যারা who, ءَامَنُوا۟ ঈমান এনেছ believe[d]!, ٱتَّقُوا۟ তোমরা ভয় করো Fear, ٱللَّهَ আল্লাহকে Allah, وَذَرُوا۟ এবং ছেড়ে দাও and give up, مَا যা what, بَقِىَ বকেয়া আছে remained, مِنَ হতে of, ٱلرِّبَوٰٓا۟ সুদ [the] usury, إِن যদি if, كُنتُم তোমরা হও you are, مُّؤْمِنِينَ মু’মিন believers )

 

(279)  فَإِن لَّمْ تَفْعَلُواْ فَأْذَنُواْ بِحَرْبٍ مِّنَ اللّهِ وَرَسُولِهِ وَإِن تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُؤُوسُ أَمْوَالِكُمْ لاَ تَظْلِمُونَ وَلاَ تُظْلَمُونَ অতঃপর যদি তোমরা পরিত্যাগ না কর, তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত হয়ে যাও। কিন্তু যদি তোমরা তওবা কর, তবে তোমরা নিজের মূলধন পেয়ে যাবে। তোমরা কারও প্রতি অত্যাচার করো না এবং কেউ তোমাদের প্রতি অত্যাচার করবে না। If ye do it not, Take notice of war from Allah and His Messenger. But if ye turn back, ye shall have your capital sums: Deal not unjustly, and ye shall not be dealt with unjustly.

( فَإِن অতঃপর যদি And if, لَّمْ না not, تَفْعَلُوا۟ তোমরা কর you do, فَأْذَنُوا۟ তোমরা তবে ঘোষণা শুনে রাখো then be informed, بِحَرْبٍ যুদ্ধের (বিষয়ে) of a war, مِّنَ পক্ষ হতে from, ٱللَّهِ আল্লাহর Allah, وَرَسُولِهِۦ ও তাঁর রাসূল and His Messenger, وَإِن আর যদি And if, تُبْتُمْ তোমরা তওবা কর you repent, فَلَكُمْ তবে (থাকবে) তোমাদের জন্য then for you, رُءُوسُ মূলধন (is), أَمْوَٰلِكُمْ তোমাদের সম্পদের your capital, لَا না (do) not, تَظْلِمُونَ তোমরা অবিচার করো wrong, وَلَا আর না and not, تُظْلَمُونَ অবিচার করা হবে (তোমাদের উপর) you will be wronged )

 

(280) وَإِن كَانَ ذُو عُسْرَةٍ فَنَظِرَةٌ إِلَى مَيْسَرَةٍ وَأَن تَصَدَّقُواْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ যদি খাতক অভাবগ্রস্থ হয়, তবে তাকে সচ্ছলতা আসা পর্যন্ত সময় দেয়া উচিত। আর যদি ক্ষমা করে দাও, তবে তা খুবই উত্তম যদি তোমরা উপলব্ধি কর। If the debtor is in a difficulty, grant him time Till it is easy for him to repay. But if ye remit it by way of charity, that is best for you if ye only knew.

( وَإِن এবং যদি And if, كَانَ হয় (খাতক) is, ذُو (একটি) the (debtor), عُسْرَةٍ অভাবগ্রস্ত in difficulty, فَنَظِرَةٌ অবসর তবে দেবে then postponement, إِلَىٰ পর্যন্ত until, مَيْسَرَةٍ সচ্ছলতা ease, وَأَن এবং যে And if, تَصَدَّقُوا۟ তোমদের সদকা করে দেওয়া you remit as charity, خَيْرٌ উত্তম (it is) better, لَّكُمْ তোমাদের জন্য for you, إِن যদি If, كُنتُمْ তোমরা ছিলে you, تَعْلَمُونَ তোমরা জানতে know )

 

(281)  وَاتَّقُواْ يَوْمًا تُرْجَعُونَ فِيهِ إِلَى اللّهِ ثُمَّ تُوَفَّى كُلُّ نَفْسٍ مَّا كَسَبَتْ وَهُمْ لاَ يُظْلَمُونَ ঐ দিনকে ভয় কর, যে দিন তোমরা আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে। অতঃপর প্রত্যেকেই তার কর্মের ফল পুরোপুরি পাবে এবং তাদের প্রতি কোন রূপ অবিচার করা হবে না। And fear the Day when ye shall be brought back to Allah. Then shall every soul be paid what it earned, and none shall be dealt with unjustly.

( وَٱتَّقُوا۟ এবং তোমরা ভয় করো And fear, يَوْمًا সে দিনের a Day, تُرْجَعُونَ তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে you will be brought back, فِيهِ যার মধ্যে [in it], إِلَى দিকে to, ٱللَّهِ আল্লাহরই Allah, ثُمَّ এরপর Then, تُوَفَّىٰ পূর্ণ দেয়া হবে (will be) repaid in full, كُلُّ প্রত্যেক every, نَفْسٍ ব্যক্তিকে soul, مَّا যা what, كَسَبَتْ সে অর্জন করেছে it earned, وَهُمْ এবং তাদেরকে and they, لَا না not, يُظْلَمُونَ অবিচার করা হবে will be wronged )

 

(282)  يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ إِذَا تَدَايَنتُم بِدَيْنٍ إِلَى أَجَلٍ مُّسَمًّى فَاكْتُبُوهُ وَلْيَكْتُب بَّيْنَكُمْ كَاتِبٌ بِالْعَدْلِ وَلاَ يَأْبَ كَاتِبٌ أَنْ يَكْتُبَ كَمَا عَلَّمَهُ اللّهُ فَلْيَكْتُبْ وَلْيُمْلِلِ الَّذِي عَلَيْهِ الْحَقُّ وَلْيَتَّقِ اللّهَ رَبَّهُ وَلاَ يَبْخَسْ مِنْهُ شَيْئًا فَإن كَانَ الَّذِي عَلَيْهِ الْحَقُّ سَفِيهًا أَوْ ضَعِيفًا أَوْ لاَ يَسْتَطِيعُ أَن يُمِلَّ هُوَ فَلْيُمْلِلْ وَلِيُّهُ بِالْعَدْلِ وَاسْتَشْهِدُواْ شَهِيدَيْنِ من رِّجَالِكُمْ فَإِن لَّمْ يَكُونَا رَجُلَيْنِ فَرَجُلٌ وَامْرَأَتَانِ مِمَّن تَرْضَوْنَ مِنَ الشُّهَدَاء أَن تَضِلَّ إْحْدَاهُمَا فَتُذَكِّرَ إِحْدَاهُمَا الأُخْرَى وَلاَ يَأْبَ الشُّهَدَاء إِذَا مَا دُعُواْ وَلاَ تَسْأَمُوْاْ أَن تَكْتُبُوْهُ صَغِيرًا أَو كَبِيرًا إِلَى أَجَلِهِ ذَلِكُمْ أَقْسَطُ عِندَ اللّهِ وَأَقْومُ لِلشَّهَادَةِ وَأَدْنَى أَلاَّ تَرْتَابُواْ إِلاَّ أَن تَكُونَ تِجَارَةً حَاضِرَةً تُدِيرُونَهَا بَيْنَكُمْ فَلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَلاَّ تَكْتُبُوهَا وَأَشْهِدُوْاْ إِذَا تَبَايَعْتُمْ وَلاَ يُضَآرَّ كَاتِبٌ وَلاَ شَهِيدٌ وَإِن تَفْعَلُواْ فَإِنَّهُ فُسُوقٌ بِكُمْ وَاتَّقُواْ اللّهَ وَيُعَلِّمُكُمُ اللّهُ وَاللّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ হে মুমিনগণ! যখন তোমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে ঋনের আদান-প্রদান কর, তখন তা লিপিবদ্ধ করে নাও এবং তোমাদের মধ্যে কোন লেখক ন্যায়সঙ্গতভাবে তা লিখে দেবে; লেখক লিখতে অস্বীকার করবে না। আল্লাহ তাকে যেমন শিক্ষা দিয়েছেন, তার উচিত তা লিখে দেয়া। এবং ঋন গ্রহীতা যেন লেখার বিষয় বলে দেয় এবং সে যেন স্বীয় পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করে এবং লেখার মধ্যে বিন্দুমাত্রও বেশ কম না করে। অতঃপর ঋণগ্রহীতা যদি নির্বোধ হয় কিংবা দূর্বল হয় অথবা নিজে লেখার বিষয়বস্তু বলে দিতে অক্ষম হয়, তবে তার অভিভাবক ন্যায়সঙ্গতভাবে লিখাবে। দুজন সাক্ষী কর, তোমাদের পুরুষদের মধ্যে থেকে। যদি দুজন পুরুষ না হয়, তবে একজন পুরুষ ও দুজন মহিলা। ঐ সাক্ষীদের মধ্য থেকে যাদেরকে তোমরা পছন্দ কর যাতে একজন যদি ভুলে যায়, তবে একজন অন্যজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। যখন ডাকা হয়, তখন সাক্ষীদের অস্বীকার করা উচিত নয়। তোমরা এটা লিখতে অলসতা করোনা, তা ছোট হোক কিংবা বড়, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। এ লিপিবদ্ধ করণ আল্লাহর কাছে সুবিচারকে অধিক কায়েম রাখে, সাক্ষ্যকে অধিক সুসংহত রাখে এবং তোমাদের সন্দেহে পতিত না হওয়ার পক্ষে অধিক উপযুক্ত। কিন্তু যদি কারবার নগদ হয়, পরস্পর হাতে হাতে আদান-প্রদান কর, তবে তা না লিখলে তোমাদের প্রতি কোন অভিযোগ নেই। তোমরা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় সাক্ষী রাখ। কোন লেখক ও সাক্ষীকে ক্ষতিগ্রস্ত করো না। যদি তোমরা এরূপ কর, তবে তা তোমাদের পক্ষে পাপের বিষয়। আল্লাহকে ভয় কর তিনি তোমাদেরকে শিক্ষা দেন। আল্লাহ সব কিছু জানেন। O ye who believe! When ye deal with each other, in transactions involving future obligations in a fixed period of time, reduce them to writing Let a scribe write down faithfully as between the parties: let not the scribe refuse to write: as Allah Has taught him, so let him write. Let him who incurs the liability dictate, but let him fear His Lord Allah, and not diminish aught of what he owes. If they party liable is mentally deficient, or weak, or unable Himself to dictate, Let his guardian dictate faithfully, and get two witnesses, out of your own men, and if there are not two men, then a man and two women, such as ye choose, for witnesses, so that if one of them errs, the other can remind her. The witnesses should not refuse when they are called on (For evidence). Disdain not to reduce to writing (your contract) for a future period, whether it be small or big: it is juster in the sight of Allah, More suitable as evidence, and more convenient to prevent doubts among yourselves but if it be a transaction which ye carry out on the spot among yourselves, there is no blame on you if ye reduce it not to writing. But take witness whenever ye make a commercial contract; and let neither scribe nor witness suffer harm. If ye do (such harm), it would be wickedness in you. So fear Allah. For it is Good that teaches you. And Allah is well acquainted with all things. If ye are on a journey, and cannot find a scribe, a pledge with possession (may serve the purpose). And if one of you deposits a thing on trust with another, let the trustee (faithfully) discharge his trust, and let him Fear his Lord conceal not evidence; for whoever conceals it, – his heart is tainted with sin. And Allah knoweth all that ye do.

( يَٰٓأَيُّهَا হে O you, ٱلَّذِينَ যারা who, ءَامَنُوٓا۟ ঈমান এনেছ believe[d]!, إِذَا যখন When, تَدَايَنتُم তোমরা পরস্পরে আদান-প্রদান কর you contract with one another, بِدَيْنٍ ঋণের any debt, إِلَىٰٓ পর্যন্ত for, أَجَلٍ মেয়াদ a term, مُّسَمًّى নির্দিষ্ট fixed, فَٱكْتُبُوهُ তা তোমরা তখন লিখে রাখো then write it, وَلْيَكْتُب এবং যেন লেখে And let write, بَّيْنَكُمْ তোমাদের মাঝে between you, كَاتِبٌۢ একজন লেখক a scribe, بِٱلْعَدْلِ ন্যায্যভাবে in justice, وَلَا এবং না And not, يَأْبَ অস্বীকার করবে (should) refuse, كَاتِبٌ কোনো লেখক a scribe, أَن যে (না) that, يَكْتُبَ সে লিখবে he writes, كَمَا যেমন as, عَلَّمَهُ শিখিয়েছেন তাকে (has) taught him, ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, فَلْيَكْتُبْ অতএব সে যেন লেখে So let him write, وَلْيُمْلِلِ এবং যেন সে লিখিয়ে নেয় (লেখ্য বিষয়) and let dictate, ٱلَّذِى সেই (ব্যক্তি) the one, عَلَيْهِ যার উপর (আছে) on whom, ٱلْحَقُّ অধিকার (অর্থাৎ ঋণগ্রহীতা) (is) the right, وَلْيَتَّقِ এবং সে ভয় করে যেন (লেখক) and let him fear, ٱللَّهَ আল্লাহকে (যিনি) Allah, رَبَّهُۥ তার রব his Lord, وَلَا এবং না and (let him) not, يَبْخَسْ কম করবে diminish, مِنْهُ তা থেকে from it, شَيْـًٔا কিছুই anything, فَإِن অতঃপর যদি Then if, كَانَ হয় is, ٱلَّذِى সে the one, عَلَيْهِ যার উপর on him, ٱلْحَقُّ অধিকার (অর্থাৎ ঋণগ্রহীতা) (is) the right, سَفِيهًا নির্বোধ (of) limited understanding, أَوْ বা or, ضَعِيفًا দুর্বল weak, أَوْ বা or, لَا না not, يَسْتَطِيعُ সে পারে capable, أَن যে that, يُمِلَّ সে লিখিয়ে নেবে (can) dictate, هُوَ সে he, فَلْيُمْلِلْ তবে যেন লিখিয়ে নেয় then let dictate, وَلِيُّهُۥ তার অভিভাবক his guardian, بِٱلْعَدْلِ ন্যায্যভাবে with justice, وَٱسْتَشْهِدُوا۟ এবং তোমরা সাক্ষী রাখো And call for evidence, شَهِيدَيْنِ দুজন সাক্ষী two witnesses, مِن মধ্য হতে among, رِّجَالِكُمْ তোমাদের পুরুষদের your men, فَإِن অতঃপর যদি And if, لَّمْ না not, يَكُونَا থাকে there are, رَجُلَيْنِ দুজন পুরুষ two men, فَرَجُلٌতবে একজন পুরুষ then one man, وَٱمْرَأَتَانِ ও দুজন মহিলা and two women, مِمَّن (তাদের) হতে যাদের of whom, تَرْضَوْنَ তোমরা পছন্দ কর you agree, مِنَ মধ্য হতে of, ٱلشُّهَدَآءِ সাক্ষীদের [the] witnesses, أَن যে (so) that (if), تَضِلَّ ভুল করলে [she] errs, إِحْدَىٰهُمَا দুজনের একজন(মহিলাদের) one of the two, فَتُذَكِّرَ তখন স্মরণ করাবে then will remind, إِحْدَىٰهُمَا দুজনের একজন(মহিলা) one of the two, ٱلْأُخْرَىٰ অন্যজনকে the other, وَلَا এবং না And not, يَأْبَ অস্বীকার করবে (should) refuse, ٱلشُّهَدَآءُ সাক্ষীরা the witnesses, إِذَا যখন when, مَا (কি) that, دُعُوا۟ তাদের ডাকা হবে they are called, وَلَا এবং না And not, تَسْـَٔمُوٓا۟ তোমরা বিরক্তিবোধ করবে (be) weary, أَن যে that, تَكْتُبُوهُ তা তোমরা লিখবে you write it, صَغِيرًا ছোট (ব্যাপার হোক) small, أَوْ বা or, كَبِيرًا বড় (হোক) large, إِلَىٰٓ পর্যন্ত for, أَجَلِهِۦ তার মেয়াদ its term, ذَٰلِكُمْ এটা That, أَقْسَطُ অধিকতর ন্যায়সঙ্গত (is) more just, عِندَ কাছে near, ٱللَّهِ আল্লাহর Allah, وَأَقْوَمُ ও দৃঢ়তর and more upright, لِلشَّهَٰدَةِ সাক্ষ্য প্রমাণের জন্য for evidence, وَأَدْنَىٰٓ ও অধিক নিকটবর্তী and nearer, أَلَّا যেন না that not, تَرْتَابُوٓا۟ তোমরা সন্দেহ কর you (have) doubt, إِلَّآ তবে except, أَن যে (সব) that, تَكُونَ হয়ে থাকে be, تِجَٰرَةً ব্যবসা a transaction, حَاضِرَةً নগদ present, تُدِيرُونَهَا তা তোমরা পরস্পর পরিচালনা কর you carry out, بَيْنَكُمْ তোমাদের মাঝে among you, فَلَيْسَ নেই তবে then not, عَلَيْكُمْ তোমাদের উপর on you, جُنَاحٌ কোনো পাপ any sin, أَلَّا যদি না that not, تَكْتُبُوهَا তা তোমরা লিখে রাখ you write it, وَأَشْهِدُوٓا۟ এবং তোমরা সাক্ষী রাখো And take witness, إِذَا যখন when, تَبَايَعْتُمْ তোমরা বেচা কেনা কর you make commercial transaction, وَلَا এবং না And not, يُضَآرَّ ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে (should) be harmed, كَاتِبٌ লেখককে (the) scribe, وَلَا আর না and not, شَهِيدٌ সাক্ষীকে (the) witness, وَإِن এবং যদি and if, تَفْعَلُوا۟ তোমরা কর you do, فَإِنَّهُۥ তবে তা নিশ্চয়ই then indeed it, فُسُوقٌۢ অন্যায় (is) sinful conduct, بِكُمْ তোমাদের জন্য for you, وَٱتَّقُوا۟ এবং তোমরা ভয় করো and fear, ٱللَّهَ আল্লাহকে Allah, وَيُعَلِّمُكُمُ এবং তোমাদেরকে শিক্ষা দেন And teaches, ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ And Allah, بِكُلِّ সম্পর্কে of every, شَىْءٍ সবকিছু thing, عَلِيمٌ খুব অবহিত (is) All-Knower )

 

(283)  وَإِن كُنتُمْ عَلَى سَفَرٍ وَلَمْ تَجِدُواْ كَاتِبًا فَرِهَانٌ مَّقْبُوضَةٌ فَإِنْ أَمِنَ بَعْضُكُم بَعْضًا فَلْيُؤَدِّ الَّذِي اؤْتُمِنَ أَمَانَتَهُ وَلْيَتَّقِ اللّهَ رَبَّهُ وَلاَ تَكْتُمُواْ الشَّهَادَةَ وَمَن يَكْتُمْهَا فَإِنَّهُ آثِمٌ قَلْبُهُ وَاللّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ عَلِيمٌ আর তোমরা যদি প্রবাসে থাক এবং কোন লেখক না পাও তবে বন্ধকী বন্তু হস্তগত রাখা উচিত। যদি একে অন্যকে বিশ্বাস করে, তবে যাকে বিশ্বাস করা হয়, তার উচিত অন্যের প্রাপ্য পরিশোধ করা এবং স্বীয় পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় কর! তোমরা সাক্ষ্য গোপন করো না। যে কেউ তা গোপন করবে, তার অন্তর পাপপূর্ণ হবে। তোমরা যা করা, আল্লাহ সে সম্পর্কে খুব জ্ঞাত। If ye are on a journey, and cannot find a scribe, a pledge with possession (may serve the purpose). And if one of you deposits a thing on trust with another, Let the trustee (Faithfully) discharge His trust, and let him fear his Lord. Conceal not evidence; for whoever conceals it,- His heart is tainted with sin. And Allah Knoweth all that ye do.

( وَإِن এবং যদি And if, كُنتُمْ তোমরা থাক you are, عَلَىٰ মধ্যে on, سَفَرٍ সফরের a journey, وَلَمْ এবং না and not, تَجِدُوا۟ তোমরা পাও you find, كَاتِبًا কোনো লেখক a scribe, فَرِهَٰنٌ তবে বন্ধকি বস্তু then pledge, مَّقْبُوضَةٌ হস্তগত (রাখতে পার) in hand, فَإِنْ অতঃপর যদি Then if, أَمِنَ বিশ্বাস করে entrusts, بَعْضُكُم তোমাদের কেউ one of you, بَعْضًا অন্যকে (to) another, فَلْيُؤَدِّ তবে সে যেন ফিরেয়ে দেয় then let discharge, ٱلَّذِى যার (উপর) the one who, ٱؤْتُمِنَ বিশ্বাস করা হয়েছিল is entrusted, أَمَٰنَتَهُۥ তার আমানতের his trust, وَلْيَتَّقِ এবং সে যেন ভয় করে And let him fear, ٱللَّهَ আল্লাহকে Allah, رَبَّهُۥ (যিনি) তার রব his Lord, وَلَا এবং না And (do) not, تَكْتُمُوا۟ তোমরা গোপন করবে conceal, ٱلشَّهَٰدَةَ সাক্ষ্য the evidence, وَمَن এবং যে And whoever, يَكْتُمْهَا তা গোপন করবে conceals it,فَإِنَّهُ ۥٓ তাহলে সে নিশ্চয়ই then indeed he, ءَاثِمٌ পাপী (is) sinful -, قَلْبُهُۥ তার অন্তর his heart, وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ And Allah, بِمَا সে বিষয়ে of what, تَعْمَلُونَ তোমরা কাজ কর you do, عَلِيمٌ খুব অবহিত ( is) All-Knower )

 

(284) لِّلَّهِ ما فِي السَّمَاواتِ وَمَا فِي الأَرْضِ وَإِن تُبْدُواْ مَا فِي أَنفُسِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُم بِهِ اللّهُ فَيَغْفِرُ لِمَن يَشَاء وَيُعَذِّبُ مَن يَشَاء وَاللّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ যা কিছু আকাশসমূহে রয়েছে এবং যা কিছু যমীনে আছে, সব আল্লাহরই। যদি তোমরা মনের কথা প্রকাশ কর কিংবা গোপন কর, আল্লাহ তোমাদের কাছ থেকে তার হিসাব নেবেন। অতঃপর যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন এবং যাকে ইচ্ছা তিনি শাস্তি দেবেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান। To Allah belongeth all that is in the heavens and on earth. Whether ye show what is in your minds or conceal it, Allah Calleth you to account for it. He forgiveth whom He pleaseth, and punisheth whom He pleaseth, for Allah hath power over all things.

( لِّلَّهِ আল্লাহর জন্য To Allah (belongs), مَا যা কিছু whatever, فِى মধ্যে (আছে) (is) in, ٱلسَّمَٰوَٰتِ আকাশ সমূহের the heavens, وَمَا ও যা কিছু and whatever, فِى মধ্যে (আছে) (is) in, ٱلْأَرْضِ পৃথিবীর the earth, وَإِن এবং যদি And if, تُبْدُوا۟ তোমরা প্রকাশ কর you disclose, مَا যা কিছু what, فِىٓ মধ্যে (আছে) (is) in, أَنفُسِكُمْ তোমাদের মনের yourselves, أَوْ অথবা or, تُخْفُوهُ গোপন কর তোমরা তা you conceal it, يُحَاسِبْكُم তোমাদেরকে হিসাব নিবেন will call you to account, بِهِ তা সম্পর্কে for it, ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, فَيَغْفِرُ অতঃপর ক্ষমা করবেন Then He will forgive, لِمَن যাকে [to] whom, يَشَآءُ তিনি ইচ্ছা করবেন He wills, وَيُعَذِّبُ এবং তিনি শাস্তি দিবেন and He will punish, مَن যাকে whom, يَشَآءُ তিনি ইচ্ছা করবেন He wills, وَٱللَّهُ এবং আল্লাহ And Allah, عَلَىٰ উপর on, كُلِّ সব every, شَىْءٍ কিছুর thing, قَدِيرٌ সর্বশক্তিমান (is) All-Powerful )

 

(285) آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ كُلٌّ آمَنَ بِاللّهِ وَمَلآئِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لاَ نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ وَقَالُواْ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ রসূল বিশ্বাস রাখেন ঐ সমস্ত বিষয় সম্পর্কে যা তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাঁর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে এবং মুসলমানরাও সবাই বিশ্বাস রাখে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর গ্রন্থসমুহের প্রতি এবং তাঁর পয়গম্বরগণের প্রতি। তারা বলে আমরা তাঁর পয়গম্বরদের মধ্যে কোন তারতম্য করিনা। তারা বলে, আমরা শুনেছি এবং কবুল করেছি। আমরা তোমার ক্ষমা চাই, হে আমাদের পালনকর্তা। তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। The Messenger believeth in what hath been revealed to him from his Lord, as do the men of faith. Each one (of them) believeth in Allah, His angels, His books, and His apostles. “We make no distinction (they say) between one and another of His apostles.” And they say: “We hear, and we obey: (We seek) Thy forgiveness, our Lord, and to Thee is the end of all journeys.”

( ءَامَنَ ঈমান এনেছে Believed, ٱلرَّسُولُ রাসূল the Messenger, بِمَآ ঐ বিষয় যা in what, أُنزِلَ অবতীর্ণ করা হয়েছে was revealed, إِلَيْهِ তাঁর প্রতি to him, مِن পক্ষ হতে from, رَّبِّهِۦ তাঁর রবের his Lord, وَٱلْمُؤْمِنُونَ এবং মু’মিনরাও and the believers, كُلٌّ সবাই All, ءَامَنَ ঈমান এনেছে believed, بِٱللَّهِ আল্লাহর উপর in Allah, وَمَلَٰٓئِكَتِهِۦ এবং তাঁর ফেরেশতাদের and His Angels, وَكُتُبِهِۦ ও তাঁর কিতাবগুলোর and His Books, وَرُسُلِهِۦ এবং তাঁর রাসূলদের (উপর) and His Messengers, لَا (তারা বলে) না “Not, نُفَرِّقُ আমরা পার্থক্য করি we make distinction, بَيْنَ মাঝে between, أَحَدٍ কারো any, مِّن মধ্য হতে of, رُّسُلِهِۦ তাঁর রাসূলদের His Messengers, وَقَالُوا۟ এবং তারা বলে And they said, سَمِعْنَا আমরা শুনলাম “We heard, وَأَطَعْنَا এবং আমরা মানলাম and we obeyed, غُفْرَانَكَ আমরা তোমার ক্ষমা (চাই) (Grant) us Your forgiveness, رَبَّنَا হে আমাদের রব our Lord, وَإِلَيْكَ এবং তোমারই কাছে and to You, ٱلْمَصِيرُ প্রত্যাবর্তন (হবে) (is) the return” )

 

(286) لاَ يُكَلِّفُ اللّهُ نَفْسًا إِلاَّ وُسْعَهَا لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ رَبَّنَا لاَ تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا رَبَّنَا وَلاَ تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا رَبَّنَا وَلاَ تُحَمِّلْنَا مَا لاَ طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَآ أَنتَ مَوْلاَنَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না, সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে। হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না। হে আমাদের পালনকর্তা! এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ, হে আমাদের প্রভূ! এবং আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নাই। আমাদের পাপ মোচন কর। আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর। তুমিই আমাদের প্রভু। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কে সাহায্যে কর। On no soul doth Allah Place a burden greater than it can bear. It gets every good that it earns, and it suffers every ill that it earns. (Pray:) “Our Lord! Condemn us not if we forget or fall into error; our Lord! Lay not on us a burden Like that which Thou didst lay on those before us; Our Lord! Lay not on us a burden greater than we have strength to bear. Blot out our sins, and grant us forgiveness. Have mercy on us. Thou art our Protector; Help us against those who stand against faith.”

( لَا না (Does) not, يُكَلِّفُ দায়িত্বভার দেন burden, ٱللَّهُ আল্লাহ Allah, نَفْسًا কোনো ব্যক্তিকে any soul, إِلَّا এছাড়া যা except, وُسْعَهَا তার সামর্থ্য (আছে) its capacity,  لَهَا তার জন্য (আছে) for it, مَا যা (পূণ্য) what, كَسَبَتْ সে অর্জন করেছে it earned, وَعَلَيْهَا এবং তার বিরুদ্ধে and against it, مَا যা (পাপ) what, ٱكْتَسَبَتْ সে অর্জন করেছে it earned, رَبَّنَا হে আমাদের রব “Our Lord!, لَا না (Do) not, تُؤَاخِذْنَآ আমাদেরকে পাকড়াও করো take us to task, إِن যদি if, نَّسِينَآ আমরা ভুলে যাই we forget, أَوْ বা or, أَخْطَأْنَا আমরা ভুল করি we err, رَبَّنَا হে আমাদের রব Our Lord!, وَلَا এবং না And (do) not, تَحْمِلْ চাপিয়ে দিও lay, عَلَيْنَآ আমাদের উপর upon us, إِصْرًا বোঝা a burden, كَمَا যেমন like that, حَمَلْتَهُۥ তা তুমি চাপিয়ে দিয়েছিলে (which) You laid [it], عَلَى উপর on, ٱلَّذِينَ (তাদের) যারা those who, مِن থেকে (were) from, قَبْلِنَا আমাদের পূর্ব ছিল before us, رَبَّنَا হে আমাদের রব Our Lord!, وَلَا এবং না [And] (do) not, تُحَمِّلْنَا আমাদের উপর চাপিয়ে দিও lay on us, مَا তা what, لَا নেই not, طَاقَةَ শক্তি (the) strength, لَنَا আমাদের কাছে we have, بِهِۦ যার [of it] (to bear), وَٱعْفُ এবং মোচন করে দাও (ত্রুটি) And pardon, عَنَّا আমাদের থেকে [from] us, وَٱغْفِرْ এবং ক্ষমা করো and forgive, لَنَا আমাদেরকে [for] us, وَٱرْحَمْنَآ এবং আমাদের উপর দয়া করো and have mercy on us, أَنتَ তুমিই You (are), مَوْلَىٰنَا আমাদের অভিভাবক our Protector, فَٱنصُرْنَا আমাদের সাহায্য কর তাই so help us, عَلَى বিরুদ্ধে against, ٱلْقَوْمِ সম্প্রদায়ের the people, ٱلْكَٰفِرِينَ (যারা) কাফির [the] disbelievers )

 

 

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু

 (1. الم আলিফ লাম মীম। Alif. Laam. Meem. (2 اللّهُ لا إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক।   (3 نَزَّلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقاً لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ وَأَنزَلَ التَّوْرَاةَ وَالإِنجِيلَ তিনি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন সত্যতার সাথে; যা সত্যায়ন করে পূর্ববর্তী কিতাবসমুহের। It is He Who sent down to thee (step by step), in truth, the Book, confirming what went before it; and He sent down the Law (of Moses) and the Gospel (of Jesus) before this, as a guide to mankind, and He sent down the criterion (of judgment between right and wrong). (4 مِن قَبْلُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَأَنزَلَ الْفُرْقَانَ إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُواْ بِآيَاتِ اللّهِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ وَاللّهُ عَزِيزٌ ذُو انتِقَامٍ নাযিল করেছেন তাওরত ও ইঞ্জিল, এ কিতাবের পূর্বে, মানুষের হেদায়েতের জন্যে এবং অবতীর্ণ করেছেন মীমাংসা। নিঃসন্দেহে যারা আল্লাহর আয়াতসমূহ অস্বীকার করে, তাদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব। আর আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশীল, প্রতিশোধ গ্রহণকারী। Then those who reject Faith in the Signs of Allah will suffer the severest penalty, and Allah is Exalted in Might, Lord of Retribution. (5 إِنَّ اللّهَ لاَ يَخْفَىَ عَلَيْهِ شَيْءٌ فِي الأَرْضِ وَلاَ فِي السَّمَاء আল্লাহর নিকট আসমান ও যমীনের কোন বিষয়ই গোপন নেই। From Allah, verily nothing is hidden on earth or in the heavens. (6 هُوَ الَّذِي يُصَوِّرُكُمْ فِي الأَرْحَامِ كَيْفَ يَشَاء لاَ إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ তিনিই সেই আল্লাহ, যিনি তোমাদের আকৃতি গঠন করেন মায়ের গর্ভে, যেমন তিনি চেয়েছেন। তিনি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। তিনি প্রবল পরাক্রমশীল, প্রজ্ঞাময়। He it is Who shapes you in the wombs as He pleases. There is no god but He, the Exalted in Might, the Wise. (7 هُوَ الَّذِيَ أَنزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُّحْكَمَاتٌ هُنَّ أُمُّ الْكِتَابِ وَأُخَرُ مُتَشَابِهَاتٌ فَأَمَّا الَّذِينَ في قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ ابْتِغَاء الْفِتْنَةِ وَابْتِغَاء تَأْوِيلِهِ وَمَا يَعْلَمُ تَأْوِيلَهُ إِلاَّ اللّهُ وَالرَّاسِخُونَ فِي الْعِلْمِ يَقُولُونَ آمَنَّا بِهِ كُلٌّ مِّنْ عِندِ رَبِّنَا وَمَا يَذَّكَّرُ إِلاَّ أُوْلُواْ الألْبَابِ তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে কিছু আয়াত রয়েছে সুস্পষ্ট, সেগুলোই কিতাবের আসল অংশ। আর অন্যগুলো রূপক। সুতরাং যাদের অন্তরে কুটিলতা রয়েছে, তারা অনুসরণ করে ফিৎনা বিস্তার এবং অপব্যাখ্যার উদ্দেশে তন্মধ্যেকার রূপকগুলোর। আর সেগুলোর ব্যাখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তারা বলেনঃ আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি। এই সবই আমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। আর বোধশক্তি সম্পন্নেরা ছাড়া অপর কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না। He it is Who has sent down to thee the Book: In it are verses basic or fundamental (of established meaning); they are the foundation of the Book: others are allegorical. But those in whose hearts is perversity follow the part thereof that is allegorical, seeking discord, and searching for its hidden meanings, but no one knows its hidden meanings except Allah. And those who are firmly grounded in knowledge say: “We believe in the Book; the whole of it is from our Lord:” and none will grasp the Message except men of understanding. (8 رَبَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ হে আমাদের পালনকর্তা! সরল পথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে সত্যলংঘনে প্রবৃত্ত করোনা এবং তোমার নিকট থেকে আমাদিগকে অনুগ্রহ দান কর। তুমিই সব কিছুর দাতা। “Our Lord!” (they say), “Let not our hearts deviate now after Thou hast guided us, but grant us mercy from Thine own Presence; for Thou art the Grantor of bounties without measure. (9 رَبَّنَا إِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوْمٍ لاَّ رَيْبَ فِيهِ إِنَّ اللّهَ لاَ يُخْلِفُ الْمِيعَادَ হে আমাদের পালনকর্তা! তুমি মানুষকে একদিন অবশ্যই একত্রিত করবেঃ এতে কোনই সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর ওয়াদার অন্যথা করেন না। “Our Lord! Thou art He that will gather mankind Together against a day about which there is no doubt; for Allah never fails in His promise.” (10 إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُواْ لَن تُغْنِيَ عَنْهُمْ أَمْوَالُهُمْ وَلاَ أَوْلاَدُهُم مِّنَ اللّهِ شَيْئًا وَأُولَـئِكَ هُمْ وَقُودُ النَّارِ যারা কুফুরী করে, তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি আল্লাহর সামনে কখনও কাজে আসবে না। আর তারাই হচ্ছে দোযখের ইন্ধন। Those who reject Faith,- neither their possessions nor their (numerous) progeny will avail them aught against Allah. They are themselves but fuel for the Fire. (11 كَدَأْبِ آلِ فِرْعَوْنَ وَالَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ كَذَّبُواْ بِآيَاتِنَا فَأَخَذَهُمُ اللّهُ بِذُنُوبِهِمْ وَاللّهُ شَدِيدُ الْعِقَابِ ফেরআউনের সম্প্রদায় এবং তাদের পূর্ববর্তীদের ধারা অনুযায়ীই তারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। ফলে তাদের পাপের কারণে আল্লাহ তাদেরকে পাকড়াও করেছেন আর আল্লাহর আযাব অতি কঠিন। (Their plight will be) no better than that of the people of Pharaoh, and their predecessors: They denied our Signs, and Allah called them to account for their sins. For Allah is strict in punishment. (12 قُل لِّلَّذِينَ كَفَرُواْ سَتُغْلَبُونَ وَتُحْشَرُونَ إِلَى جَهَنَّمَ وَبِئْسَ الْمِهَادُ কাফেরদিগকে বলে দিন, খুব শিগগীরই তোমরা পরাভূত হয়ে দোযখের দিকে হাঁকিয়ে নীত হবে-সেটা কতই না নিকৃষ্টতম অবস্থান। Say to those who reject Faith: “Soon will ye be vanquished and gathered together to Hell,-an evil bed indeed (to lie on)! (13 قَدْ كَانَ لَكُمْ آيَةٌ فِي فِئَتَيْنِ الْتَقَتَا فِئَةٌ تُقَاتِلُ فِي سَبِيلِ اللّهِ وَأُخْرَى كَافِرَةٌ يَرَوْنَهُم مِّثْلَيْهِمْ رَأْيَ الْعَيْنِ وَاللّهُ يُؤَيِّدُ بِنَصْرِهِ مَن يَشَاء إِنَّ فِي ذَلِكَ لَعِبْرَةً لَّأُوْلِي الأَبْصَارِ নিশ্চয়ই দুটো দলের মোকাবিলার মধ্যে তোমাদের জন্য নিদর্শন ছিল। একটি দল আল্লাহর রাহে যুদ্ধ করে। আর অপর দল ছিল কাফেরদের এরা স্বচক্ষে তাদেরকে দ্বিগুন দেখছিল। আর আল্লাহ যাকে নিজের সাহায্যের মাধ্যমে শক্তি দান করেন। এরই মধ্যে শিক্ষনীয় রয়েছে দৃষ্টি সম্পন্নদের জন্য। “There has already been for you a Sign in the two armies that met (in combat): One was fighting in the cause of Allah, the other resisting Allah. these saw with their own eyes Twice their number. But Allah doth support with His aid whom He pleaseth. In this is a warning for such as have eyes to see.” (14 زُيِّنَ لِلنَّاسِ حُبُّ الشَّهَوَاتِ مِنَ النِّسَاء وَالْبَنِينَ وَالْقَنَاطِيرِ الْمُقَنطَرَةِ مِنَ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَالْخَيْلِ الْمُسَوَّمَةِ وَالأَنْعَامِ وَالْحَرْثِ ذَلِكَ مَتَاعُ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَاللّهُ عِندَهُ حُسْنُ الْمَآبِ মানবকূলকে মোহগ্রস্ত করেছে নারী, সন্তান-সন্ততি, রাশিকৃত স্বর্ণ-রৌপ্য, চিহ্নিত অশ্ব, গবাদি পশুরাজি এবং ক্ষেত-খামারের মত আকর্ষণীয় বস্তুসামগ্রী। এসবই হচ্ছে পার্থিব জীবনের ভোগ্য বস্তু। আল্লাহর নিকটই হলো উত্তম আশ্রয়। Fair in the eyes of men is the love of things they covet: Women and sons; Heaped-up hoards of gold and silver; horses branded (for blood and excellence); and (wealth of) cattle and well-tilled land. Such are the possessions of this world’s life; but in nearness to Allah is the best of the goals (To return to). (15 قُلْ أَؤُنَبِّئُكُم بِخَيْرٍ مِّن ذَلِكُمْ لِلَّذِينَ اتَّقَوْا عِندَ رَبِّهِمْ جَنَّاتٌ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا وَأَزْوَاجٌ مُّطَهَّرَةٌ وَرِضْوَانٌ مِّنَ اللّهِ وَاللّهُ بَصِيرٌ بِالْعِبَادِ বলুন, আমি কি তোমাদেরকে এসবের চাইতেও উত্তম বিষয়ের সন্ধান বলবো?-যারা পরহেযগার, আল্লাহর নিকট তাদের জন্যে রয়েছে বেহেশত, যার তলদেশে প্রস্রবণ প্রবাহিত-তারা সেখানে থাকবে অনন্তকাল। আর রয়েছে পরিচ্ছন্ন সঙ্গিনীগণ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি। আর আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি সুদৃষ্টি রাখেন। Say: Shall I give you glad tidings of things Far better than those? For the righteous are Gardens in nearness to their Lord, with rivers flowing beneath; therein is their eternal home; with companions pure (and holy); and the good pleasure of Allah. For in Allah.s sight are (all) His servants,- (16 الَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের গোনাহ ক্ষমা করে দাও আর আমাদেরকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর। (Namely), those who say: “Our Lord! we have indeed believed: forgive us, then, our sins, and save us from the agony of the Fire;”- (17 الصَّابِرِينَ وَالصَّادِقِينَ وَالْقَانِتِينَ وَالْمُنفِقِينَ وَالْمُسْتَغْفِرِينَ بِالأَسْحَارِ তারা ধৈর্য্যধারণকারী, সত্যবাদী, নির্দেশ সম্পাদনকারী, সৎপথে ব্যয়কারী এবং শেষরাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী। Those who show patience, Firmness and self-control; who are true (in word and deed); who worship devoutly; who spend (in the way of Allah.; and who pray for forgiveness in the early hours of the morning. (18 شَهِدَ اللّهُ أَنَّهُ لاَ إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ وَالْمَلاَئِكَةُ وَأُوْلُواْ الْعِلْمِ قَآئِمَاً بِالْقِسْطِ لاَ إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তাঁকে ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। ফেরেশতাগণ এবং ন্যায়নিষ্ঠ জ্ঞানীগণও সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়। There is no god but He: That is the witness of Allah, His angels, and those endued with knowledge, standing firm on justice. There is no god but He, the Exalted in Power, the Wise. (19 إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللّهِ الإِسْلاَمُ وَمَا اخْتَلَفَ الَّذِينَ أُوْتُواْ الْكِتَابَ إِلاَّ مِن بَعْدِ مَا جَاءهُمُ الْعِلْمُ بَغْيًا بَيْنَهُمْ وَمَن يَكْفُرْ بِآيَاتِ اللّهِ فَإِنَّ اللّهِ سَرِيعُ الْحِسَابِ নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন একমাত্র ইসলাম। এবং যাদের প্রতি কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের নিকট প্রকৃত জ্ঞান আসার পরও ওরা মতবিরোধে লিপ্ত হয়েছে, শুধুমাত্র পরস্পর বিদ্বেষবশতঃ, যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের প্রতি কুফরী করে তাদের জানা উচিত যে, নিশ্চিতরূপে আল্লাহ হিসাব গ্রহণে অত্যন্ত দ্রুত। The Religion before Allah is Islam (submission to His Will): Nor did the People of the Book dissent therefrom except through envy of each other, after knowledge had come to them. But if any deny the Signs of Allah, Allah is swift in calling to account. (20 فَإنْ حَآجُّوكَ فَقُلْ أَسْلَمْتُ وَجْهِيَ لِلّهِ وَمَنِ اتَّبَعَنِ وَقُل لِّلَّذِينَ أُوْتُواْ الْكِتَابَ وَالأُمِّيِّينَ أَأَسْلَمْتُمْ فَإِنْ أَسْلَمُواْ فَقَدِ اهْتَدَواْ وَّإِن تَوَلَّوْاْ فَإِنَّمَا عَلَيْكَ الْبَلاَغُ وَاللّهُ بَصِيرٌ بِالْعِبَادِ যদি তারা তোমার সাথে বিতর্কে অবতীর্ণ হয় তবে বলে দাও, “আমি এবং আমার অনুসরণকারীগণ আল্লাহর প্রতি আত্নসমর্পণ করেছি।” আর আহলে কিতাবদের এবং নিরক্ষরদের বলে দাও যে, তোমরাও কি আত্নসমর্পণ করেছ? তখন যদি তারা আত্নসমর্পণ করে, তবে সরল পথ প্রাপ্ত হলো, আর যদি মুখ ঘুরিয়ে নেয়, তাহলে তোমার দায়িত্ব হলো শুধু পৌছে দেয়া। আর আল্লাহর দৃষ্টিতে রয়েছে সকল বান্দা। So if they dispute with thee, say: “I have submitted My whole self to Allah and so have those who follow me.” And say to the People of the Book and to those who are unlearned: “Do ye (also) submit yourselves?” If they do, they are in right guidance, but if they turn back, Thy duty is to convey the Message; and in Allah.s sight are (all) His servants. (21 إِنَّ الَّذِينَ يَكْفُرُونَ بِآيَاتِ اللّهِ وَيَقْتُلُونَ النَّبِيِّينَ بِغَيْرِ حَقٍّ وَيَقْتُلُونَ الِّذِينَ يَأْمُرُونَ بِالْقِسْطِ مِنَ النَّاسِ فَبَشِّرْهُم بِعَذَابٍ أَلِيمٍ যারা আল্লাহর নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করে এবং পয়গম্বরগণকে হত্যা করে অন্যায়ভাবে, আর সেসব লোককে হত্যা করে যারা ন্যায়পরায়ণতার নির্দেশ দেয় তাদেরকে বেদনাদায়ক শাস্তির সংবাদ দিন। As to those who deny the Signs of Allah and in defiance of right, slay the prophets, and slay those who teach just dealing with mankind, announce to them a grievous penalty. (22 أُولَـئِكَ الَّذِينَ حَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَمَا لَهُم مِّن نَّاصِرِينَ এরাই হলো সে লোক যাদের সমগ্র আমল দুনিয়া ও আখেরাত উভয়লোকেই বিনষ্ট হয়ে গেছে। পক্ষান্তরে তাদের কোন সাহায্যকারীও নেই। They are those whose works will bear no fruit in this world and in the Hereafter nor will they have anyone to help. (23 أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ أُوْتُواْ نَصِيبًا مِّنَ الْكِتَابِ يُدْعَوْنَ إِلَى كِتَابِ اللّهِ لِيَحْكُمَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ يَتَوَلَّى فَرِيقٌ مِّنْهُمْ وَهُم مُّعْرِضُونَ আপনি কি তাদের দেখেননি, যারা কিতাবের কিছু অংশ পেয়েছে-আল্লাহর কিতাবের প্রতি তাদের আহবান করা হয়েছিল যাতে তাদের মধ্যে মীমাংসা করা যায়। অতঃপর তাদের মধ্যে একদল তা অমান্য করে মুখ ফিরিয়ে নেয়। Hast thou not turned Thy vision to those who have been given a portion of the Book? They are invited to the Book of Allah, to settle their dispute, but a party of them Turn back and decline (The arbitration). (24 ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُواْ لَن تَمَسَّنَا النَّارُ إِلاَّ أَيَّامًا مَّعْدُودَاتٍ وَغَرَّهُمْ فِي دِينِهِم مَّا كَانُواْ يَفْتَرُونَ তা এজন্য যে, তারা বলে থাকে যে, দোযখের আগুন আমাদের স্পর্শ করবে না; তবে সামান্য হাতে গোনা কয়েকদিনের জন্য স্পর্শ করতে পারে। নিজেদের উদ্ভাবিত ভিত্তিহীন কথায় তারা ধোকা খেয়েছে। This because they say: “The Fire shall not touch us but for a few numbered days”: For their forgeries deceive them as to their own religion. (25 فَكَيْفَ إِذَا جَمَعْنَاهُمْ لِيَوْمٍ لاَّ رَيْبَ فِيهِ وَوُفِّيَتْ كُلُّ نَفْسٍ مَّا كَسَبَتْ وَهُمْ لاَ يُظْلَمُونَ কিন্তু তখন কি অবস্থা দাঁড়াবে যখন আমি তাদেরকে একদিন সমবেত করবো যে দিনের আগমনে কোন সন্দেহ নেই আর নিজেদের কৃতকর্ম তাদের প্রত্যেকেই পাবে তাদের প্রাপ্য প্রদান মোটেই অন্যায় করা হবে না। But how (will they fare) when we gather them together against a day about which there is no doubt, and each soul will be paid out just what it has earned, without (favour or) injustice? (26 قُلِ اللَّهُمَّ مَالِكَ الْمُلْكِ تُؤْتِي الْمُلْكَ مَن تَشَاء وَتَنزِعُ الْمُلْكَ مِمَّن تَشَاء وَتُعِزُّ مَن تَشَاء وَتُذِلُّ مَن تَشَاء بِيَدِكَ الْخَيْرُ إِنَّكَ عَلَىَ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ বলুন ইয়া আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী। তুমি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান কর এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত কর। তোমারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই তুমি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল। Say: “O Allah. Lord of Power (And Rule), Thou givest power to whom Thou pleasest, and Thou strippest off power from whom Thou pleasest: Thou enduest with honour whom Thou pleasest, and Thou bringest low whom Thou pleasest: In Thy hand is all good. Verily, over all things Thou hast power. (27 تُولِجُ اللَّيْلَ فِي الْنَّهَارِ وَتُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ وَتُخْرِجُ الْحَيَّ مِنَ الْمَيِّتِ وَتُخْرِجُ الَمَيَّتَ مِنَ الْحَيِّ وَتَرْزُقُ مَن تَشَاء بِغَيْرِ حِسَابٍ তুমি রাতকে দিনের ভেতরে প্রবেশ করাও এবং দিনকে রাতের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দাও। আর তুমিই জীবিতকে মৃতের ভেতর থেকে বের করে আন এবং মৃতকে জীবিতের ভেতর থেকে বের কর। আর তুমিই যাকে ইচ্ছা বেহিসাব রিযিক দান কর। “Thou causest the night to gain on the day, and thou causest the day to gain on the night; Thou bringest the Living out of the dead, and Thou bringest the dead out of the Living; and Thou givest sustenance to whom Thou pleasest, without measure.” (28 لاَّ يَتَّخِذِ الْمُؤْمِنُونَ الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاء مِن دُوْنِ الْمُؤْمِنِينَ وَمَن يَفْعَلْ ذَلِكَ فَلَيْسَ مِنَ اللّهِ فِي شَيْءٍ إِلاَّ أَن تَتَّقُواْ مِنْهُمْ تُقَاةً وَيُحَذِّرُكُمُ اللّهُ نَفْسَهُ وَإِلَى اللّهِ الْمَصِيرُ মুমিনগন যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কেন কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কেন সম্পর্ক থাকবে না। তবে যদি তোমরা তাদের পক্ষ থেকে কোন অনিষ্টের আশঙ্কা কর, তবে তাদের সাথে সাবধানতার সাথে থাকবে আল্লাহ তা’আলা তাঁর সম্পর্কে তোমাদের সতর্ক করেছেন। এবং সবাই কে তাঁর কাছে ফিরে যেতে হবে। Let not the believers Take for friends or helpers Unbelievers rather than believers: if any do that, in nothing will there be help from Allah. except by way of precaution, that ye may Guard yourselves from them. But Allah cautions you (To remember) Himself; for the final goal is to Allah. (29 قُلْ إِن تُخْفُواْ مَا فِي صُدُورِكُمْ أَوْ تُبْدُوهُ يَعْلَمْهُ اللّهُ وَيَعْلَمُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الأرْضِ وَاللّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ বলে দিন, তোমরা যদি মনের কথা গোপন করে রাখ অথবা প্রকাশ করে দাও, আল্লাহ সে সবই জানতে পারেন। আর আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে, সেসব ও তিনি জানেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে শক্তিমান। Say: “Whether ye hide what is in your hearts or reveal it, Allah knows it all: He knows what is in the heavens, and what is on earth. And Allah has power over all things. (30 يَوْمَ تَجِدُ كُلُّ نَفْسٍ مَّا عَمِلَتْ مِنْ خَيْرٍ مُّحْضَرًا وَمَا عَمِلَتْ مِن سُوَءٍ تَوَدُّ لَوْ أَنَّ بَيْنَهَا وَبَيْنَهُ أَمَدًا بَعِيدًا وَيُحَذِّرُكُمُ اللّهُ نَفْسَهُ وَاللّهُ رَؤُوفُ بِالْعِبَادِ সেদিন প্রত্যেকেই যা কিছু সে ভাল কাজ করেছে; চোখের সামনে দেখতে পাবে এবং যা কিছু মন্দ কাজ করেছে তাও, ওরা তখন কামনা করবে, যদি তার এবং এসব কর্মের মধ্যে ব্যবধান দুরের হতো! আল্লাহ তাঁর নিজের সম্পর্কে তোমাদের সাবধান করছেন। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু। “On the Day when every soul will be confronted with all the good it has done, and all the evil it has done, it will wish there were a great distance between it and its evil. But Allah cautions you (To remember) Himself. And Allah is full of kindness to those that serve Him.” (31 قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর, যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালবাসেন এবং তোমাদিগকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু। Say: “If ye do love Allah, Follow me: Allah will love you and forgive you your sins: For Allah is Oft-Forgiving, Most Merciful.” (32 قُلْ أَطِيعُواْ اللّهَ وَالرَّسُولَ فإِن تَوَلَّوْاْ فَإِنَّ اللّهَ لاَ يُحِبُّ الْكَافِرِينَ বলুন, আল্লাহ ও রসূলের আনুগত্য প্রকাশ কর। বস্তুতঃ যদি তারা বিমুখতা অবলম্বন করে, তাহলে আল্লাহ কাফেরদিগকে ভালবাসেন না। Say: “Obey Allah and His Messenger.: But if they turn back, Allah loveth not those who reject Faith. (33 إِنَّ اللّهَ اصْطَفَى آدَمَ وَنُوحًا وَآلَ إِبْرَاهِيمَ وَآلَ عِمْرَانَ عَلَى الْعَالَمِينَ নিঃসন্দেহে আল্লাহ আদম (আঃ) নূহ (আঃ)­ ও ইব্রাহীম (আঃ) এর বংশধর এবং এমরানের খান্দানকে নির্বাচিত করেছেন। Allah did choose Adam and Noah, the family of Abraham, and the family of ‘Imran above all people,- (34 ذُرِّيَّةً بَعْضُهَا مِن بَعْضٍ وَاللّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ যারা বংশধর ছিলেন পরস্পরের। আল্লাহ শ্রবণকারী ও মহাজ্ঞানী। Offspring, one of the other: And Allah heareth and knoweth all things. (35 إِذْ قَالَتِ امْرَأَةُ عِمْرَانَ رَبِّ إِنِّي نَذَرْتُ لَكَ مَا فِي بَطْنِي مُحَرَّرًا فَتَقَبَّلْ مِنِّي إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ এমরানের স্ত্রী যখন বললো-হে আমার পালনকর্তা! আমার গর্ভে যা রয়েছে আমি তাকে তোমার নামে উৎসর্গ করলাম সবার কাছ থেকে মুক্ত রেখে। আমার পক্ষ থেকে তুমি তাকে কবুল করে নাও, নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞাত। Behold! a woman of ‘Imran said: “O my Lord! I do dedicate unto Thee what is in my womb for Thy special service: So accept this of me: For Thou hearest and knowest all things.” (36 فَلَمَّا وَضَعَتْهَا قَالَتْ رَبِّ إِنِّي وَضَعْتُهَا أُنثَى وَاللّهُ أَعْلَمُ بِمَا وَضَعَتْ وَلَيْسَ الذَّكَرُ كَالأُنثَى وَإِنِّي سَمَّيْتُهَا مَرْيَمَ وِإِنِّي أُعِيذُهَا بِكَ وَذُرِّيَّتَهَا مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ অতঃপর যখন তাকে প্রসব করলো বলল, হে আমার পালনকর্তা! আমি একে কন্যা প্রসব করেছি। বস্তুতঃ কি সে প্রসব করেছে আল্লাহ তা ভালই জানেন। সেই কন্যার মত কোন পুত্রই যে নেই। আর আমি তার নাম রাখলাম মারইয়াম। আর আমি তাকে ও তার সন্তানদেরকে তোমার আশ্রয়ে সমর্পণ করছি। অভিশপ্ত শয়তানের কবল থেকে। When she was delivered, she said: “O my Lord! Behold! I am delivered of a female child!”- and Allah knew best what she brought forth- “And no wise is the male Like the female. I have named her Mary, and I commend her and her offspring to Thy protection from the Evil One, the Rejected.” (37 فَتَقَبَّلَهَا رَبُّهَا بِقَبُولٍ حَسَنٍ وَأَنبَتَهَا نَبَاتًا حَسَنًا وَكَفَّلَهَا زَكَرِيَّا كُلَّمَا دَخَلَ عَلَيْهَا زَكَرِيَّا الْمِحْرَابَ وَجَدَ عِندَهَا رِزْقاً قَالَ يَا مَرْيَمُ أَنَّى لَكِ هَـذَا قَالَتْ هُوَ مِنْ عِندِ اللّهِ إنَّ اللّهَ يَرْزُقُ مَن يَشَاء بِغَيْرِ حِسَابٍ অতঃপর তাঁর পালনকর্তা তাঁকে উত্তম ভাবে গ্রহণ করে নিলেন এবং তাঁকে প্রবৃদ্ধি দান করলেন-অত্যন্ত সুন্দর প্রবৃদ্ধি। আর তাঁকে যাকারিয়ার তত্ত্বাবধানে সমর্পন করলেন। যখনই যাকারিয়া মেহরাবের মধ্যে তার কছে আসতেন তখনই কিছু খাবার দেখতে পেতেন। জিজ্ঞেস করতেন “মারইয়াম! কোথা থেকে এসব তোমার কাছে এলো?” তিনি বলতেন, “এসব আল্লাহর নিকট থেকে আসে। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বেহিসাব রিযিক দান করেন।” Right graciously did her Lord accept her: He made her grow in purity and beauty: To the care of Zakariya was she assigned. Every time that he entered (Her) chamber to see her, He found her supplied with sustenance. He said: “O Mary! Whence (comes) this to you?” She said: “From Allah. for Allah Provides sustenance to whom He pleases without measure.” (38 هُنَالِكَ دَعَا زَكَرِيَّا رَبَّهُ قَالَ رَبِّ هَبْ لِي مِن لَّدُنْكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاء সেখানেই যাকারিয়া তাঁর পালনকর্তার নিকট প্রার্থনা করলেন। বললেন, হে, আমার পালনকর্তা! তোমার নিকট থেকে আমাকে পুত-পবিত্র সন্তান দান কর-নিশ্চয়ই তুমি প্রার্থনা শ্রবণকারী। There did Zakariya pray to his Lord, saying: “O my Lord! Grant unto me from Thee a progeny that is pure: for Thou art He that heareth prayer! (39 فَنَادَتْهُ الْمَلآئِكَةُ وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلِّي فِي الْمِحْرَابِ أَنَّ اللّهَ يُبَشِّرُكَ بِيَحْيَـى مُصَدِّقًا بِكَلِمَةٍ مِّنَ اللّهِ وَسَيِّدًا وَحَصُورًا وَنَبِيًّا مِّنَ الصَّالِحِينَ যখন তিনি কামরার ভেতরে নামাযে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন ফেরেশতারা তাঁকে ডেকে বললেন যে, আল্লাহ তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন ইয়াহইয়া সম্পর্কে, যিনি সাক্ষ্য দেবেন আল্লাহর নির্দেশের সত্যতা সম্পর্কে, যিনি নেতা হবেন এবং নারীদের সংস্পর্শে যাবেন না, তিনি অত্যন্ত সৎকর্মশীল নবী হবেন। While he was standing in prayer in the chamber, the angels called unto him: “(Allah) doth give thee glad tidings of Yahya, witnessing the truth of a Word from Allah, and (be besides) noble, chaste, and a prophet,- of the (goodly) company of the righteous.” (40 قَالَ رَبِّ أَنَّىَ يَكُونُ لِي غُلاَمٌ وَقَدْ بَلَغَنِيَ الْكِبَرُ وَامْرَأَتِي عَاقِرٌ قَالَ كَذَلِكَ اللّهُ يَفْعَلُ مَا يَشَاء তিনি বললেন হে পালনকর্তা! কেমন করে আমার পুত্র সন্তান হবে, আমার যে বার্ধক্য এসে গেছে, আমার স্ত্রীও যে বন্ধ্যা। বললেন, আল্লাহ এমনি ভাবেই যা ইচ্ছা করে থাকেন। He said: “O my lord! How shall I have a son seeing I am very old and my wife is barren?” “Thus” was the answer “doth Allah accomplish what He willeth.” (41 قَالَ رَبِّ اجْعَل لِّيَ آيَةً قَالَ آيَتُكَ أَلاَّ تُكَلِّمَ النَّاسَ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ إِلاَّ رَمْزًا وَاذْكُر رَّبَّكَ كَثِيرًا وَسَبِّحْ بِالْعَشِيِّ وَالإِبْكَارِ তিনি বললেন, হে পালনকর্তা আমার জন্য কিছু নিদর্শন দাও। তিনি বললেন, তোমার জন্য নিদর্শন হলো এই যে, তুমি তিন দিন পর্যন্ত কারও সাথে কথা বলবে না। তবে ইশারা ইঙ্গতে করতে পারবে এবং তোমার পালনকর্তাকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করবে আর সকাল-সন্ধ্যা তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করবে। He said: “O my Lord! Give me a Sign!” “Thy Sign,” was the answer, “Shall be that thou shalt speak to no man for three days but with signals. Then celebrate the praises of thy Lord again and again, and glorify Him in the evening and in the morning.” (42 وَإِذْ قَالَتِ الْمَلاَئِكَةُ يَا مَرْيَمُ إِنَّ اللّهَ اصْطَفَاكِ وَطَهَّرَكِ وَاصْطَفَاكِ عَلَى نِسَاء الْعَالَمِينَ আর যখন ফেরেশতা বলল হে মারইয়াম!, আল্লাহ তোমাকে পছন্দ করেছেন এবং তোমাকে পবিত্র পরিচ্ছন্ন করে দিয়েছেন। আর তোমাকে বিশ্ব নারী সমাজের উর্ধ্বে মনোনীত করেছেন। Behold! the angels said: “O Mary! Allah hath chosen thee and purified thee- chosen thee above the women of all nations. (43 يَا مَرْيَمُ اقْنُتِي لِرَبِّكِ وَاسْجُدِي وَارْكَعِي مَعَ الرَّاكِعِينَ হে মারইয়াম! তোমার পালনকর্তার উপাসনা কর এবং রুকুকারীদের সাথে সেজদা ও রুকু কর। “O Mary! worship Thy Lord devoutly: Prostrate thyself, and bow down (in prayer) with those who bow down.” (44 ذَلِكَ مِنْ أَنبَاء الْغَيْبِ نُوحِيهِ إِلَيكَ وَمَا كُنتَ لَدَيْهِمْ إِذْ يُلْقُون أَقْلاَمَهُمْ أَيُّهُمْ يَكْفُلُ مَرْيَمَ وَمَا كُنتَ لَدَيْهِمْ إِذْ يَخْتَصِمُونَ এ হলো গায়েবী সংবাদ, যা আমি আপনাকে পাঠিয়ে থাকি। আর আপনি তো তাদের কাছে ছিলেন না, যখন প্রতিযোগিতা করছিল যে, কে প্রতিপালন করবে মারইয়ামকে এবং আপনি তাদের কাছে ছিলেন না, যখন তারা ঝগড়া করছিলো। This is part of the tidings of the things unseen, which We reveal unto thee (O Messenger.) by inspiration: Thou wast not with them when they cast lots with arrows, as to which of them should be charged with the care of Mary: Nor wast thou with them when they disputed (the point). (45 إِذْ قَالَتِ الْمَلآئِكَةُ يَا مَرْيَمُ إِنَّ اللّهَ يُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٍ مِّنْهُ اسْمُهُ الْمَسِيحُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ وَجِيهًا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَمِنَ الْمُقَرَّبِينَ যখন ফেরেশতাগণ বললো, হে মারইয়াম আল্লাহ তোমাকে তাঁর এক বানীর সুসংবাদ দিচ্ছেন, যার নাম হলো মসীহ-মারইয়াম-তনয় ঈসা, দুনিয়া ও আখেরাতে তিনি মহাসম্মানের অধিকারী এবং আল্লাহর ঘনিষ্ঠদের অন্তর্ভূক্ত। Behold! the angels said: “O Mary! Allah giveth thee glad tidings of a Word from Him: his name will be Christ Jesus, the son of Mary, held in honour in this world and the Hereafter and of (the company of) those nearest to Allah. (46 وَيُكَلِّمُ النَّاسَ فِي الْمَهْدِ وَكَهْلاً وَمِنَ الصَّالِحِينَ যখন তিনি মায়ের কোলে থাকবেন এবং পূর্ণ বয়স্ক হবেন তখন তিনি মানুষের সাথে কথা বলবেন। আর তিনি সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবেন। “He shall speak to the people in childhood and in maturity. And he shall be (of the company) of the righteous.” (47 قَالَتْ رَبِّ أَنَّى يَكُونُ لِي وَلَدٌ وَلَمْ يَمْسَسْنِي بَشَرٌ قَالَ كَذَلِكِ اللّهُ يَخْلُقُ مَا يَشَاء إِذَا قَضَى أَمْرًا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُ كُن فَيَكُونُ তিনি বললেন, পরওয়ারদেগার! কেমন করে আমার সন্তান হবে; আমাকে তো কোন মানুষ স্পর্শ করেনি। বললেন এ ভাবেই আল্লাহ যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। যখন কোন কাজ করার জন্য ইচ্ছা করেন তখন বলেন যে, ‘হয়ে যাও’ অমনি তা হয়ে যায়। She said: “O my Lord! How shall I have a son when no man hath touched me?” He said: “Even so: Allah createth what He willeth: When He hath decreed a plan, He but saith to it, ‘Be,’ and it is! (48 وَيُعَلِّمُهُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَالتَّوْرَاةَ وَالإِنجِيلَ আর তাকে তিনি শিখিয়ে দেবেন কিতাব, হিকমত, তওরাত, ইঞ্জিল। “And Allah will teach him the Book and Wisdom, the Law and the Gospel, (49 وَرَسُولاً إِلَى بَنِي إِسْرَائِيلَ أَنِّي قَدْ جِئْتُكُم بِآيَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ أَنِّي أَخْلُقُ لَكُم مِّنَ الطِّينِ كَهَيْئَةِ الطَّيْرِ فَأَنفُخُ فِيهِ فَيَكُونُ طَيْرًا بِإِذْنِ اللّهِ وَأُبْرِىءُ الأكْمَهَ والأَبْرَصَ وَأُحْيِـي الْمَوْتَى بِإِذْنِ اللّهِ وَأُنَبِّئُكُم بِمَا تَأْكُلُونَ وَمَا تَدَّخِرُونَ فِي بُيُوتِكُمْ إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَةً لَّكُمْ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ আর বণী ইসরাঈলদের জন্যে রসূল হিসেবে তাকে মনোনীত করবেন। তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাদের নিকট তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে এসেছি নিদর্শনসমূহ নিয়ে। আমি তোমাদের জন্য মাটির দ্বারা পাখীর আকৃতি তৈরী করে দেই। তারপর তাতে যখন ফুৎকার প্রদান করি, তখন তা উড়ন্ত পাখীতে পরিণত হয়ে যায় আল্লাহর হুকুমে। আর আমি সুস্থ করে তুলি জন্মান্ধকে এবং শ্বেত কুষ্ঠ রোগীকে। আর আমি জীবিত করে দেই মৃতকে আল্লাহর হুকুমে। আর আমি তোমাদেরকে বলে দেই যা তোমরা খেয়ে আস এবং যা তোমরা ঘরে রেখে আস। এতে প্রকৃষ্ট নিদর্শন রয়েছে, যদি তোমরা বিশ্বাসী হও। “And (appoint him) an apostle to the Children of Israel, (with this message): “‘I have come to you, with a Sign from your Lord, in that I make for you out of clay, as it were, the figure of a bird, and breathe into it, and it becomes a bird by Allah.s leave: And I heal those born blind, and the lepers, and I quicken the dead, by Allah.s leave; and I declare to you what ye eat, and what ye store in your houses. Surely therein is a Sign for you if ye did believe; (50 وَمُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيَّ مِنَ التَّوْرَاةِ وَلِأُحِلَّ لَكُم بَعْضَ الَّذِي حُرِّمَ عَلَيْكُمْ وَجِئْتُكُم بِآيَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ فَاتَّقُواْ اللّهَ وَأَطِيعُونِ আর এটি পূর্ববর্তী কিতাব সমুহকে সত্যায়ন করে, যেমন তওরাত। আর তা এজন্য যাতে তোমাদের জন্য হালাল করে দেই কোন কোন বস্তু যা তোমাদের জন্য হারাম ছিল। আর আমি তোমাদের নিকট এসেছি তোমাদের পালনকর্তার নিদর্শনসহ। কাজেই আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুসরণ কর। “‘(I have come to you), to attest the Law which was before me. And to make lawful to you part of what was (Before) forbidden to you; I have come to you with a Sign from your Lord. So fear Allah, and obey me. (51 إِنَّ اللّهَ رَبِّي وَرَبُّكُمْ فَاعْبُدُوهُ هَـذَا صِرَاطٌ مُّسْتَقِيمٌ নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার পালনকর্তা এবং তোমাদেরও পালনকর্তা-তাঁর এবাদত কর, এটাই হলো সরল পথ। “‘It is Allah Who is my Lord and your Lord; then worship Him. This is a way that is straight.'” (52 فَلَمَّا أَحَسَّ عِيسَى مِنْهُمُ الْكُفْرَ قَالَ مَنْ أَنصَارِي إِلَى اللّهِ قَالَ الْحَوَارِيُّونَ نَحْنُ أَنصَارُ اللّهِ آمَنَّا بِاللّهِ وَاشْهَدْ بِأَنَّا مُسْلِمُونَ অতঃপর ঈসা (আঃ) যখন বণী ইসরায়ীলের কুফরী সম্পর্কে উপলব্ধি করতে পারলেন, তখন বললেন, কারা আছে আল্লাহর পথে আমাকে সাহায্য করবে? সঙ্গী-সাথীরা বললো, আমরা রয়েছি আল্লাহর পথে সাহায্যকারী। আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি। আর তুমি সাক্ষী থাক যে, আমরা হুকুম কবুল করে নিয়েছি। When Jesus found Unbelief on their part He said: “Who will be My helpers to (the work of) Allah.” Said the disciples: “We are Allah.s helpers: We believe in Allah, and do thou bear witness that we are Muslims. (53 رَبَّنَا آمَنَّا بِمَا أَنزَلَتْ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُولَ فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা সে বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যা তুমি নাযিল করেছ, আমরা রসূলের অনুগত হয়েছি। অতএব, আমাদিগকে মান্যকারীদের তালিকাভুক্ত করে নাও। “Our Lord! we believe in what Thou hast revealed, and we follow the Messenger. then write us down among those who bear witness.” (54 وَمَكَرُواْ وَمَكَرَ اللّهُ وَاللّهُ خَيْرُ الْمَاكِرِينَ এবং কাফেরেরা চক্রান্ত করেছে আর আল্লাহও কৌশল অবলম্বন করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহ হচ্ছেন সর্বোত্তম কুশলী। And (the unbelievers) plotted and planned, and Allah too planned, and the best of planners is Allah. (55 إِذْ قَالَ اللّهُ يَا عِيسَى إِنِّي مُتَوَفِّيكَ وَرَافِعُكَ إِلَيَّ وَمُطَهِّرُكَ مِنَ الَّذِينَ كَفَرُواْ وَجَاعِلُ الَّذِينَ اتَّبَعُوكَ فَوْقَ الَّذِينَ كَفَرُواْ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ثُمَّ إِلَيَّ مَرْجِعُكُمْ فَأَحْكُمُ بَيْنَكُمْ فِيمَا كُنتُمْ فِيهِ تَخْتَلِفُونَ আর স্মরণ কর, যখন আল্লাহ বলবেন, হে ঈসা! আমি তোমাকে নিয়ে নেবো এবং তোমাকে নিজের দিকে তুলে নিবো-কাফেরদের থেকে তোমাকে পবিত্র করে দেবো। আর যারা তোমার অনুগত রয়েছে তাদেরকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত যারা অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে তাদের উপর জয়ী করে রাখবো। বস্তুতঃ তোমাদের সবাইকে আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে। তখন যে বিষয়ে তোমরা বিবাদ করতে, আমি তোমাদের মধ্যে তার ফয়সালা করে দেবো। Behold! Allah said: “O Jesus! I will take thee and raise thee to Myself and clear thee (of the falsehoods) of those who blaspheme; I will make those who follow thee superior to those who reject faith, to the Day of Resurrection: Then shall ye all return unto me, and I will judge between you of the matters wherein ye dispute. (56 فَأَمَّا الَّذِينَ كَفَرُواْ فَأُعَذِّبُهُمْ عَذَابًا شَدِيدًا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَمَا لَهُم مِّن نَّاصِرِينَ অতএব যারা কাফের হয়েছে, তাদেরকে আমি কঠিন শাস্তি দেবো দুনিয়াতে এবং আখেরাতে-তাদের কোন সাহায্যকারী নেই। “As to those who reject faith, I will punish them with terrible agony in this world and in the Hereafter, nor will they have anyone to help.” (57 وَأَمَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُواْ الصَّالِحَاتِ فَيُوَفِّيهِمْ أُجُورَهُمْ وَاللّهُ لاَ يُحِبُّ الظَّالِمِينَ পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে। তাদের প্রাপ্য পরিপুর্ণভাবে দেয়া হবে। আর আল্লাহ অত্যাচারীদেরকে ভালবাসেন না। “As to those who believe and work righteousness, Allah will pay them (in full) their reward; but Allah loveth not those who do wrong.” (58 ذَلِكَ نَتْلُوهُ عَلَيْكَ مِنَ الآيَاتِ وَالذِّكْرِ الْحَكِيمِ আমি তোমাদেরকে পড়ে শুনাই এ সমস্ত আয়াত এবং নিশ্চিত বর্ণনা। “This is what we rehearse unto thee of the Signs and the Message of Wisdom.” (59 إِنَّ مَثَلَ عِيسَى عِندَ اللّهِ كَمَثَلِ آدَمَ خَلَقَهُ مِن تُرَابٍ ثِمَّ قَالَ لَهُ كُن فَيَكُونُ নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট ঈসার দৃষ্টান্ত হচ্ছে আদমেরই মতো। তাকে মাটি দিয়ে তৈরী করেছিলেন এবং তারপর তাকে বলেছিলেন হয়ে যাও, সঙ্গে সঙ্গে হয়ে গেলেন। The similitude of Jesus before Allah is as that of Adam; He created him from dust, then said to him: “Be”. And he was. (60 الْحَقُّ مِن رَّبِّكَ فَلاَ تَكُن مِّن الْمُمْتَرِينَ যা তোমার পালকর্তা বলেন তাই হচ্ছে যথার্থ সত্য। কাজেই তোমরা সংশয়বাদী হয়ো না। The Truth (comes) from Allah alone; so be not of those who doubt. (61 فَمَنْ حَآجَّكَ فِيهِ مِن بَعْدِ مَا جَاءكَ مِنَ الْعِلْمِ فَقُلْ تَعَالَوْاْ نَدْعُ أَبْنَاءنَا وَأَبْنَاءكُمْ وَنِسَاءنَا وَنِسَاءكُمْ وَأَنفُسَنَا وأَنفُسَكُمْ ثُمَّ نَبْتَهِلْ فَنَجْعَل لَّعْنَةُ اللّهِ عَلَى الْكَاذِبِينَ অতঃপর তোমার নিকট সত্য সংবাদ এসে যাওয়ার পর যদি এই কাহিনী সম্পর্কে তোমার সাথে কেউ বিবাদ করে, তাহলে বল-এসো, আমরা ডেকে নেই আমাদের পুত্রদের এবং তোমাদের পুত্রদের এবং আমাদের স্ত্রীদের ও তোমাদের স্ত্রীদের এবং আমাদের নিজেদের ও তোমাদের নিজেদের আর তারপর চল আমরা সবাই মিলে প্রার্থনা করি এবং তাদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত করি যারা মিথ্যাবাদী। I f any one disputes in this matter with thee, now after (full) knowledge Hath come to thee, say: “Come! let us gather together,- our sons and your sons, our women and your women, ourselves and yourselves: Then let us earnestly pray, and invoke the curse of Allah on those who lie!” (62 إِنَّ هَـذَا لَهُوَ الْقَصَصُ الْحَقُّ وَمَا مِنْ إِلَـهٍ إِلاَّ اللّهُ وَإِنَّ اللّهَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ নিঃসন্দেহে এটাই হলো সত্য ভাষণ। আর এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন ইলাহ নেই। আর আল্লাহ; তিনিই হলেন পরাক্রমশালী মহাপ্রাজ্ঞ। This is the true account: There is no god except Allah. and Allah.He is indeed the Exalted in Power, the Wise. (63 فَإِن تَوَلَّوْاْ فَإِنَّ اللّهَ عَلِيمٌ بِالْمُفْسِدِينَ তারপর যদি তারা গ্রহণ না করে, তাহলে প্রমাদ সৃষ্টিকারীদেরকে আল্লাহ জানেন। But if they turn back, Allah hath full knowledge of those who do mischief. (64 قُلْ يَا أَهْلَ الْكِتَابِ تَعَالَوْاْ إِلَى كَلَمَةٍ سَوَاء بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ أَلاَّ نَعْبُدَ إِلاَّ اللّهَ وَلاَ نُشْرِكَ بِهِ شَيْئًا وَلاَ يَتَّخِذَ بَعْضُنَا بَعْضاً أَرْبَابًا مِّن دُونِ اللّهِ فَإِن تَوَلَّوْاْ فَقُولُواْ اشْهَدُواْ بِأَنَّا مُسْلِمُونَ বলুনঃ ‘হে আহলে-কিতাবগণ! একটি বিষয়ের দিকে আস-যা আমাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে সমান-যে, আমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করব না, তাঁর সাথে কোন শরীক সাব্যস্ত করব না এবং একমাত্র আল্লাহকে ছাড়া কাউকে পালনকর্তা বানাব না। তারপর যদি তারা স্বীকার না করে, তাহলে বলে দাও যে, ‘সাক্ষী থাক আমরা তো অনুগত। Say: “O People of the Book! come to common terms as between us and you: That we worship none but Allah. that we associate no partners with him; that we erect not, from among ourselves, Lords and patrons other than Allah.” If then they turn back, say ye: “Bear witness that we (at least) are Muslims (bowing to Allah.s Will). (65 يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لِمَ تُحَآجُّونَ فِي إِبْرَاهِيمَ وَمَا أُنزِلَتِ التَّورَاةُ وَالإنجِيلُ إِلاَّ مِن بَعْدِهِ أَفَلاَ تَعْقِلُونَ হে আহলে কিতাবগণ! কেন তোমরা ইব্রাহীমের বিষয়ে বাদানুবাদ কর? অথচ তওরাত ও ইঞ্জিল তাঁর পরেই নাযিল হয়েছে। তোমরা কি বুঝ না? Ye People of the Book! Why dispute ye about Abraham, when the Law and the Gospel Were not revealed Till after him? Have ye no understanding? (66 هَاأَنتُمْ هَؤُلاء حَاجَجْتُمْ فِيمَا لَكُم بِهِ عِلمٌ فَلِمَ تُحَآجُّونَ فِيمَا لَيْسَ لَكُم بِهِ عِلْمٌ وَاللّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لاَ تَعْلَمُونَ শোন! ইতিপূর্বে তোমরা যে বিষয়ে কিছু জানতে, তাই নিয়ে বিবাদ করতে। এখন আবার যে বিষয়ে তোমরা কিছুই জান না, সে বিষয়ে কেন বিবাদ করছ? Ah! Ye are those who fell to disputing (Even) in matters of which ye had some knowledge! but why dispute ye in matters of which ye have no knowledge? It is Allah Who knows, and ye who know not! (67 مَا كَانَ إِبْرَاهِيمُ يَهُودِيًّا وَلاَ نَصْرَانِيًّا وَلَكِن كَانَ حَنِيفًا مُّسْلِمًا وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِينَ ইব্রাহীম ইহুদী ছিলেন না এবং নাসারাও ছিলেন না, কিক্তু তিনি ছিলেন ‘হানীফ’ অর্থাৎ, সব মিথ্যা ধর্মের প্রতি বিমুখ এবং আত্নসমর্পণকারী, এবং তিনি মুশরিক ছিলেন না। Abraham was not a Jew nor yet a Christian; but he was true in Faith, and bowed his will to Allah.s (Which is Islam), and he joined not gods with Allah. (68 إِنَّ أَوْلَى النَّاسِ بِإِبْرَاهِيمَ لَلَّذِينَ اتَّبَعُوهُ وَهَـذَا النَّبِيُّ وَالَّذِينَ آمَنُواْ وَاللّهُ وَلِيُّ الْمُؤْمِنِينَ মানুষদের মধ্যে যারা ইব্রাহীমের অনুসরণ করেছিল, তারা, আর এই নবী এবং যারা এ নবীর প্রতি ঈমান এনেছে তারা ইব্রাহীমের ঘনিষ্ঠতম-আর আল্লাহ হচ্ছেন মুমিনদের বন্ধু। Without doubt, among men, the nearest of kin to Abraham, are those who follow him, as are also this Messenger and those who believe: And Allah is the Protector of those who have faith. (69 وَدَّت طَّآئِفَةٌ مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يُضِلُّونَكُمْ وَمَا يُضِلُّونَ إِلاَّ أَنفُسَهُمْ وَمَا يَشْعُرُونَ কোন কোন আহলে-কিতাবের আকাঙ্খা, যাতে তোমাদের গোমরাহ করতে পারে, কিন্তু তারা নিজেদের ছাড়া অন্য কাউকেই গোমরাহ করে না। অথচ তারা বুঝতে পারে না। It is the wish of a section of the People of the Book to lead you astray. But they shall lead astray (Not you), but themselves, and they do not perceive! (70 يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لِمَ تَكْفُرُونَ بِآيَاتِ اللّهِ وَأَنتُمْ تَشْهَدُونَ হে আহলে-কিতাবগণ, কেন তোমরা আল্লাহর কালামকে অস্বীকার কর, অথচ তোমরাই তাঁর প্রবক্তা? Ye People of the Book! Why reject ye the Signs of Allah, of which ye are (Yourselves) witnesses? (71 يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لِمَ تَلْبِسُونَ الْحَقَّ بِالْبَاطِلِ وَتَكْتُمُونَ الْحَقَّ وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ হে আহলে কিতাবগণ, কেন তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে সংমিশ্রণ করছ এবং সত্যকে গোপন করছ, অথচ তোমরা তা জান। Ye People of the Book! Why do ye clothe Truth with falsehood, and conceal the Truth, while ye have knowledge? (72 وَقَالَت طَّآئِفَةٌ مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ آمِنُواْ بِالَّذِيَ أُنزِلَ عَلَى الَّذِينَ آمَنُواْ وَجْهَ النَّهَارِ وَاكْفُرُواْ آخِرَهُ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ আর আহলে-কিতাবগণের একদল বললো, মুসলমানগণের উপর যা কিছু অবর্তীণ হয়েছে তাকে দিনের প্রথম ভাগে মেনে নাও, আর দিনের শেষ ভাগে অস্বীকার ক র, হয়তো তারা মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে। A section of the People of the Book say: “Believe in the morning what is revealed to the believers, but reject it at the end of the day; perchance they may (themselves) Turn back; (73 وَلاَ تُؤْمِنُواْ إِلاَّ لِمَن تَبِعَ دِينَكُمْ قُلْ إِنَّ الْهُدَى هُدَى اللّهِ أَن يُؤْتَى أَحَدٌ مِّثْلَ مَا أُوتِيتُمْ أَوْ يُحَآجُّوكُمْ عِندَ رَبِّكُمْ قُلْ إِنَّ الْفَضْلَ بِيَدِ اللّهِ يُؤْتِيهِ مَن يَشَاء وَاللّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ যারা তোমাদের ধর্মমতে চলবে, তাদের ছাড়া আর কাউকে বিশ্বাস করবে না। বলে দিন নিঃসন্দেহে হেদায়েত সেটাই, যে হেদায়েত আল্লাহ করেন। আর এসব কিছু এ জন্যে যে, তোমরা যা লাভ করেছিলে তা অন্য কেউ কেন প্রাপ্ত হবে, কিংবা তোমাদের পালনকর্তার সামনে তোমাদের উপর তারা কেন প্রবল হয়ে যাবে! বলে দিন, মর্যাদা আল্লাহরই হাতে; তিনি যাকে ইচ্ছা দান করেন এবং আল্লাহ প্রাচুর্যময় ও সর্বজ্ঞ। “And believe no one unless he follows your religion.” Say: “True guidance is the Guidance of Allah. (Fear ye) Lest a revelation be sent to someone (else) Like unto that which was sent unto you? or that those (Receiving such revelation) should engage you in argument before your Lord?” Say: “All bounties are in the hand of Allah. He granteth them to whom He pleaseth: And Allah careth for all, and He knoweth all things.” (74 يَخْتَصُّ بِرَحْمَتِهِ مَن يَشَاء وَاللّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ তিনি যাকে ইচ্ছা নিজের বিশেষ অনুগ্রহ দান করেন। আর আল্লাহ মহা অনুগ্রহশীল। For His Mercy He specially chooseth whom He pleaseth; for Allah is the Lord of bounties unbounded. (75 وَمِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ مَنْ إِن تَأْمَنْهُ بِقِنطَارٍ يُؤَدِّهِ إِلَيْكَ وَمِنْهُم مَّنْ إِن تَأْمَنْهُ بِدِينَارٍ لاَّ يُؤَدِّهِ إِلَيْكَ إِلاَّ مَا دُمْتَ عَلَيْهِ قَآئِمًا ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُواْ لَيْسَ عَلَيْنَا فِي الأُمِّيِّينَ سَبِيلٌ وَيَقُولُونَ عَلَى اللّهِ الْكَذِبَ وَهُمْ يَعْلَمُونَ কোন কোন আহলে কিতাব এমনও রয়েছে, তোমরা যদি তাদের কাছে বহু ধন-সম্পদ আমানত রাখ, তাহলেও তা তোমাদের যথারীতি পরিশোধ করবে। আর তোদের মধ্যে অনেক এমনও রয়েছে যারা একটি দীনার গচ্ছিত রাখলেও ফেরত দেবে না-যে পর্যন্ত না তুমি তার মাথার উপর দাঁড়াতে পারবে। এটা এজন্য যে, তারা বলে রেখেছে যে, উম্মীদের অধিকার বিনষ্ট করাতে আমাদের কোন পাপ নেই। আর তারা আল্লাহ সম্পর্কে জেনে শুনেই মিথ্যা বলে। Among the People of the Book are some who, if entrusted with a hoard of gold, will (readily) pay it back; others, who, if entrusted with a single silver coin, will not repay it unless thou constantly stood demanding, because, they say, “there is no call on us (to keep the faith) with these ignorant (Pagans).” but they tell a lie against Allah, and (well) they know it. (76 بَلَى مَنْ أَوْفَى بِعَهْدِهِ وَاتَّقَى فَإِنَّ اللّهَ يُحِبُّ الْمُتَّقِينَ যে লোক নিজ প্রতিজ্ঞা পূর্ন করবে এং পরহেজগার হবে, অবশ্যই আল্লাহ পরহেজগারদেরকে ভালবাসেন। Nay.- Those that keep their plighted faith and act aright,-verily Allah loves those who act aright. (77 إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللّهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلاً أُوْلَـئِكَ لاَ خَلاَقَ لَهُمْ فِي الآخِرَةِ وَلاَ يُكَلِّمُهُمُ اللّهُ وَلاَ يَنظُرُ إِلَيْهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلاَ يُزَكِّيهِمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ যারা আল্লাহর নামে কৃত অঙ্গীকার এবং প্রতিজ্ঞা সামান্য মুল্যে বিক্রয় করে, আখেরাতে তাদের কেন অংশ নেই। আর তাদের সাথে কেয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না। তাদের প্রতি (করুণার) দৃষ্টিও দেবেন না। আর তাদেরকে পরিশুদ্ধও করবেন না। বস্তুতঃ তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব। As for those who sell the faith they owe to Allah and their own plighted word for a small price, they shall have no portion in the Hereafter: Nor will Allah (Deign to) speak to them or look at them on the Day of Judgment, nor will He cleans them (of sin): They shall have a grievous penalty. (78 وَإِنَّ مِنْهُمْ لَفَرِيقًا يَلْوُونَ أَلْسِنَتَهُم بِالْكِتَابِ لِتَحْسَبُوهُ مِنَ الْكِتَابِ وَمَا هُوَ مِنَ الْكِتَابِ وَيَقُولُونَ هُوَ مِنْ عِندِ اللّهِ وَمَا هُوَ مِنْ عِندِ اللّهِ وَيَقُولُونَ عَلَى اللّهِ الْكَذِبَ وَهُمْ يَعْلَمُونَ আর তাদের মধ্যে একদল রয়েছে, যারা বিকৃত উচ্চারণে মুখ বাঁকিয়ে কিতাব পাঠ করে, যাতে তোমরা মনে কর যে, তার কিতাব থেকেই পাঠ করছে। অথচ তারা যা আবৃত্তি করছে তা আদৌ কিতাব নয়। এবং তারা বলে যে, এসব কথা আল্লাহর তরফ থেকে আগত। অথচ এসব আল্লাহর তরফ থেকে প্রেরিত নয়। তারা বলে যে, এটি আল্লাহর কথা অথচ এসব আল্লাহর কথা নয়। আর তারা জেনে শুনে আল্লাহরই প্রতি মিথ্যারোপ করে। There is among them a section who distort the Book with their tongues: (As they read) you would think it is a part of the Book, but it is no part of the Book; and they say, “That is from Allah,” but it is not from Allah. It is they who tell a lie against Allah, and (well) they know it! (79 مَا كَانَ لِبَشَرٍ أَن يُؤْتِيَهُ اللّهُ الْكِتَابَ وَالْحُكْمَ وَالنُّبُوَّةَ ثُمَّ يَقُولَ لِلنَّاسِ كُونُواْ عِبَادًا لِّي مِن دُونِ اللّهِ وَلَـكِن كُونُواْ رَبَّانِيِّينَ بِمَا كُنتُمْ تُعَلِّمُونَ الْكِتَابَ وَبِمَا كُنتُمْ تَدْرُسُونَ কোন মানুষকে আল্লাহ কিতাব, হেকমত ও নবুওয়ত দান করার পর সে বলবে যে, ‘তোমরা আল্লাহকে পরিহার করে আমার বান্দা হয়ে যাও’-এটা সম্ভব নয়। বরং তারা বলবে, ‘তোমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও, যেমন, তোমরা কিতাব শিখাতে এবং যেমন তোমরা নিজেরা ও পড়তে। It is not (possible) that a man, to whom is given the Book, and Wisdom, and the prophetic office, should say to people: “Be ye my worshippers rather than Allah.s”: on the contrary (He would say) “Be ye worshippers of Him Who is truly the Cherisher of all: For ye have taught the Book and ye have studied it earnestly.” (80 وَلاَ يَأْمُرَكُمْ أَن تَتَّخِذُواْ الْمَلاَئِكَةَ وَالنِّبِيِّيْنَ أَرْبَابًا أَيَأْمُرُكُم بِالْكُفْرِ بَعْدَ إِذْ أَنتُم مُّسْلِمُونَ তাছাড়া তোমাদেরকে একথা বলাও সম্ভব নয় যে, তোমরা ফেরেশতা ও নবীগনকে নিজেদের পালনকর্তা সাব্যস্ত করে নাও। তোমাদের মুসলমান হবার পর তারা কি তোমাদেরকে কুফরী শেখাবে? Nor would he instruct you to take angels and prophets for Lords and patrons. What! would he bid you to unbelief after ye have bowed your will (To Allah in Islam)? (81 وَإِذْ أَخَذَ اللّهُ مِيثَاقَ النَّبِيِّيْنَ لَمَا آتَيْتُكُم مِّن كِتَابٍ وَحِكْمَةٍ ثُمَّ جَاءكُمْ رَسُولٌ مُّصَدِّقٌ لِّمَا مَعَكُمْ لَتُؤْمِنُنَّ بِهِ وَلَتَنصُرُنَّهُ قَالَ أَأَقْرَرْتُمْ وَأَخَذْتُمْ عَلَى ذَلِكُمْ إِصْرِي قَالُواْ أَقْرَرْنَا قَالَ فَاشْهَدُواْ وَأَنَاْ مَعَكُم مِّنَ الشَّاهِدِينَ আর আল্লাহ যখন নবীগনের কাছ থেকে অস্বীকার গ্রহন করলেন যে, আমি যা কিছু তোমাদের দান করেছি কিতাব ও জ্ঞান এবং অতঃপর তোমাদের নিকট কোন রসূল আসেন তোমাদের কিতাবকে সত্য বলে দেয়ার জন্য, তখন সে রসূলের প্রতি ঈমান আনবে এবং তার সাহায্য করবে। তিনি বললেন, ‘তোমার কি অঙ্গীকার করছো এবং এই শর্তে আমার ওয়াদা গ্রহণ করে নিয়েছ? তারা বললো, ‘আমরা অঙ্গীকার করেছি’। তিনি বললেন, তাহলে এবার সাক্ষী থাক। আর আমিও তোমাদের সাথে সাক্ষী রইলাম। Behold! Allah took the covenant of the prophets, saying: “I give you a Book and Wisdom; then comes to you an apostle, confirming what is with you; do ye believe in him and render him help.” Allah said: “Do ye agree, and take this my Covenant as binding on you?” They said: “We agree.” He said: “Then bear witness, and I am with you among the witnesses. ” (82 فَمَن تَوَلَّى بَعْدَ ذَلِكَ فَأُوْلَـئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ অতঃপর যে লোক এই ওয়াদা থেকে ফিরে দাঁড়াবে, সেই হবে নাফরমান। If any turn back after this, they are perverted transgressors. (83 أَفَغَيْرَ دِينِ اللّهِ يَبْغُونَ وَلَهُ أَسْلَمَ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ طَوْعًا وَكَرْهًا وَإِلَيْهِ يُرْجَعُونَ তারা কি আল্লাহর দ্বীনের পরিবর্তে অন্য দ্বীন তালাশ করছে? আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে স্বেচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক, তাঁরই অনুগত হবে এবং তাঁর দিকেই ফিরে যাবে। Do they seek for other than the Religion of Allah.-while all creatures in the heavens and on earth have, willing or unwilling, bowed to His Will (Accepted Islam), and to Him shall they all be brought back. (84 قُلْ آمَنَّا بِاللّهِ وَمَا أُنزِلَ عَلَيْنَا وَمَا أُنزِلَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَقَ وَيَعْقُوبَ وَالأَسْبَاطِ وَمَا أُوتِيَ مُوسَى وَعِيسَى وَالنَّبِيُّونَ مِن رَّبِّهِمْ لاَ نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّنْهُمْ وَنَحْنُ لَهُ مُسْلِمُونَ বলুন, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা কিছু অবতীর্ণ হয়েছে আমাদের উপর, ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব এবং তাঁদের সন্তানবর্গের উপর আর যা কিছু পেয়েছেন মূসা ও ঈসা এবং অন্যান্য নবী রসূলগণ তাঁদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে। আমরা তাঁদের কারো মধ্যে পার্থক্য করি না। আর আমরা তাঁরই অনুগত। Say: “We believe in Allah, and in what has been revealed to us and what was revealed to Abraham, Isma’il, Isaac, Jacob, and the Tribes, and in (the Books) given to Moses, Jesus, and the prophets, from their Lord: We make no distinction between one and another among them, and to Allah do we bow our will (in Islam).” (85 وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الإِسْلاَمِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত। If anyone desires a religion other than Islam (submission to Allah., never will it be accepted of him; and in the Hereafter He will be in the ranks of those who have lost (All spiritual good). (86 كَيْفَ يَهْدِي اللّهُ قَوْمًا كَفَرُواْ بَعْدَ إِيمَانِهِمْ وَشَهِدُواْ أَنَّ الرَّسُولَ حَقٌّ وَجَاءهُمُ الْبَيِّنَاتُ وَاللّهُ لاَ يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ কেমন করে আল্লাহ এমন জাতিকে হেদায়েত দান করবেন, যারা ঈমান আনার পর এবং রসূলকে সত্য বলে সাক্ষ্য দেয়ার পর এবং তাদের নিকট প্রমাণ এসে যাওয়ার পর কাফের হয়েছে। আর আল্লাহ জালেম সম্প্রদায়কে হেদায়েত দান করেন না। How shall Allah Guide those who reject Faith after they accepted it and bore witness that the Messenger was true and that Clear Signs had come unto them? but Allah guides not a people unjust. (87 أُوْلَـئِكَ جَزَآؤُهُمْ أَنَّ عَلَيْهِمْ لَعْنَةَ اللّهِ وَالْمَلآئِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ এমন লোকের শাস্তি হলো আল্লাহ, ফেরেশতাগণ এবং মানুষ সকলেরই অভিসম্পাত। Of such the reward is that on them (rests) the curse of Allah, of His angels, and of all mankind;- (88 خَالِدِينَ فِيهَا لاَ يُخَفَّفُ عَنْهُمُ الْعَذَابُ وَلاَ هُمْ يُنظَرُونَ সর্বক্ষণই তারা তাতে থাকবে। তাদের আযাব হালকাও হবে না এবং তার এত অবকাশও পাবে না। In that will they dwell; nor will their penalty be lightened, nor respite be (their lot);- (89 إِلاَّ الَّذِينَ تَابُواْ مِن بَعْدِ ذَلِكَ وَأَصْلَحُواْ فَإِنَّ الله غَفُورٌ رَّحِيمٌ কিন্তু যারা অতঃপর তওবা করে নেবে এবং সৎকাজ করবে তারা ব্যতীত, নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালূ। Except for those that repent (Even) after that, and make amends; for verily Allah is Oft-Forgiving, Most Merciful. (90 إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُواْ بَعْدَ إِيمَانِهِمْ ثُمَّ ازْدَادُواْ كُفْرًا لَّن تُقْبَلَ تَوْبَتُهُمْ وَأُوْلَـئِكَ هُمُ الضَّآلُّونَ যারা ঈমান আনার পর অস্বীকার করেছে এবং অস্বীকৃতিতে বৃদ্ধি ঘটেছে, কস্মিণকালেও তাদের তওবা কবুল করা হবে না। আর তারা হলো গোমরাহ। But those who reject Faith after they accepted it, and then go on adding to their defiance of Faith,- never will their repentance be accepted; for they are those who have (of set purpose) gone astray. (91 إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُواْ وَمَاتُواْ وَهُمْ كُفَّارٌ فَلَن يُقْبَلَ مِنْ أَحَدِهِم مِّلْءُ الأرْضِ ذَهَبًا وَلَوِ افْتَدَى بِهِ أُوْلَـئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ وَمَا لَهُم مِّن نَّاصِرِينَ যদি সারা পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও তার পরিবর্তে দেয়া হয়, তবুও যারা কাফের হয়েছে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের তওবা কবুল করা হবে না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব! পক্ষান্তরে তাদের কোনই সাহায্যকারী নেই। As to those who reject Faith, and die rejecting,- never would be accepted from any such as much gold as the earth contains, though they should offer it for ransom. For such is (in store) a penalty grievous, and they will find no helpers.

 

আইডিসির সাথে যোগ দিয়ে উভয় জাহানের জন্য ভালো কিছু করুন।

 

আইডিসি এবং আইডিসি ফাউন্ডেশনের ব্যপারে বিস্তারিত জানতে  লিংক০১ ও লিংক০২ ভিজিট করুন।

আইডিসি  মাদরাসার ব্যপারে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

আপনি আইডিসি  মাদরাসার একজন স্থায়ী সদস্য /পার্টনার হতে চাইলে এই লিংক দেখুন.

আইডিসি এতীমখানা ও গোরাবা ফান্ডে দান করে  দুনিয়া এবং আখিরাতে সফলতা অর্জন করুন।

কুরআন হাদিসের আলোকে বিভিন্ন কঠিন রোগের চিকিৎসা করাতেআইডিসি ‘র সাথে যোগাযোগ করুন।

ইসলামিক বিষয়ে জানতে এবং জানাতে এই গ্রুপে জয়েন করুন।

Islami Dawah Center Cover photo

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টারকে সচল রাখতে সাহায্য করুন!

 

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার ১টি অলাভজনক দাওয়াহ প্রতিষ্ঠান, এই প্রতিষ্ঠানের ইসলামিক ব্লগটি বর্তমানে ২০,০০০+ মানুষ প্রতিমাসে পড়ে, দিন দিন আরো অনেক বেশি বেড়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

বর্তমানে মাদরাসা এবং ব্লগ প্রজেক্টের বিভিন্ন খাতে (ওয়েবসাইট হোস্টিং, CDN,কনটেন্ট রাইটিং, প্রুফ রিডিং, ব্লগ পোস্টিং, ডিজাইন এবং মার্কেটিং) মাসে গড়ে ৫০,০০০+ টাকা খরচ হয়, যা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। সেকারনে, এই বিশাল ধর্মীয় কাজকে সামনে এগিয়ে নিতে সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে আপনাদের দোয়া এবং আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন, এমন কিছু ভাই ও বোন ( ৩১৩ জন ) দরকার, যারা আইডিসিকে নির্দিষ্ট অংকের সাহায্য করবেন, তাহলে এই পথ চলা অনেক সহজ হয়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

যারা এককালিন, মাসিক অথবা বাৎসরিক সাহায্য করবেন, তারা আইডিসির মুল টিমের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন, ইংশাআল্লাহ।

আইডিসির ঠিকানাঃ খঃ ৬৫/৫, শাহজাদপুর, গুলশান, ঢাকা -১২১২, মোবাইলঃ +88 01609 820 094, +88 01716 988 953 ( নগদ/বিকাশ পার্সোনাল )

ইমেলঃ info@islamidawahcenter.com, info@idcmadrasah.com, ওয়েব: www.islamidawahcenter.com, www.idcmadrasah.com সার্বিক তত্ত্বাবধানেঃ হাঃ মুফতি মাহবুব ওসমানী ( এম. এ. ইন ইংলিশ )