কোরআন-হাদীসের আলোকে মাতৃভাষাঃ وَمِنْ اٰيٰتِهٖ خَلْقُ السَّمٰوٰتِ وَا لْاَرْضِ وَاخْتِلَا فُ اَلْسِنَتِكُمْ وَاَ لْوَا نِكُمْ ۗ اِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيٰتٍ لِّلْعٰلِمِيْنَ “মহান আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মাঝে অন্যতম হল, আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্রতা। জ্ঞানীদের জন্য অবশ্যই এতে বহু নিদর্শন রয়েছে।” (৩০ সূরা আর-রুম-২২) وَمَاۤ اَرْسَلْنَا مِنْ رَّسُوْلٍ اِلَّا بِلِسَا نِ قَوْمِهٖ لِيُبَيِّنَ لَهُمْ ۗ فَيُضِلُّ اللّٰهُ مَنْ يَّشَآءُ وَيَهْدِيْ مَنْ يَّشَآءُ ۗ وَهُوَ الْعَزِيْزُ الْحَكِيْمُ “আমি কোন রসূলকেই তার জাতির মাতৃভাষা ছাড়া পাঠাইনি, যাতে তাদের কাছে সুস্পষ্টভাবে (আমার নির্দেশগুলো) বর্ণনা করতে পারেন। অতঃপর আল্লাহ যাকে ইচ্ছে পথভ্রষ্ট করেছেন, আর যাকে ইচ্ছে সঠিক পথ দেখিয়েছেন। আর তিনি বড়ই পরাক্রমশালী ও বিজ্ঞানময়।” (১৪ সূরা ইবরাহীম-০৪) اِنَّاۤ اَنْزَلْنٰهُ قُرْءٰنًا عَرَبِيًّا لَّعَلَّكُمْ تَعْقِلُوْنَ নিশ্চয়ই আমি কোরআন আরবী ভাষায় অবতীর্ণ করেছি, যাতে তোমরা ভালভাবে বুঝতে পার।” (১২সূরা ইউসুফ-০২) وَكَذٰلِكَ اَنْزَلْنٰهُ قُرْاٰنًا عَرَبِيًّا وَّ صَرَّفْنَا فِيْهِ مِنَ الْوَعِيْدِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُوْنَ اَوْ يُحْدِثُ لَهُمْ ذِكْرًا “এভাবেই আমি কুরআনকে আরবী ভাষায় নাযিল করেছি আর তাতে সতর্কবাণী বিস্তারিতভাবে বিবৃত করেছি যাতে তারা আল্লাহকে ভয় করে অথবা তা হয় তাদের জন্য উপদেশ।” (২০ সূরা ত্ব-হা-১১৩) فَاِ نَّمَا يَسَّرْنٰهُ بِلِسَا نِكَ لِتُبَشِّرَ بِهِ الْمُتَّقِيْنَ وَتُنْذِرَ بِهٖ قَوْمًا لُّدًّا “হে নবী, আমি তোমার ভাষায় কুরআনকে সহজ করেছি যাতে তুমি তার সাহায্যে মুত্তাকীদেরকে সুসংবাদ দিতে পার আর ঝগড়াটে লোকেদেরকে সতর্ক করতে পার।” (১৯ সূরা মারইয়াম-৯৭) وَاَخِيْ هٰرُوْنُ هُوَ اَفْصَحُ مِنِّيْ لِسَا نًا فَاَرْسِلْهُ مَعِيَ رِداً يُّصَدِّقُنِيْۤ ۖ اِنِّيْۤ اَخَا فُ اَنْ يُّكَذِّبُوْنِ “আর আমার ভাই হারূন আমার চেয়ে প্রাঞ্জলভাষী, কাজেই তাকে তুমি সাহায্যকারীরূপে আমার সঙ্গে প্রেরণ কর, সে আমাকে সমর্থন জানাবে। আমি আশঙ্কা করছি তারা আমাকে মিথ্যে বলে প্রত্যাখ্যান করবে।’” (২৮ সূরা কাসাস-৩৪) قَا لَ رَبِّ اشْرَحْ لِيْ صَدْرِيْ ۙ وَيَسِّرْ لِيْۤ اَمْرِيْ ۙ وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِّنْ لِّسَا نِیْ ۙ يَفْقَهُوْا قَوْلِيْ ۖ “মূসা (আঃ) বললেন, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার জন্য আমার বক্ষকে প্রশস্ত করে দাও। আর আমার জন্য আমার কাজকে সহজ করে দাও। আমার জিহ্বার জড়তা দূর করে দাও। যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।” (২০সূরা ত্ব-হা,২৫-২৮) আল-হাদীসঃ حدثنا ابن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن مجاهد، عن ابن أبي ليلى، عن أبى بن كعب، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان عند أضاة بني غفار فأتاه جبريل صلى الله عليه وسلم فقال إن الله عز وجل يأمرك أن تقرئ أمتك على حرف ‏.‏ قال ‏ “‏ أسأل الله معافاته ومغفرته إن أمتي لا تطيق ذلك ‏”‏ ‏.‏ ثم أتاه ثانية فذكر نحو هذا حتى بلغ سبعة أحرف قال إن الله يأمرك أن تقرئ أمتك على سبعة أحرف فأيما حرف قرءوا عليه فقد أصابوا ‏.‏ উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ: একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনু গিফারের কূপ বা ঝর্ণার নিকট অবস্থানকালে জিবরাঈল (আঃ) এসে বললেন, আল্লাহ আপনার উম্মাতকে এক হরফে (রীতিতে) কুরআন পড়ানোর জন্য আপনাকে আদেশ করেছেন। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর কাছে তাঁর ক্ষমা ও উদারতা কামনা করি যে, আমার উম্মাত (ভাষা ও আঞ্চলিকতার বিভিন্নতার দরুন) এই এক হরফে পাঠ করতে সক্ষম হবে না। অতঃপর জিবরাঈল দ্বিতীয়বার এসে আগের মতই বললেন। অবশেষে সাত হরফ পর্যন্ত পৌঁছে বললেন, আল্লাহ আপনার উম্মাতকে সাত হরফে কুরআন পড়াতে আপনাকে আদেশ করেছেন। আপনার উম্মাত এর যে কোনো হরফে পড়লেই তাঁদের পড়া নির্ভুল হবে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ১৪৭৮, বোখারী-২৪১৯, ৭৫৫০, মুসলিম-১৭৮৯ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস) حدثنا عارم قال: حدثنا أبو عوانة، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن رجلا – أو أعرابيا – أتى النبي صلى الله عليه وسلم فتكلم بكلام بين، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إن من البيان سحرا، وإن من الشعر حكمة» ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ: এক ব্যক্তি বা এক বেদুইন নবী (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় কথাবার্তা বললো। অতঃপর নবী করিম (সাঃ) বলেলেনঃ নিশ্চয়ই কথার মধ্যে যাদু (যাদুকরী প্রভাব) রয়েছে এবং কবিতার মধ্যে হিকমত (প্রজ্ঞাপূর্ণ কথা) রয়েছে। (আবু দাউদ,তিরমিযী,ইবনে মাজাহ,আহমাদ, ইবনে হিব্বান,তহাকিম) আদাবুল মুফরাদ, হাদিস নং ৮৮০ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস ভাষা শহীদগণের পরিচিতিঃ ১. কমার্শিয়াল প্রেসের মালিকের ছেলে মোঃ রফিক, বাড়িঃ মানিকগঞ্জ। জগন্নাথ কলেজের হিসাববিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন ২. ফেনীর তেজোদ্দীপ্ত ছেলে আবদুস সালাম ৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র বরকত, বাড়িঃ মুর্শিদাবাদ ৪. মংমনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাঁচুয়া গ্রামের কৃতি সন্তান আবদুল জব্বার ৫. হাইকোর্টের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা শফিউর রহমান, বাড়িঃ হুগলি ৬. রিক্সাচালক আবদুল আউয়াল ৭. ৯ বছরের কিশোর মোঃ ওয়ালিউল্লাহ # সংকলনেঃ মাওঃ মাহমুদুল হাসান মুনিরী, পরিচালক-মরিচা ইসলামিয়া দারুসসুন্নাহ মাদরাসা, দেবিদ্বার,কুমিল্লা।  

আইডিসির সাথে যোগ দিয়ে উভয় জাহানের জন্য ভালো কিছু করুন!

আইডিসি এবং আইডিসি ফাউন্ডেশনের ব্যপারে  জানতে  লিংক০১ ও লিংক০২ ভিজিট করুন।

আইডিসি  মাদরাসার ব্যপারে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

আপনি আইডিসি  মাদরাসার একজন স্থায়ী সদস্য /পার্টনার হতে চাইলে এই লিংক দেখুন.

আইডিসি এতীমখানা ও গোরাবা ফান্ডে দান করে  দুনিয়া এবং আখিরাতে সফলতা অর্জন করুন।

কুরআন হাদিসের আলোকে বিভিন্ন কঠিন রোগের চিকিৎসা করাতেআইডিসি ‘র সাথে যোগাযোগ করুন।

ইসলামিক বিষয়ে জানতে এবং জানাতে এই গ্রুপে জয়েন করুন।