Ruqyah For Sexual Problems | যৌন সমস্যার জন্য রুকইয়াহ

 

আজকের দুটি বিষয় একটু ট্যাবু ধরণের, স্বাভাবিক গল্পগুজবের বিষয় না। তাই আজকের পর্বে অন্য পর্বের স্ট্রাকচার অনুসরণ না করে, সংক্ষেপে দুই ধরনের সমস্যা নিয়ে আলোচনা হবে ইনশাআল্লাহ।

১. ইস্তিহাযা বা অনিয়মিত স্রাবের যাদু

২. স্ত্রীসহবাসে অক্ষম করার যাদু (এখানে সিরিয়াস আলোচনা হচ্ছে, কারো যদি পড়তে না মন চায় এখানেই বিদায় হন! ফালতু কমেন্ট বা হাহা রিয়েক্ট দিয়ে মেজাজ খারাপ করবেন না) ইস্তিহাযা বা অনিয়মিত স্রাব সমস্যা ইস্তিহাযা বা অনিয়মিত মাসিক স্রাব বলতে বুঝাচ্ছে রেগুলার মাসিক পিরিয়ডের বাহিরেও রক্ত ঝরতে থাকা। স্বাভাবিক পিরিয়ডের মেয়াদ সর্বনিম্ন ৩দিন থেকে সর্বোচ্চ ১০ দিন। এর ব্যতিক্রম যদি কারো হয়, যেমন: অনেকের সবসময়ই রক্ত ঝরতে থাকে, অথবা অনেকের মাসে ২০—২৫ দিন ধরে এই অবস্থা থাকে। এক্ষেত্রে বুঝতে হবে এটা হায়েয নয়, বরং ইস্তিহাযা। অথবা অসুখ। এব্যাপারে বিস্তারিত ফিকহি মাসায়েল এখানে আলোচনা করা সম্ভব না, আজ আমরা এর চিকিৎসা জানবো। এক মহিলা সাহাবির ইস্তিহাযার সমস্যা ছিল, তার ব্যাপারে রাসুল স. বলেছেন- এটা তো শয়তানের আঘাতের জন্য হয়েছে (তিরমিযি, আবু দাউদ) খেয়াল রাখা উচিত, সাধারণত ইস্তিহাযা মেডিকেলে চিকিৎসা করার মত কোনো কারণে হয়না। এটা হয়তো শয়তান রক্তের মাঝে দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে আঘাত দিয়েছে এজন্য হয়, অথবা কেউ যাদু করেছে এজন্য হয়। ইস্তিহাযার জন্য রুকইয়া প্রথমে রুকইয়ার আয়াত তিলাওয়াত করে দেখতে হবে আসলেই কেউ যাদু করেছে কি না। সেলফ রুকইয়ার ক্ষেত্রে আয়াতগুলো শুনবেন। এরপর “আয়াতুল কুরসি, সুরা আ’রাফ ১১৭-১২২, ইউনুস ৮১-৮২, সুরা ত্বহা ৬৯, ইখলাস, ফালাক্ব, নাস” পড়ে পানিতে ফুঁ দিয়ে কয়েকদিন খেতে হবে, আর গোসলের সময় ওই পানি মিশিয়ে গোসল করতে হবে। ইনশাআল্লাহ সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই ভালো হয়ে যাবে। পাশাপাশি কোনো ক্বারির সাধারণ রুকইয়া শুনতে পারে চাইলে। যদি কয়েক সপ্তাহ এমন করার পরেও ভালো না হয়, তবে সুরা আন’আম ৬৭ নং আয়াতের প্রথমাংশ  لِّـكُلِّ نَبَاٍ مُّسْتَقَرٌّ  ৭০ বার পড়ে পানিতে ফুঁ দিয়ে কয়েকদিন খেতে হবে। অনেক আলেম এক্ষেত্রে সাজেস্ট করেছেন- আয়াতটি পবিত্র কালি দিয়ে লিখে সেটা পানিতে গুলিয়ে নিতে, পরে ওই পানি কয়েকদিন খেতে।  

 

(এই পদ্ধতি জায়েজ হবার ব্যাপারে ইবনে তাইমিয়া রহ. এর ফাতওয়া আছে)

  সহবাসে অক্ষম করার যাদু এই সমস্যাটা কয়েক রকম হতে পারে, স্বামীস্ত্রী উভয়ের জন্যই হতে পারে। এই যাদুর প্রভাব কয়েক রকম হতে পারে-

১. ইন্টারকোর্সের সময় দুজনের কেউ অনুভূতিহীন হয়ে যায়

২. অথবা কেউ একজন অন্য কোনোভাবে বাধা দেয়, যার ওপর নিজেরই নিয়ন্ত্রণ থাকেনা

৩. ইন্টারকোর্সের সময় জরায়ু থেকে রক্ত বের হতে লাগে

৪. স্বামীর ক্ষেত্রে এমন হতে পারে, অন্যসময় স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু ওয়াইফের সাথে মিলনের সময় আর ইরেকশন হয়না।

লক্ষণীয়: এই যাদুর জন্য অনেকসময় পুরুষের স্বাভাবিক যৌনক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। তাই প্রয়োজনে রুকইয়ার পাশাপাশি ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।  

 

সহবাসে অক্ষম করার যাদুর জন্য রুকইয়া

  ১. প্রথমত রুকইয়া করে দেখতে হবে, যেহেতু এই যাদু অনেক সময় জ্বিনের সাহায্যে করা হয়, এজন্য রুকইয়া করতে গিয়ে রুগীর ওপর জ্বিন চলে আসলে জিজ্ঞেস করে নিবেন কোথায় যাদুর জিনিশগুলো আছে। এরপর জ্বিন সিরিজে বলা পদ্ধতিতে বিদায় করবেন।

২. সুরা ফাতিহা, সুরা আলাম নাশরাহ একবার, সুরা আ’রাফ ১১৭-১২২, ইউনুস ৮১-৮২, সুরা ত্বহা ৬৯ এই আয়াতগুলো তিনবার, সুরা ফালাক এবং সুরা নাস ৭বার করে পড়ে পানিতে ফু দিতে হবে। এরপর এই পানি এক সপ্তাহ খেতে হবে, আর এটা মিশিয়ে গোসল করতে হবে। ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবে।

৩. আর যাদুর কারণে যদি কারো যৌন সক্ষমতা নষ্ট হয় তবে এর চিকিৎসা হচ্ছে, ৭টা তাজা সবুজ বরইয়ের পাতা পাটায় পিষতে হবে, এরপর বালতিতে পানি নিয়ে সেখানে ওইটা গুলাতে হবে, আর এই আয়াতগুলো পড়ে বারবার ফুঁ দিতে হবে- আয়াতুল কুরসি ৭বার, সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস ৩বার করে। এরপর ওঁই পানি থেকে সামান্য খাবে, তারপর বাকিটা দিয়ে গোসল করবে। এই পানির সাথে অন্য পানি মিশাবে না, পানি গরমও করবে না। ইনশাআল্লাহ প্রথম গোসলেই যাদু নষ্ট হয়ে যাবে। তবুও পরামর্শ থাকবে তিনদিন এই নিয়মে গোসল করুন। বরই পাতা না পেলে, কর্পূরের পাতা অথবা নিম পাতা ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে বরইয়ের পাতাই প্রেফারড। (লক্ষণীয়: এই পদ্ধতির গোসল অন্যান্য যাদুর চিকিৎসাতেও খুব কার্যকরী)

 

কুরআন হাদিসের আলোকে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার (রুকইয়াহ) হাদিয়া।

  • ঢাকার মধ্যে রুকইয়ার হাদিয়া প্রতি রোগী প্রথমবার ৫০০০ টাকা, ২য়/তয় বার ৪০০০ টাকা, আর ঢাকার বাহিরে হলে প্রথমবার ১০,০০০ টাকা, ২য়/৩য়  বার  ৮০০০ টাকা ।
  • বি. দ্রঃ খুব বেশি দূরত্ব, অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বড় বেশি কঠিন রোগীর ক্ষেত্রে হাদিয়া আলোচনা সাপেক্ষে কম বেশি হতে পারে।
  • এই ইসলামিক চিকিৎসা পদ্ধতি দিয়ে আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে, কোরআন হাদিসের চিকিৎসা সমাজে কায়েম করানো, আল্লাহ্‌ আমাদের সবাইকে দীন-ইসলামের খাদেম হিসাবে কবুল করুন, আমীন, সুম্মা আমীন।

 

 

আইডিসির সাথে যোগ দিয়ে উভয় জাহানের জন্য ভালো কিছু করুন!

 

আইডিসি এবং আইডিসি ফাউন্ডেশনের ব্যপারে  জানতে  লিংক০১ ও লিংক০২ ভিজিট করুন।

আইডিসি  মাদরাসার ব্যপারে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

আপনি আইডিসি  মাদরাসার একজন স্থায়ী সদস্য /পার্টনার হতে চাইলে এই লিংক দেখুন.

আইডিসি এতীমখানা ও গোরাবা ফান্ডে দান করে  দুনিয়া এবং আখিরাতে সফলতা অর্জন করুন।

কুরআন হাদিসের আলোকে বিভিন্ন কঠিন রোগের চিকিৎসা করাতেআইডিসি ‘র সাথে যোগাযোগ করুন।

ইসলামিক বিষয়ে জানতে এবং জানাতে এই গ্রুপে জয়েন করুন।

 

 

Islami Dawah Center Cover photo

 

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টারকে সচল রাখতে সাহায্য করুন!

 

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার ১টি অলাভজনক দাওয়াহ প্রতিষ্ঠান, এই প্রতিষ্ঠানের ইসলামিক ব্লগটি বর্তমানে ২০,০০০+ মানুষ প্রতিমাসে পড়ে, দিন দিন আরো অনেক বেশি বেড়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

বর্তমানে মাদরাসা এবং ব্লগ প্রজেক্টের বিভিন্ন খাতে (ওয়েবসাইট হোস্টিং, CDN,কনটেন্ট রাইটিং, প্রুফ রিডিং, ব্লগ পোস্টিং, ডিজাইন এবং মার্কেটিং) মাসে গড়ে ৫০,০০০+ টাকা খরচ হয়, যা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। সেকারনে, এই বিশাল ধর্মীয় কাজকে সামনে এগিয়ে নিতে সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে আপনাদের দোয়া এবং আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন, এমন কিছু ভাই ও বোন ( ৩১৩ জন ) দরকার, যারা আইডিসিকে নির্দিষ্ট অংকের সাহায্য করবেন, তাহলে এই পথ চলা অনেক সহজ হয়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

যারা এককালিন, মাসিক অথবা বাৎসরিক সাহায্য করবেন, তারা আইডিসির মুল টিমের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন, ইংশাআল্লাহ।

আইডিসির ঠিকানাঃ খঃ ৬৫/৫, শাহজাদপুর, গুলশান, ঢাকা -১২১২, মোবাইলঃ +88 01609 820 094, +88 01716 988 953 ( নগদ/বিকাশ পার্সোনাল )

ইমেলঃ info@islamidawahcenter.com, info@idcmadrasah.com, ওয়েব: www.islamidawahcenter.com, www.idcmadrasah.com সার্বিক তত্ত্বাবধানেঃ হাঃ মুফতি মাহবুব ওসমানী ( এম. এ. ইন ইংলিশ, ফার্স্ট ক্লাস )