Surah Yasin সূরা ইয়াসিন ও সূরা ইয়াসিনের ফজিলত

 

 

Sura-Yasin

 

36) সূরা ইয়াসীন – Surah Ya-Sin (মক্কায় অবতীর্ণ – Ayah 83)

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

 

(1 ) يس ইয়া-সীন Ya Sin.

(  يسٓ ইয়া-সীন। Ya Sin ) 

 

(2)  وَالْقُرْآنِ الْحَكِيمِ প্রজ্ঞাময় কোরআনের কসম। By the Qur’an, full of Wisdom,-

(  وَٱلْقُرْءَانِ শপথ কুরআনের (যা) By the Quran,  ٱلْحَكِيمِ জ্ঞানময় (বিজ্ঞানময়)। the Wise ) 

 

(3)  إِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ নিশ্চয় আপনি প্রেরিত রসূলগণের একজন। Thou art indeed one of the apostles,

(  إِنَّكَ তুমি নিশ্চয়ই Indeed you,  لَمِنَ অন্তর্ভুক্ত অবশ্যই (are) among,  ٱلْمُرْسَلِينَ রাসূলদের। the Messengers )

 

(4)  عَلَى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ সরল পথে প্রতিষ্ঠিত। On a Straight Way.

(  عَلَىٰ (তুমি প্রতিষ্ঠিত) উপর On,  صِرَٰطٍ পথের a Path,  مُّسْتَقِيمٍ সরল সঠিক straight ) 

 

(5)  تَنزِيلَ الْعَزِيزِ الرَّحِيمِ  কোরআন পরাক্রমশালী পরম দয়ালু আল্লাহর তরফ থেকে অবতীর্ণ, It is a Revelation sent down by (Him), the Exalted in Might, Most Merciful.

(  تَنزِيلَ (এই কোরআন) অবতীর্ণ করা A revelation,  ٱلْعَزِيزِ পরাক্রমশালীর (পক্ষ হ’তে) (of) the All-Mighty,  ٱلرَّحِيمِ (যিনি) পরম দয়ালু the Most Merciful ) 

 

(6)  لِتُنذِرَ قَوْمًا مَّا أُنذِرَ آبَاؤُهُمْ فَهُمْ غَافِلُونَ  যাতে আপনি এমন এক জাতিকে সতর্ক করেন, যাদের পূর্ব পুরুষগণকেও সতর্ক করা হয়নি। ফলে তারা গাফেল। In order that thou mayest admonish a people, whose fathers had received no admonition, and who therefore remain heedless (of the Signs of Allah.

( لِتُنذِرَ সতর্ক করো তুমি যেন That you may warn,  قَوْمًا (এমন) জাতিকে a people,  مَّآ না not,  أُنذِرَ সতর্ক করা হয়েছে were warned,  ءَابَآؤُهُمْ তাদের পিতৃ-পুরুষদেরকে their forefathers,  فَهُمْ অতএব তারা so they,  غَٰفِلُونَ উদাসীন (হয়ে আছে) (are) heedless )

 

(7)  لَقَدْ حَقَّ الْقَوْلُ عَلَى أَكْثَرِهِمْ فَهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ তাদের অধিকাংশের জন্যে শাস্তির বিষয় অবধারিত হয়েছে। সুতরাং তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না।The Word is proved true against the greater part of them: for they do not believe.

(  لَقَدْ নিশ্চয়ই Certainly,  حَقَّ অবধারিত হয়েছে (has) proved true,  ٱلْقَوْلُ (শান্তির) বাণী the word,  عَلَىٰٓ উপর upon,  أَكْثَرِهِمْ তাদের অধিক অংশের most of them,  فَهُمْ সুতরাং তারা so they, لَا না (do) not, يُؤْمِنُونَ ঈমান আনবে believe ) 

 

(8)  إِنَّا جَعَلْنَا فِي أَعْنَاقِهِمْ أَغْلاَلاً فَهِيَ إِلَى الأَذْقَانِ فَهُم مُّقْمَحُونَ আমি তাদের গর্দানে চিবুক (থুতনি) পর্যন্ত বেড়ী পরিয়েছি। ফলে তাদের মস্তক উর্দ্ধমুখী হয়ে গেছে। We have put yokes round their necks right up to their chins, so that their heads are forced up (and they cannot see).

(  إِنَّا নিশ্চয়ই আমরা Indeed We,  جَعَلْنَا আমরা লাগিয়েছি [We] have placed,  فِىٓ উপর on,  أَعْنَٰقِهِمْ তাদের গলায় their necks,  أَغْلَٰلًا বেড়িসমূহ iron collars,  فَهِىَ তা তাই and they,  إِلَى (রয়েছে) পর্যন্ত (are up)to,  ٱلْأَذْقَانِ চিবুক(থুতনি)গুলো (শৃঙ্খলিত হয়ে) the chins,  فَهُم তারা এজন্য so they,  مُّقْمَحُونَ ঊর্ধ্বমুখী (হয়ে আছে) (are with) heads aloft ) 

 

(9)  وَجَعَلْنَا مِن بَيْنِ أَيْدِيهِمْ سَدًّا وَمِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّا فَأَغْشَيْنَاهُمْ فَهُمْ لاَ يُبْصِرُونَ আমি তাদের সামনে ও পিছনে প্রাচীর স্থাপন করেছি, অতঃপর তাদেরকে আবৃত করে দিয়েছি, ফলে তারা দেখে না। And We have put a bar in front of them and a bar behind them, and further, We have covered them up; so that they cannot see.

(  وَجَعَلْنَا এবং আমরা খাড়া করেছি And We have made,  مِنۢ থেকে before them,  بَيْنِ সামনে before them,  أَيْدِيهِمْ তাদের before them, سَدًّا প্রাচীর  a barrier, وَمِنْ ও থেকে  and behind them, خَلْفِهِمْ তাদের পিছন and behind them,  سَدًّا প্রাচীর a barrier,  فَأَغْشَيْنَٰهُمْ তাদেরকে আমরা এভাবে ঢেকে দিয়েছি and We covered them,  فَهُمْ তারা অতএব so they,  لَا না (do) not,  يُبْصِرُونَ দেখতে পায় see )

 

(10)  وَسَوَاء عَلَيْهِمْ أَأَنذَرْتَهُمْ أَمْ لَمْ تُنذِرْهُمْ لاَ يُؤْمِنُونَ আপনি তাদেরকে সতর্ক করুন বা না করুন, তাদের পক্ষে দুয়েই সমান; তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না। The same is it to them whether thou admonish them or thou do not admonish them: they will not believe.

(  وَسَوَآءٌ এবং সমান And it (is) same,  عَلَيْهِمْ তাদের পক্ষে to them,  ءَأَنذَرْتَهُمْ আপনি তাদেরকে সতর্ক করুন কি whether you warn them,  أَمْ বা or,  لَمْ নি (do) not,  تُنذِرْهُمْ তাদেরকে সতর্ক করুন আপনি warn them,  لَا না not,  يُؤْمِنُونَ তারা ঈমান আনবে they will believe ) 

 

(11)  إِنَّمَا تُنذِرُ مَنِ اتَّبَعَ الذِّكْرَ وَخَشِيَ الرَّحْمَن بِالْغَيْبِ فَبَشِّرْهُ بِمَغْفِرَةٍ وَأَجْرٍ كَرِيمٍ আপনি কেবল তাদেরকেই সতর্ক করতে পারেন, যারা উপদেশ অনুসরণ করে এবং দয়াময় আল্লাহকে না দেখে ভয় করে। অতএব আপনি তাদেরকে সুসংবাদ দিয়ে দিন ক্ষমা ও সম্মানজনক পুরস্কারের। Thou canst but admonish such a one as follows the Message and fears the (Lord) Most Gracious, unseen: give such a one, therefore, good tidings, of Forgiveness and a Reward most generous.

(  إِنَّمَا প্রকৃতপক্ষে Only,  تُنذِرُ সতর্ক করো তুমি you (can) warn, مَنِ (তাকে) যে (him) who,  ٱتَّبَعَ মেনে চলে follows,  ٱلذِّكْرَ উপদেশ the Reminder, وَخَشِىَ ও ভয় করে and fears,  ٱلرَّحْمَٰنَ দয়াময়কে the Most Gracious, بِٱلْغَيْبِ না দেখা অবস্থায় in the unseen,  فَبَشِّرْهُ তাকে সুতরাং দাও সুসংবাদ So give him glad tidings,  بِمَغْفِرَةٍ ক্ষমার of forgiveness,  وَأَجْرٍ ও প্রতিফলের and a reward,  كَرِيمٍ সম্মানজনক noble ) 

 

(12)  إِنَّا نَحْنُ نُحْيِي الْمَوْتَى وَنَكْتُبُ مَا قَدَّمُوا وَآثَارَهُمْ وَكُلَّ شَيْءٍ أحْصَيْنَاهُ فِي إِمَامٍ مُبِينٍ আমিই মৃতদেরকে জীবিত করি এবং তাদের কর্ম ও কীর্তিসমূহ লিপিবদ্ধ করি। আমি প্রত্যেক বস্তু স্পষ্ট কিতাবে সংরক্ষিত রেখেছি। Verily We shall give life to the dead, and We record that which they send before and that which they leave behind, and of all things have We taken account in a clear Book (of evidence).

(  إِنَّا নিশ্চয়ই Indeed We, نَحْنُ আমরা We,  نُحْىِ জীবিত করবো (একদিন) [We] give life, ٱلْمَوْتَىٰ মৃতদেরকে (to) the dead, وَنَكْتُبُ এবং আমরা লিখে রাখি and We record,  مَا যা what,  قَدَّمُوا۟ তারা আগে পাঠিয়েছে they have sent before, وَءَاثَٰرَهُمْ ও তাদের কীর্তিসমূহ (যা পিছনে রেখেছে) and their footprints, وَكُلَّ এবং প্রত্যেক and every, شَىْءٍ জিনিস thing, أَحْصَيْنَٰهُ তা আমরা সংরক্ষণ করেছি We have enumerated it, فِىٓ মধ্যে in, إِمَامٍ একটি কিতাবের a Register, مُّبِينٍ সুস্পষ্ট clear 

 

(13)  وَاضْرِبْ لَهُم مَّثَلاً أَصْحَابَ الْقَرْيَةِ إِذْ جَاءهَا الْمُرْسَلُونَ  আপনি তাদের কাছে সে জনপদের অধিবাসীদের দৃষ্টান্ত বর্ণনা করুন, যখন সেখানে রসূল আগমন করেছিলেন। Set forth to them, by way of a parable, the (story of) the Companions of the City. Behold!, there came apostles to it.

( وَٱضْرِبْ এবং বর্ণনা করো And set forth, لَهُم তাদের কাছে to them,  مَّثَلًا দৃষ্টান্ত an example,  أَصْحَٰبَ অধিবাসীদেরকে (of the) companions ٱلْقَرْيَةِ জনপদের (of) the city,  إِذْ যখন when,  جَآءَهَا সেখানে এসেছিলো came to it,  ٱلْمُرْسَلُونَ রাসূলগণ the Messengers, )

 

(14)  إِذْ أَرْسَلْنَا إِلَيْهِمُ اثْنَيْنِ فَكَذَّبُوهُمَا فَعَزَّزْنَا بِثَالِثٍ فَقَالُوا إِنَّا إِلَيْكُم مُّرْسَلُونَ আমি তাদের নিকট দুজন রসূল প্রেরণ করেছিলাম, অতঃপর ওরা তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। তখন আমি তাদেরকে শক্তিশালী করলাম তৃতীয় একজনের মাধ্যমে। তারা সবাই বলল, আমরা তোমাদের প্রতি প্রেরিত হয়েছি। When We (first) sent to them two apostles, they rejected them: But We strengthened them with a third: they said, “Truly, we have been sent on a mission to you.”

(  إِذْ যখন When,  أَرْسَلْنَآ আমরা পাঠিয়েছিলাম We sent,  إِلَيْهِمُ তাদের প্রতি to them,  ٱثْنَيْنِ দু’জনকে two (Messengers),  فَكَذَّبُوهُمَا তখন উভয়কে তারা মিথ্যারোপ করলো but they denied both of them,  فَعَزَّزْنَا আমি শক্তিশালী করলাম তখন so We strengthened them, بِثَالِثٍ তৃতীয়জনকে দিয়ে with a third,  فَقَالُوٓا۟ তারা অতঃপর বললো and they said,  إِنَّآ “নিশ্চয়ই আমরা “Indeed We,  إِلَيْكُم তোমাদের প্রতি to you,  مُّرْسَلُونَ প্রেরিত রাসূল (are) Messengers” )

 

(15)  قَالُوا مَا أَنتُمْ إِلاَّ بَشَرٌ مِّثْلُنَا وَمَا أَنزَلَ الرَّحْمن مِن شَيْءٍ إِنْ أَنتُمْ إِلاَّ تَكْذِبُونَ তারা বলল, তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ, রহমান আল্লাহ কিছুই নাযিল করেননি। তোমরা কেবল মিথ্যাই বলে যাচ্ছ। The (people) said: “Ye are only men like ourselves; and ((Allah)) Most Gracious sends no sort of revelation: ye do nothing but lie.”

(  قَالُوا۟ (লোকেরা) বললো  They said,  مَآ “না “Not,  أَنتُمْ তোমরা you,  إِلَّا এছাড়া (are) but,  بَشَرٌ মানুষ human beings,  مِّثْلُنَا আমাদেরই মতো like us,  وَمَآ না এবং and not,  أَنزَلَ অবতীর্ণ করেছেন has revealed,  ٱلرَّحْمَٰنُ দয়াময় the Most Gracious,  مِن কোনো any,  شَىْءٍ কিছুই thing,  إِنْ না Not, أَنتُمْ তোমরা you, إِلَّا এছাড়া (are) but, تَكْذِبُونَ মিথ্যা বলছো” lying” ) 

 

(16)  قَالُوا رَبُّنَا يَعْلَمُ إِنَّا إِلَيْكُمْ لَمُرْسَلُونَ রাসূলগণ বলল, আমাদের পরওয়ারদেগার জানেন, আমরা অবশ্যই তোমাদের প্রতি প্রেরিত হয়েছি। They said: “Our Lord doth know that we have been sent on a mission to you:

(  قَالُوا۟ (রাসূলগণ) বললেন They said,  رَبُّنَا “আমাদের রব “Our Lord,  يَعْلَمُ জানেন knows,  إِنَّآ নিশ্চযই় আমরা that we, إِلَيْكُمْ তোমাদের প্রতি to you,  لَمُرْسَلُونَ প্রেরিত অবশ্যই (রাসূল হিসেবে) (are) surely Messengers ) 

 

(17 ) وَمَا عَلَيْنَا إِلاَّ الْبَلاَغُ الْمُبِينُ পরিস্কারভাবে আল্লাহর বাণী পৌছে দেয়াই আমাদের দায়িত্ব। “And our duty is only to proclaim the clear Message.”

(  وَمَا এবং না And not,  عَلَيْنَآ আমাদের উপর (দায়িত্ব) (is) on us,  إِلَّا এ ব্যতীত except,  ٱلْبَلَٰغُ প্রচার the conveyance,  ٱلْمُبِينُ সুস্পষ্ট (পয়গাম)” clear”)

 

(18)  قَالُوا إِنَّا تَطَيَّرْنَا بِكُمْ لَئِن لَّمْ تَنتَهُوا لَنَرْجُمَنَّكُمْ وَلَيَمَسَّنَّكُم مِّنَّا عَذَابٌ أَلِيمٌ তারা বলল, আমরা তোমাদেরকে অশুভ-অকল্যাণকর দেখছি। যদি তোমরা বিরত না হও, তবে অবশ্যই তোমাদেরকে প্রস্তর বর্ষণে হত্যা করব এবং আমাদের পক্ষ থেকে তোমাদেরকে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি স্পর্শ করবে। The (people) said: “for us, we augur an evil omen from you: if ye desist not, we will certainly stone you. And a grievous punishment indeed will be inflicted on you by us.”

(  قَالُوٓا۟ তারা বললো They said,  إِنَّا “নিশ্চযই় আমরা “Indeed we, تَطَيَّرْنَا আমরা অমঙ্গল মনে করি [we] see an evil omen,  بِكُمْ তোমাদেরকে from you,  لَئِن অবশ্যই যদি If, لَّمْ না not,  تَنتَهُوا۟ তোমরা বিরত হও you desist,  لَنَرْجُمَنَّكُمْ তোমাদেরকে আমরা পাথর মেরে হত্যা করবোই surely we will stone you,  وَلَيَمَسَّنَّكُم এবং তোমাদেরকে ধরবে অবশ্যই and surely will touch you,  مِّنَّا আমাদের পক্ষ হ’তে from us,  عَذَابٌ শাস্তি a punishment,  أَلِيمٌ নিদারুণ” painful”) 

 

(19)  قَالُوا طَائِرُكُمْ مَعَكُمْ أَئِن ذُكِّرْتُم بَلْ أَنتُمْ قَوْمٌ مُّسْرِفُونَ রসূলগণ বলল, তোমাদের অকল্যাণ তোমাদের সাথেই! এটা কি এজন্যে যে, আমরা তোমাদেরকে সদুপদেশ দিয়েছি? বস্তুতঃ তোমরা সীমা লংঘনকারী সম্প্রদায় বৈ নও। They said: “Your evil omens are with yourselves: (deem ye this an evil omen). If ye are admonished? Nay, but ye are a people transgressing all bounds!

(  قَالُوا۟ (রাসূলগণ) বললেন They said,  طَٰٓئِرُكُم “তোমাদের অমঙ্গলের (কারণ) “Your evil omen,  مَّعَكُمْ তোমাদের সাথে (be) with you!,  أَئِن (এসব বলছো) কি Is it because, ذُكِّرْتُم তোমাদের উপদেশ দেওয়া হয়েছে you are admonished?,  بَلْ বরং Nay,  أَنتُمْ তোমরা you,  قَوْمٌ সম্প্রদায় (are) a people,  مُّسْرِفُونَ সীমালঙ্ঘনকারী” transgressing” ) 

 

(20)  وَجَاء مِنْ أَقْصَى الْمَدِينَةِ رَجُلٌ يَسْعَى قَالَ يَا قَوْمِ اتَّبِعُوا الْمُرْسَلِينَ অতঃপর শহরের প্রান্তভাগ থেকে এক ব্যক্তি দৌড়ে এল। সে বলল, হে আমার সম্প্রদায় তোমরা রসূলগণের অনুসরণ কর। Then there came running, from the farthest part of the City, a man, saying, “O my people! Obey the apostles:

(  وَجَآءَ এ অবস্থায় আসলো And came, مِنْ হ’তে from,  أَقْصَا এক প্রান্ত (the) farthest end,  ٱلْمَدِينَةِ শহরের (of) the city,  رَجُلٌ এক ব্যক্তি a man,  يَسْعَىٰ দৌঁড়ে running,  قَالَ সে বললো He said,  يَٰقَوْمِ “হে আমার জাতি “O my People!,  ٱتَّبِعُوا۟ তোমরা অনুসরণ করো Follow,  ٱلْمُرْسَلِينَ  রাসূলগণকে the Messengers ) 

 

(21)  اتَّبِعُوا مَن لاَّ يَسْأَلُكُمْ أَجْرًا وَهُم مُّهْتَدُونَ অনুসরণ কর তাদের, যারা তোমাদের কাছে কোন বিনিময় কামনা করে না, অথচ তারা সুপথ প্রাপ্ত। “Obey those who ask no reward of you (for themselves), and who have themselves received Guidance.

(  ٱتَّبِعُوا۟ তোমরা অনুসরণ করো Follow,  مَن (তার) যে (those) who,  لَّا না (do) not, يَسْـَٔلُكُمْ তোমাদের কাছে চায় ask (of) you, أَجْرًا কোনো বিনিময় any payment,  وَهُم এবং তারা and they,  مُّهْتَدُونَ সৎপথপ্রাপ্ত (are) rightly guided ) 

 

(22)  وَمَا لِي لاَ أَعْبُدُ الَّذِي فَطَرَنِي وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ আমার কি হল যে, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যার কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে, আমি তাঁর এবাদত করব না? “It would not be reasonable in me if I did not serve Him Who created me, and to Whom ye shall (all) be brought back.

(  وَمَا এবং কি And what,  لِىَ আমার জন্য (যুক্তি আছে যে) (is) for me,  لَآ না (that) not,  أَعْبُدُ ইবাদত করবো আমি I worship,  ٱلَّذِى (তাঁর) যিনি the One Who,  فَطَرَنِى আমাকে সৃষ্টি করেছেন created me,  وَإِلَيْهِ  ও তাঁরই দিকে  and to Whom,  تُرْجَعُونَ তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবে you will be returned? ) 

 

(23)  أَأَتَّخِذُ مِن دُونِهِ آلِهَةً إِن يُرِدْنِ الرَّحْمَن بِضُرٍّ لاَّ تُغْنِ عَنِّي شَفَاعَتُهُمْ شَيْئًا وَلاَ يُنقِذُونِ আমি কি তাঁর পরিবর্তে অন্যান্যদেরকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করব? করুণাময় যদি আমাকে কষ্টে নিপতিত করতে চান, তবে তাদের সুপারিশ আমার কোনই কাজে আসবে না এবং তারা আমাকে রক্ষাও করতে পারবে না। “Shall I take (other) gods besides Him? If ((Allah)) Most Gracious should intend some adversity for me, of no use whatever will be their intercession for me, nor can they deliver me.

(  ءَأَتَّخِذُ গ্রহণ করবো আমি কি Should I take,  مِن ছাড়া besides Him,  دُونِهِۦٓ তাঁকে besides Him,  ءَالِهَةً উপাস্য (অন্য কাউকে) gods?,  إِن (অথচ) যদি If,  يُرِدْنِ আমাকে চান intends for me,  ٱلرَّحْمَٰنُ দয়াময় the Most Gracious, بِضُرٍّ কোনো ক্ষতি করতে any harm,  لَّا না not, تُغْنِ কাজে আসবে will avail,  عَنِّى আমার জন্যে [from] me,  شَفَٰعَتُهُمْ তাদের সুপারিশ their intercession,  شَيْـًٔا কিছু মাত্র (in) anything,  وَلَا আর না and not,  يُنقِذُونِ আমাকে তারা উদ্ধার করতে পারবে they (can) save me )

 

(24) إِنِّي إِذًا لَّفِي ضَلاَلٍ مُّبِينٍ এরূপ করলে আমি প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় পতিত হব। “I would indeed, if I were to do so, be in manifest Error

(  إِنِّىٓ নিশ্চয়ই আমি Indeed I,  إِذًا তাহ’লে then,  لَّفِى অবশ্যই মধ্যে হব surely would be in,  ضَلَٰلٍ বিভ্রান্তির an error,  مُّبِينٍ সুস্পষ্ট clear ) 

 

(25)  إِنِّي آمَنتُ بِرَبِّكُمْ فَاسْمَعُونِ আমি নিশ্চিতভাবে তোমাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম। অতএব আমার কাছ থেকে শুনে নাও। “For me, I have faith in the Lord of you (all): listen, then, to me!”

(  إِنِّىٓ নিশ্চযই় আমি Indeed I,  ءَامَنتُ আমি ঈমান এনেছি [I] have believed,  بِرَبِّكُمْ প্রতি তোমাদের রবের in your Lord,  فَٱسْمَعُونِ সুতরা তোমরা আমার কথা শোনো (ও মানো)” so listen to me” ) 

 

(26)  قِيلَ ادْخُلِ الْجَنَّةَ قَالَ يَا لَيْتَ قَوْمِي يَعْلَمُونَ তাকে বলা হল, জান্নাতে প্রবেশ কর। সে বলল হায়, আমার সম্প্রদায় যদি কোন ক্রমে জানতে পারত- It was said: “Enter thou the Garden.” He said: “Ah me! Would that my People knew (what I know)!-

(  قِيلَ (তাকে তারা হত্যা করলো এবং তাকে) বলা হলো It was said,  ٱدْخُلِ “প্রবেশ করো “Enter,  ٱلْجَنَّةَ জান্নাতে” Paradise”,  قَالَ সে বললো He said, يَٰلَيْتَ “হায় আফসোস্‌ “O would that!,  قَوْمِى আমার জাতি My people,  يَعْلَمُونَ (যদি) জানতো knew ) 

 

(27)  بِمَا غَفَرَ لِي رَبِّي وَجَعَلَنِي مِنَ الْمُكْرَمِينَ  যে আমার পরওয়ারদেগার আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং আমাকে সম্মানিতদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। “For that my Lord has granted me Forgiveness and has enrolled me among those held in honour!”

(  بِمَا যে কারণে Of how,  غَفَرَ ক্ষমা করেছেন has forgiven,  لِى আমাকে me,  رَبِّى আমার রব্‌ my Lord,  وَجَعَلَنِى ও আমাকে করেছেন and placed me,  مِنَ অন্তর্ভুক্ত among,  ٱلْمُكْرَمِينَ সম্মানিতদের” the honored ones” ) 

 

(28)  وَمَا أَنزَلْنَا عَلَى قَوْمِهِ مِن بَعْدِهِ مِنْ جُندٍ مِّنَ السَّمَاء وَمَا كُنَّا مُنزِلِينَ তারপর আমি তার সম্প্রদায়ের উপর আকাশ থেকে কোন বাহিনী অবতীর্ণ করিনি এবং আমি (বাহিনী) অবতরণকারীও না। And We sent not down against his People, after him, any hosts from heaven, nor was it needful for Us so to do.

(  وَمَآ এবং না And not,  أَنزَلْنَا আমরা অবতীর্ণ করেছি We sent down,  عَلَىٰ বিরুদ্ধে upon,  قَوْمِهِۦ তার জাতির his people,  مِنۢ পরে  after him,  بَعْدِهِۦ তার after him,  مِن কোনো any,  جُندٍ সৈন্য host,  مِّنَ থেকে from,  ٱلسَّمَآءِ আকাশ the heaven,  وَمَا আর না and not,  كُنَّا আমরা ছিলাম were We,  مُنزِلِينَ অবতীর্ণকারী (to) send down ) 

 

(29)  إِن كَانَتْ إِلاَّ صَيْحَةً وَاحِدَةً فَإِذَا هُمْ خَامِدُونَ বস্তুতঃ এ ছিল এক মহানাদ। অতঃপর সঙ্গে সঙ্গে সবাই স্তদ্ধ হয়ে গেল। It was no more than a single mighty Blast, and behold! they were (like ashes) quenched and silent.

(  إِن না Not, كَانَتْ ছিলো it was,  إِلَّا এছাড়া but,  صَيْحَةً মহাগর্জন a shout,  وَٰحِدَةً একটি মাত্র one,  فَإِذَا তখন then behold!,  هُمْ

তারা They,  خَٰمِدُونَ নিথর নিস্তব্ধ হয়ে গেলো (were) extinguished ) 

 

(30)  يَا حَسْرَةً عَلَى الْعِبَادِ مَا يَأْتِيهِم مِّن رَّسُولٍ إِلاَّ كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِؤُون বান্দাদের জন্যে আক্ষেপ যে, তাদের কাছে এমন কোন রসূলই আগমন করেনি যাদের প্রতি তারা বিদ্রুপ করে না। Ah! Alas for (My Servants! There comes not an apostle to them but they mock him!

(  يَٰحَسْرَةً হায় পরিতাপ Alas,  عَلَى জন্য for,  ٱلْعِبَادِ দাসদের the servants!,  مَا না Not,  يَأْتِيهِم তাদেরর কাছে এসেছে came to them,  مِّن (এমন) কোন any, رَّسُولٍ রাসূল Messenger,  إِلَّا এ ব্যতীত যে but,  كَانُوا۟ তারা ছিলো they did,  بِهِۦ তাঁর সাথে mock at him,  يَسْتَهْزِءُونَ ঠাট্টা বিদ্রূপ করতো mock at him ) 

 

(31)  أَلَمْ يَرَوْا كَمْ أَهْلَكْنَا قَبْلَهُم مِّنْ الْقُرُونِ أَنَّهُمْ إِلَيْهِمْ لاَ يَرْجِعُونَ তারা কি প্রত্যক্ষ করে না, তাদের পূর্বে আমি কত সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছি যে, তারা তাদের মধ্যে আর ফিরে আসবে না। See they not how many generations before them we destroyed? Not to them will they return:

(  أَلَمْ দেখে নি কি Do not,  يَرَوْا۟ তারা they see,  كَمْ  কত (জাতিকে) how many,  أَهْلَكْنَا আমরা ধ্বংস করেছি We destroyed,  قَبْلَهُم তাদের পূর্বে before them,  مِّنَ মধ্য হ’তে of,  ٱلْقُرُونِ মানবগোষ্ঠীর the generations?, أَنَّهُمْ তারা যে That they,  إِلَيْهِمْ তাদের মধ্যে to them,  لَا না will not return,  يَرْجِعُونَ ফিরে আসবে will not return ) 

 

(32)  وَإِن كُلٌّ لَّمَّا جَمِيعٌ لَّدَيْنَا مُحْضَرُونَ ওদের সবাইকে সমবেত অবস্থায় আমার দরবারে উপস্থিত হতেই হবে। But each one of them all – will be brought before Us (for judgment).

(  وَإِن এবং নি And surely,  كُلٌّ কেউ (এমন) all,  لَّمَّا এছাড়া then,  جَمِيعٌ সকলকেই together,  لَّدَيْنَا আমাদের কাছে before Us,  مُحْضَرُونَ উপস্থিত করা হবে (will be) brought ) 

 

(33)  وَآيَةٌ لَّهُمُ الْأَرْضُ الْمَيْتَةُ أَحْيَيْنَاهَا وَأَخْرَجْنَا مِنْهَا حَبًّا فَمِنْهُ يَأْكُلُونَ তাদের জন্যে একটি নিদর্শন মৃত পৃথিবী। আমি একে সঞ্জীবিত করি এবং তা থেকে উৎপন্ন করি শস্য, তারা তা থেকে ভক্ষণ করে। A Sign for them is the earth that is dead: We do give it life, and produce grain therefrom, of which ye do eat.

(  وَءَايَةٌ এবং (অন্যতম) নিদর্শন And a Sign,  لَّهُمُ তাদের জন্য (রয়েছে) for them,  ٱلْأَرْضُ মাটি (is) the earth,  ٱلْمَيْتَةُ নিষ্প্রাণ dead,  أَحْيَيْنَٰهَا তাকে আমরা জীবিত করি We give it life,  وَأَخْرَجْنَا ও আমরা উৎপন্ন করি and We bring forth, مِنْهَا তা থেকে from it,  حَبًّا শস্যদানা grain,  فَمِنْهُ অতঃপর তা থেকে and from it, يَأْكُلُونَ তারা খায় they eat ) 

 

(34)  وَجَعَلْنَا فِيهَا جَنَّاتٍ مِن نَّخِيلٍ وَأَعْنَابٍ وَفَجَّرْنَا فِيهَا مِنْ الْعُيُونِ আমি তাতে সৃষ্টি করি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান এবং প্রবাহিত করি তাতে নির্ঝরিণী। And We produce therein orchard with date-palms and vines, and We cause springs to gush forth therein:

(  وَجَعَلْنَا এবং আমরা বানিয়েছি And We placed,  فِيهَا তার মধ্যে therein,  جَنَّٰتٍ বাগানসমূহ gardens,  مِّن থেকে of,  نَّخِيلٍ খেজুরের date-palms,  وَأَعْنَٰبٍ ও আঙ্গুরের and grapevines,  وَفَجَّرْنَا এবং আমরা বইয়ে দিয়েছি and We caused to gush forth,  فِيهَا তার মধ্যে in it,  مِنَ মধ্য হতে of,  ٱلْعُيُونِ ঝর্ণা সমূহ the springs ) 

 

(35)  لِيَأْكُلُوا مِن ثَمَرِهِ وَمَا عَمِلَتْهُ أَيْدِيهِمْ أَفَلَا يَشْكُرُونَ যাতে তারা তার ফল খায়। তাদের হাত একে সৃষ্টি করে না। অতঃপর তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না কেন? That they may enjoy the fruits of this (artistry): It was not their hands that made this: will they not then give thanks?

(  لِيَأْكُلُوا۟ তারা খেতে পারে যেন That they may eat,  مِن থেকে of,  ثَمَرِهِۦ তার ফলমূল its fruit,  وَمَا অথচ নি And not,  عَمِلَتْهُ তা সৃষ্টি করেছে made it,  أَيْدِيهِمْ তাদের হাতগুলো their hands,  أَفَلَا  তবুও কি না So will not,  يَشْكُرُونَ  তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে  they be grateful? )

 

(36)  سُبْحَانَ الَّذِي خَلَقَ الْأَزْوَاجَ كُلَّهَا مِمَّا تُنبِتُ الْأَرْضُ وَمِنْ أَنفُسِهِمْ وَمِمَّا لَا يَعْلَمُونَ পবিত্র তিনি যিনি যমীন থেকে উৎপন্ন উদ্ভিদকে, তাদেরই মানুষকে এবং যা তারা জানে না, তার প্রত্যেককে জোড়া জোড়া করে সৃষ্টি করেছেন। Glory to Allah, Who created in pairs all things that the earth produces, as well as their own (human) kind and (other things of which they have no knowledge.

(  سُبْحَٰنَ (আল্লাহ) মহান পবিত্র Glory be,  ٱلَّذِى যিনি (to) the One Who,  خَلَقَ সৃষ্টি করেছেন created,  ٱلْأَزْوَٰجَ জোড়া জোড়া (in) pairs,  كُلَّهَا সব কিছুকেই all,  مِمَّا তা হ’তে যা of what,  تُنۢبِتُ উৎপন্ন করে grows,  ٱلْأَرْضُ ভূমি the earth,  وَمِنْ এবং মধ্য হ’তে and of,  أَنفُسِهِمْ তাদের নিজেদের (মানব জাতিরও) themselves,  وَمِمَّا এবং তাহ’তেও যা and of what,  لَا না not,  يَعْلَمُونَ (এখনও) তারা জানে they know ) 

 

(37)  وَآيَةٌ لَّهُمْ اللَّيْلُ نَسْلَخُ مِنْهُ النَّهَارَ فَإِذَا هُم مُّظْلِمُونَ তাদের জন্যে এক নিদর্শন রাত্রি, আমি তা থেকে দিনকে অপসারিত করি, তখনই তারা অন্ধকারে থেকে যায়। And a Sign for them is the Night: We withdraw therefrom the Day, and behold they are plunged in darkness;

(  وَءَايَةٌ এবং (আরো) একটি নিদর্শন And a Sign,  لَّهُمُ তাদের জন্যে for them,  ٱلَّيْلُ রাত (is) the night,  نَسْلَخُ সরিয়ে দিই আমরা We withdraw,  مِنْهُ তা থেকে from it,  ٱلنَّهَارَ দিনকে the day,  فَإِذَا অতঃপর তখন Then behold!,  هُم তারা They,  مُّظْلِمُونَ অন্ধকারাচ্ছন্ন (হয়ে যায়) (are) those in darkness)

 

(38) وَالشَّمْسُ تَجْرِي لِمُسْتَقَرٍّ لَّهَا ذَلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ, আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ। And the sun runs his course for a period determined for him: that is the decree of (Him), the Exalted in Might, the All-Knowing.

(  وَٱلشَّمْسُ এবং সূর্য  And the sun,  تَجْرِى আবর্তন করে runs,  لِمُسْتَقَرٍّ নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে to a term appointed,  لَّهَا তার for it,  ذَٰلِكَ এটা That,  تَقْدِيرُ

নির্দিষ্ট (হিসাব) (is the) Decree,  ٱلْعَزِيزِ পরাক্রমশালীর (of) the All-Mighty,  ٱلْعَلِيمِ (যিনি) সুবিজ্ঞ the All-Knowing ) 

 

(39) وَالْقَمَرَ قَدَّرْنَاهُ مَنَازِلَ حَتَّى عَادَ كَالْعُرْجُونِ الْقَدِيمِ চন্দ্রের জন্যে আমি বিভিন্ন মনযিল নির্ধারিত করেছি। অবশেষে সে পুরাতন খর্জুর শাখার অনুরূপ হয়ে যায় And the Moon,- We have measured for her mansions (to traverse) till she returns like the old (and withered) lower part of a date-stalk.

(  وَٱلْقَمَرَ এবং চাঁদকে And the moon -,  قَدَّرْنَٰهُ তার আমরা নির্দিষ্ট করেছি We have ordained for it,  مَنَازِلَ বিভিন্ন কক্ষপথ (যার উপর চলে) phases,  حَتَّىٰ অবশেষে until,  عَادَ সে ফিরে আসে it returns,  كَٱلْعُرْجُونِ খেজুর শাখার মতো like the date stalk,  ٱلْقَدِيمِ (এমন যা শুষ্ক) পুরান the old ) 

 

(40) لَا الشَّمْسُ يَنبَغِي لَهَا أَن تُدْرِكَ الْقَمَرَ وَلَا اللَّيْلُ سَابِقُ النَّهَارِ وَكُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ সূর্য নাগাল পেতে পারে না চন্দ্রের এবং রাত্রি অগ্রে চলে না দিনের প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ করে। It is not permitted to the Sun to catch up the Moon, nor can the Night outstrip the Day: Each (just) swims along in (its own) orbit (according to Law).

(  لَا না Not,  ٱلشَّمْسُ সূর্য the sun,  يَنۢبَغِى ক্ষমতা রাখে is permitted,  لَهَآ তার জন্যে for it -,  أَن যে that,  تُدْرِكَ নাগাল পাবে it overtakes,  ٱلْقَمَرَ চাঁদের the moon,  وَلَا আর না and not,  ٱلَّيْلُ রাত the night,  سَابِقُ অতিক্রমকারী (হ’তে পারে) (can) outstrip,  ٱلنَّهَارِ দিনের the day,  وَكُلٌّ এবং প্রত্যেকে but all,  فِى উপর in,  فَلَكٍ কক্ষের an orbit,  يَسْبَحُونَ সাঁতার কাটছে they are floating )

 

 

Islami Dawah Center Cover photo

 

 

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টারকে সচল রাখতে সাহায্য করুন!

 

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার ১টি অলাভজনক দাওয়াহ প্রতিষ্ঠান, এই প্রতিষ্ঠানের ইসলামিক ব্লগটি বর্তমানে ২০,০০০+ মানুষ প্রতিমাসে পড়ে, দিন দিন আরো অনেক বেশি বেড়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

বর্তমানে মাদরাসা এবং ব্লগ প্রজেক্টের বিভিন্ন খাতে (ওয়েবসাইট হোস্টিং, CDN,কনটেন্ট রাইটিং, প্রুফ রিডিং, ব্লগ পোস্টিং, ডিজাইন এবং মার্কেটিং) মাসে গড়ে ৫০,০০০+ টাকা খরচ হয়, যা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। সেকারনে, এই বিশাল ধর্মীয় কাজকে সামনে এগিয়ে নিতে সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে আপনাদের দোয়া এবং আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন, এমন কিছু ভাই ও বোন ( ৩১৩ জন ) দরকার, যারা আইডিসিকে নির্দিষ্ট অংকের সাহায্য করবেন, তাহলে এই পথ চলা অনেক সহজ হয়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

যারা এককালিন, মাসিক অথবা বাৎসরিক সাহায্য করবেন, তারা আইডিসির মুল টিমের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন, ইংশাআল্লাহ।

আইডিসির ঠিকানাঃ খঃ ৬৫/৫, শাহজাদপুর, গুলশান, ঢাকা -১২১২, মোবাইলঃ +88 01609 820 094, +88 01716 988 953 ( নগদ/বিকাশ পার্সোনাল )

ইমেলঃ info@islamidawahcenter.com, info@idcmadrasah.com, ওয়েব: www.islamidawahcenter.com, www.idcmadrasah.com সার্বিক তত্ত্বাবধানেঃ হাঃ মুফতি মাহবুব ওসমানী ( এম. এ. ইন ইংলিশ, অল ফার্স্ট ক্লাস )

 

(41)  وَآيَةٌ لَّهُمْ أَنَّا حَمَلْنَا ذُرِّيَّتَهُمْ فِي الْفُلْكِ الْمَشْحُونِ তাদের জন্যে একটি নিদর্শন এই যে, আমি তাদের সন্তান-সন্ততিকে বোঝাই নৌকায় আরোহণ করিয়েছি And a Sign for them is that We bore their race (through the Flood) in the loaded Ark;

(  وَءَايَةٌ এবং একটি নিদর্শন And a Sign,  لَّهُمْ তাদের জন্যে for them,  أَنَّا (এও) যে আমরা (is) that,  حَمَلْنَا  আমরা আরোহণ করিয়েছি We carried,  ذُرِّيَّتَهُمْ তাদের বংশধরদেরকে their offspring,  فِى মধ্যে in,  ٱلْفُلْكِ জাহাজের the ship,  ٱلْمَشْحُونِ বোঝাই laden ) 

 

(42)  وَخَلَقْنَا لَهُم مِّن مِّثْلِهِ مَا يَرْكَبُونَ এবং তাদের জন্যে নৌকার অনুরূপ যানবাহন সৃষ্টি করেছি, যাতে তারা আরোহণ করে। And We have created for them similar (vessels) on which they ride.

(  وَخَلَقْنَا এবং আমরা সৃষ্টি করেছি And We created,  لَهُم তাদের জন্যে for them, مِّن থেকে from,  مِّثْلِهِۦ সেটার অনুরূপ (আরো অনেকে) (the) likes of it,  مَا যাতে what,  يَرْكَبُونَ তারা চড়তে পারে they ride ) 

 

(43)  وَإِن نَّشَأْ نُغْرِقْهُمْ فَلَا صَرِيخَ لَهُمْ وَلَا هُمْ يُنقَذُونَ  আমি ইচ্ছা করলে তাদেরকে নিমজ্জত করতে পারি, তখন তাদের জন্যে কোন সাহায্যকারী নেই এবং তারা পরিত্রাণও পাবে না ।If it were Our Will, We could drown them: then would there be no helper (to hear their cry), nor could they be delivered,

(  وَإِن এবং যদি And if,  نَّشَأْ আমরা চাই We will,  نُغْرِقْهُمْ তাদেরকে ডোবাতে আমরা We could drown them;,  فَلَا তখন না then not,  صَرِيخَ ডাকে সাড়াদানকারী (পাবে) (would be) a responder to a cry,  لَهُمْ তাদের জন্যে for them,  وَلَا আর না and not,  هُمْ তাদের they,  يُنقَذُونَ নিস্তার পাবে would be saved ) 

 

(44)  إِلَّا رَحْمَةً مِّنَّا وَمَتَاعًا إِلَى حِينٍ কিন্তু আমারই পক্ষ থেকে কৃপা এবং তাদেরকে কিছু কাল জীবনোপভোগ করার সুযোগ দেয়ার কারণে তা করি না Except by way of Mercy from Us, and by way of (world) convenience (to serve them) for a time.

(  إِلَّا কিন্তু Except,  رَحْمَةً অনুগ্রহ (by) Mercy,  مِّنَّا আমাদের পক্ষ হ’তে from Us,  وَمَتَٰعًا এবং জীবনোপভোগ and provision,  إِلَىٰ পর্যন্ত for,  حِينٍ কিছুকাল a time ) 

 

(45)  وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ اتَّقُوا مَا بَيْنَ أَيْدِيكُمْ وَمَا خَلْفَكُمْ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ আর যখন তাদেরকে বলা হয়, তোমরা সামনের আযাব ও পেছনের আযাবকে ভয় কর, যাতে তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করা হয়, তখন তারা তা অগ্রাহ্য করে। When they are told, “Fear ye that which is before you and that which will be after you, in order that ye may receive Mercy,” (they turn back).

(  وَإِذَا এবং যখন And when,  قِيلَ বলা হয় it is said,  لَهُمُ তাদেরকে to them,  ٱتَّقُوا۟ “তোমরা ভয় করো “Fear,  مَا (পরিণামের) যা what,  بَيْنَ সামনে (is) before you,  أَيْدِيكُمْ তোমাদের (is) before you,  وَمَا এবং যা and what,  خَلْفَكُمْ তোমাদের পিছনে (আছে) (is) behind you,  لَعَلَّكُمْ তোমাদের যাতে (উপর) so that you may,  تُرْحَمُونَ অনুগ্রহ করা যায়” receive mercy” ) 

 

(46) وَمَا تَأْتِيهِم مِّنْ آيَةٍ مِّنْ آيَاتِ رَبِّهِمْ إِلَّا كَانُوا عَنْهَا مُعْرِضِينَ যখনই তাদের পালনকর্তার নির্দেশাবলীর মধ্যে থেকে কোন নির্দেশ তাদের কাছে আসে, তখনই তারা তা থেকে মুখে ফিরিয়ে নেয়। Not a Sign comes to them from among the Signs of their Lord, but they turn away therefrom.

(  وَمَا এবং না And not,  تَأْتِيهِم  তাদের কাছে এসেছে  comes to them,  مِّنْ (এমন) কোনো of,  ءَايَةٍ নিদর্শন a Sign,  مِّنْ মধ্য হ’তে from,  ءَايَٰتِ নিদর্শনের (the) Signs,  رَبِّهِمْ  তাদের রবের (of) their Lord,  إِلَّا এছাড়া but,  كَانُوا۟ তারা ছিলো they,  عَنْهَا তা হ’তে from it,  مُعْرِضِينَ উপেক্ষাকারী turn away ) 

 

(47)  وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ أَنفِقُوا مِمَّا رَزَقَكُمْ اللَّهُ قَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِلَّذِينَ آمَنُوا أَنُطْعِمُ مَن لَّوْ يَشَاء اللَّهُ أَطْعَمَهُ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا فِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ যখন তাদেরকে বলা হয়, আল্লাহ তোমাদেরকে যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় কর। তখন কাফেররা মুমিনগণকে বলে, ইচ্ছা করলেই আল্লাহ যাকে খাওয়াতে পারতেন, আমরা তাকে কেন খাওয়াব? তোমরা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে পতিত রয়েছ। And when they are told, “Spend ye of (the bounties) with which Allah has provided you,” the Unbelievers say to those who believe: “Shall we then feed those whom, if Allah had so willed, He would have fed, (Himself)?- Ye are in nothing but manifest error.”

(  وَإِذَا এবং যখন And when,  قِيلَ বলা হয় it is said,  لَهُمْ তাদেরকে to them, أَنفِقُوا۟ “তোমরা ব্যয় করো” Spend, مِمَّا তাহ’তে যা from what,  رَزَقَكُمُ তোমাদেরকে জীবিকা দিয়েছেন (has) provided you,  ٱللَّهُ আল্লাহ” Allah”, قَالَ বলে Said,  ٱلَّذِينَ যারা those who,  كَفَرُوا۟ অস্বীকার করেছে disbelieved,  لِلَّذِينَ তাদেরকে (যারা) to those who,  ءَامَنُوٓا۟ ঈমান এনেছে believed,  أَنُطْعِمُ “খাওয়াবো আমরা কি “Should we feed, مَن যাকে (এমন কাউকে) whom,  لَّوْ যদি if,  يَشَآءُ ইচ্ছে করতেন Allah willed,  ٱللَّهُ আল্লাহ্‌ Allah willed,  أَطْعَمَهُۥٓ তাকে খাওয়াতে পারতেন He would have fed him?”,  إِنْ না Not,  أَنتُمْ তোমরা (are) you,  إِلَّا এছাড়া  except,  فِى মধ্যে in, ضَلَٰلٍ বিভ্রান্তির an error,  مُّبِينٍ সুস্পষ্ট  clear ) 

 

(48)  وَيَقُولُونَ مَتَى هَذَا الْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ তারা বলে, তোমরা সত্যবাদী হলে বল এই ওয়াদা কবে পূর্ণ হবে? Further, they say, “When will this promise (come to pass), if what ye say is true?”

(  وَيَقُولُونَ এবং তারা বলে And they say,  مَتَىٰ “কখন (পূর্ণ হবে) “When (is),  هَٰذَا সেই this,  ٱلْوَعْدُ (কেয়ামতের) প্রতিশ্রুতি promise,  إِن

যদি if كُنتُمْ,  তোমরা হও you are,  صَٰدِقِينَ সত্যবাদী” truthful?” ) 

 

(49)  مَا يَنظُرُونَ إِلَّا صَيْحَةً وَاحِدَةً تَأْخُذُهُمْ وَهُمْ يَخِصِّمُونَ তারা কেবল একটা ভয়াবহ শব্দের অপেক্ষা করছে, যা তাদেরকে আঘাত করবে তাদের পারস্পরিক বাকবিতন্ডাকালে। They will not (have to) wait for aught but a single Blast: it will seize them while they are yet disputing among themselves!

(  مَا না Not,  يَنظُرُونَ তারা অপেক্ষা করছে they await, إِلَّا এছাড়া except,  صَيْحَةً মহাগর্জনের a shout,  وَٰحِدَةً একটি মাত্র one,  تَأْخُذُهُمْ তাদেরকে আঘাত করবে it will seize them,  وَهُمْ এ অবস্থায় যে তারা while they,  يَخِصِّمُونَ তর্কাতর্কি করতে থাকবে are disputing ) 

 

(50)  فَلَا يَسْتَطِيعُونَ تَوْصِيَةً وَلَا إِلَى أَهْلِهِمْ يَرْجِعُونَ তখন তারা ওছিয়ত করতেও সক্ষম হবে না। এবং তাদের পরিবার-পরিজনের কাছেও ফিরে যেতে পারবে না। No (chance) will they then have, by will, to dispose (of their affairs), nor to return to their own people!

(  فَلَا না তখন Then not,  يَسْتَطِيعُونَ তারা সমর্থ হবে they will be able,  تَوْصِيَةً উপদেশ করতে (to) make a will,  وَلَآ আর না and not,  إِلَىٰٓ প্রতি to,  أَهْلِهِمْ তাদের পরিবারের their people, يَرْجِعُونَ তারা ফিরে যেতে পারবে they (can) return )

 

(51)  وَنُفِخَ فِي الصُّورِ فَإِذَا هُم مِّنَ الْأَجْدَاثِ إِلَى رَبِّهِمْ يَنسِلُونَ শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখনই তারা কবর থেকে তাদের পালনকর্তার দিকে ছুটে চলবে। The trumpet shall be sounded, when behold! from the sepulchres (men) will rush forth to their Lord!

(  وَنُفِخَ এবং ফুঁ দেওয়া হবে And will be blown,  فِى মধ্যে [in],  الصُّورِ  শিঙ্গার the trumpet,  فَإِذَا তখন অতঃপর and behold!,  هُم তারা  They,  مِّنَ হ’তে from,  ٱلْأَجْدَاثِ কবরসমূহ the graves,  إِلَىٰ দিকে to,  رَبِّهِمْ তাদের রবের their Lord,  يَنسِلُونَ ছুটে আসবে [they] will hasten ) 

 

(52)  قَالُوا يَا وَيْلَنَا مَن بَعَثَنَا مِن مَّرْقَدِنَا هَذَا مَا وَعَدَ الرَّحْمَنُ وَصَدَقَ الْمُرْسَلُونَ তারা বলবে, হায় আমাদের দুর্ভোগ! কে আমাদেরকে নিদ্রাস্থল থেকে উখিত করল? রহমান আল্লাহ তো এরই ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং রসূলগণ সত্য বলেছিলেন। They will say: “Ah! Woe unto us! Who hath raised us up from our beds of repose?”… (A voice will say:) “This is what ((Allah)) Most Gracious had promised. And true was the word of the apostles!”

(  قَالُوا۟ (ভীত হয়ে) তারা বলবে They [will] say,  يَٰوَيْلَنَا “আমাদের দুর্ভোগ হায় “O woe to us, ! مَنۢ কে  Who,  بَعَثَنَا আমাদেরকে উঠালো has raised us,  مِن হ’তে from,  مَّرْقَدِنَا আমাদের ঘুমের স্হান” our sleeping place?” ,  هَٰذَا “এটাই “This (is),  مَا (তাই) যার what,  وَعَدَ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন (had) promised,  ٱلرَّحْمَٰنُ দয়াময় the Most Gracious,  وَصَدَقَ এবং সত্যই বলেছিলেন and told (the) truth,  ٱلْمُرْسَلُونَ রাসূলগণ” the Messengers” )

 

( 53)  إِن كَانَتْ إِلَّا صَيْحَةً وَاحِدَةً فَإِذَا هُمْ جَمِيعٌ لَّدَيْنَا مُحْضَرُونَ এটা তো হবে কেবল এক মহানাদ। সে মুহুর্তেই তাদের সবাইকে আমার সামনে উপস্থিত করা হবে। It will be no more than a single Blast, when lo! they will all be brought up before Us!

(  إِن না Not,  كَانَتْ হবে it will be,  إِلَّا এছাড়া but,  صَيْحَةً মহাগর্জন a shout,  وَٰحِدَةً একটি মাত্র single,  فَإِذَا অতঃপর তখনই so behold!,  هُمْ তাদের They,  جَمِيعٌ সকলকেই all,  لَّدَيْنَا আমাদের কাছে before Us,  مُحْضَرُونَ উপস্থিত করা হবে (will be) brought ) 

 

(54) فَالْيَوْمَ لَا تُظْلَمُ نَفْسٌ شَيْئًا وَلَا تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ আজকের দিনে কারও প্রতি জুলুম করা হবে না এবং তোমরা যা করবে কেবল তারই প্রতিদান পাবে Then, on that Day, not a soul will be wronged in the least, and ye shall but be repaid the meeds of your past Deeds.

(  فَٱلْيَوْمَ অতঃপর (বলা হবে) আজ So this Day,  لَا না not,  تُظْلَمُ অবিচার করা হবে will be wronged,  نَفْسٌ কাউকে a soul, شَيْئًا কিছুই (in) anything, وَلَا আর না and not,  تُجْزَوْنَ প্রতিফল দেওয়া হবে you will be recompensed,  إِلَّا এ ব্যতীত except,  مَا যা (for) what, كُنتُمْ তোমরা you used (to),  تَعْمَلُونَ কাজ করতেছিলে do ) 

 

(55)  إِنَّ أَصْحَابَ الْجَنَّةِ الْيَوْمَ فِي شُغُلٍ فَاكِهُونَ এদিন জান্নাতীরা আনন্দে মশগুল থাকবে। Verily the Companions of the Garden shall that Day have joy in all that they do;

( إِنَّ নিশ্চয়ই Indeed,  أَصْحَٰبَ অধিবাসীরা (the) companions,  ٱلْجَنَّةِ জান্নাতের (of) Paradise,  ٱلْيَوْمَ আজ this Day,  فِى থাকবে [in],  شُغُلٍ (মজার) মগ্ন will be occupied,  فَٰكِهُونَ আনন্দে (in) amusement ) 

 

(56)  هُمْ وَأَزْوَاجُهُمْ فِي ظِلَالٍ عَلَى الْأَرَائِكِ مُتَّكِؤُونَ তারা এবং তাদের স্ত্রীরা উপবিষ্ট থাকবে ছায়াময় পরিবেশে আসনে হেলান দিয়ে। They and their associates will be in groves of (cool) shade, reclining on Thrones (of dignity);

( هُمْ তারা They,  وَأَزْوَٰجُهُمْ ও তাদের স্ত্রীরা (হবে) and their spouses,  فِى মধ্যে in,  ظِلَٰلٍ ছায়ার shades,  عَلَى উপর on,  ٱلْأَرَآئِكِ সুসজ্জিত আসনে [the] couches,  مُتَّكِـُٔونَ হেলান দিয়ে বসবে reclining ) 

 

(57)  لَهُمْ فِيهَا فَاكِهَةٌ وَلَهُم مَّا يَدَّعُونَ সেখানে তাদের জন্যে থাকবে ফল-মূল এবং যা চাইবে। (Every) fruit (enjoyment) will be there for them; they shall have whatever they call for;

(  لَهُمْ তাদের জন্যে (থাকবে) For them,  فِيهَا তার মধ্যে therein,  فَٰكِهَةٌ ফলমূল (are) fruits,  وَلَهُم ও তাদের জন্যে (থাকবে) and for them,  مَّا যা (is) whatever,  يَدَّعُونَ তারা চাইবে they call for ) 

 

(58)  سَلَامٌ قَوْلًا مِن رَّبٍّ رَّحِيمٍ করুণাময় পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাদেরকে বলা হবে সালাম। “Peace!” – a word (of salutation) from a Lord Most Merciful!

(   سَلَٰمٌ “সালাম” “Peace” قَوْلًا,  বলা (হবে) A word,  مِّن পক্ষ হ’তে  from,  رَّبٍّ রবের  a Lord,  رَّحِيمٍ (যিনি) পরম দয়ালু Most Merciful ) 

 

(59)  وَامْتَازُوا الْيَوْمَ أَيُّهَا الْمُجْرِمُونَ হে অপরাধীরা! আজ তোমরা আলাদা হয়ে যাও। “And O ye in sin! Get ye apart this Day!

(  وَٱمْتَٰزُوا۟ “এবং (বলা হবে) তোমারা আলাদা হয়ে যাও “But stand apart,  ٱلْيَوْمَ আজ this Day,  أَيُّهَا হে O criminals!,  ٱلْمُجْرِمُونَ অপরাধীরা O criminals! ) 

 

(60)  أَلَمْ أَعْهَدْ إِلَيْكُمْ يَا بَنِي آدَمَ أَن لَّا تَعْبُدُوا الشَّيْطَانَ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ হে বনী-আদম! আমি কি তোমাদেরকে বলে রাখিনি যে, শয়তানের এবাদত করো না, সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু? “Did I not enjoin on you, O ye Children of Adam, that ye should not worship Satan; for that he was to you an enemy avowed?

( أَلَمْ দিই নি কি Did not,  أَعْهَدْ আমি নির্দেশ I enjoin,  إِلَيْكُمْ তোমাদের প্রতি upon you,  يَٰبَنِىٓ হে সন্তান O Children of Adam!,  ءَادَمَ আদমের O Children of Adam!,  أَن যে That,  لَّا না (do) not,  تَعْبُدُوا۟ তোমরা দাসত্ব করো worship,  ٱلشَّيْطَٰنَ শয়তানের the Shaitaan,  إِنَّهُۥ সে নিশ্চয়ই indeed, he,  لَكُمْ তোমাদের জন্যে (is) for you,  عَدُوٌّ শত্রু an enemy,  مُّبِينٌ প্রকাশ্য clear ) 

 

(61)  وَأَنْ اعْبُدُونِي هَذَا صِرَاطٌ مُّسْتَقِيمٌ এবং আমার এবাদত কর। এটাই সরল পথ। “And that ye should worship Me, (for that) this was the Straight Way?

(  وَأَنِ এবং (এও) যে And that,  ٱعْبُدُونِى আমারই তোমরা ইবাদত করো  you worship Me?,  هَٰذَا এটাই This,  صِرَٰطٌ পথ (is) a Path,  مُّسْتَقِيمٌ সরল সঠিক straight ) 

 

(62)  وَلَقَدْ أَضَلَّ مِنكُمْ جِبِلًّا كَثِيرًا أَفَلَمْ تَكُونُوا تَعْقِلُونَ শয়তান তোমাদের অনেক দলকে পথভ্রষ্ট করেছে। তবুও কি তোমরা বুঝনি? “But he did lead astray a great multitude of you. Did ye not, then, understand?

(  وَلَقَدْ এবং (এ সত্ত্বেও) নিশ্চয়ই And indeed,  أَضَلَّ সে পথ ভ্রষ্ট করেছে he led astray,  مِنكُمْ তোমাদের মধ্য হ’তে from you,  جِبِلًّا বড় দলকে a multitude,  كَثِيرًا অনেক great,  أَفَلَمْ তবুও কি না Then did not,  تَكُونُوا۟ হবে you,  تَعْقِلُونَ তোমরা বুঝতে use reason? ) 

 

(63)  هَذِهِ جَهَنَّمُ الَّتِي كُنتُمْ تُوعَدُونَ এই সে জাহান্নাম, যার ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হতো। “This is the Hell of which ye were (repeatedly) warned!

( هَٰذِهِۦ এই সেই This (is),  جَهَنَّمُ জাহান্নাম (the) Hell,  ٱلَّتِى যার which,  كُنتُمْ তোমাদের you were,  تُوعَدُونَ প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিলো promised ) 

 

(64)  اصْلَوْهَا الْيَوْمَ بِمَا كُنتُمْ تَكْفُرُونَ তোমাদের কুফরের কারণে আজ এতে প্রবেশ কর। “Embrace ye the (fire) this Day, for that ye (persistently) rejected (Truth).”

(  ٱصْلَوْهَا তাতে তোমরা প্রবেশ করো Burn therein,  ٱلْيَوْمَ আজ this Day,  بِمَا বিনিময়ে যা because,  كُنتُمْ তোমরা you used (to),  تَكْفُرُونَ অস্বীকার করছিলে” disbelieve” ) 

 

(65)  الْيَوْمَ نَخْتِمُ عَلَى أَفْوَاهِهِمْ وَتُكَلِّمُنَا أَيْدِيهِمْ وَتَشْهَدُ أَرْجُلُهُمْ بِمَا كَانُوا يَكْسِبُونَ আজ আমি তাদের মুখে মোহর এঁটে দেব তাদের হাত আমার সাথে কথা বলবে এবং তাদের পা তাদের কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে। That Day shall We set a seal on their mouths. But their hands will speak to us, and their feet bear witness, to all that they did.

(  ٱلْيَوْمَ আজ This Day,  نَخْتِمُ  সীল করে দিবো আমরা  We will seal, عَلَىٰٓ উপর [on],  أَفْوَٰهِهِمْ তাদের মুখগুলোর their mouths,  وَتُكَلِّمُنَآ এবং আমাদের সাথে কথা বলবে and will speak to Us,  أَيْدِيهِمْ তাদের হাতগুলো their hands,  وَتَشْهَدُ এবং সাক্ষ্য দিবে and will bear witness,  أَرْجُلُهُم তাদের পাগুলো their feet,  بِمَا ঐ বিষয়ে যা about what,  كَانُوا۟ করেছিলো they used (to),  يَكْسِبُونَ তারা কামাই earn ) 

 

(66)  وَلَوْ نَشَاء لَطَمَسْنَا عَلَى أَعْيُنِهِمْ فَاسْتَبَقُوا الصِّرَاطَ فَأَنَّى يُبْصِرُونَ আমি ইচ্ছা করলে তাদের দৃষ্টি শক্তি বিলুপ্ত করে দিতে পারতাম, তখন তারা পথের দিকে দৌড়াতে চাইলে কেমন করে দেখতে পেত! If it had been our Will, We could surely have blotted out their eyes; then should they have run about groping for the Path, but how could they have seen?

(  وَلَوْ এবং যদি And if,  نَشَآءُ চাই আমরা We willed,  لَطَمَسْنَا দিতে পারি অবশ্যই We (would have) surely obliterated,  عَلَىٰٓ আমরা আলো নিভিয়ে [over],  أَعْيُنِهِمْ তাদের চোখের their eyes,  فَٱسْتَبَقُوا۟ তারা অতঃপর চলতে চাইতো then they (would) race,  ٱلصِّرَٰطَ পথে (to find) the path,  فَأَنَّىٰ তখন কেমন করে then how,  يُبْصِرُونَ তারা দেখতে পাবে (could) they see? ) 

 

(67)  وَلَوْ نَشَاء لَمَسَخْنَاهُمْ عَلَى مَكَانَتِهِمْ فَمَا اسْتَطَاعُوا مُضِيًّا وَلَا يَرْجِعُونَ আমি ইচ্ছা করলে তাদেরকে স্ব স্ব স্থানে আকার বিকৃত করতে পারতাম, ফলে তারা আগেও চলতে পারত না এবং পেছনেও ফিরে যেতে পারত না। And if it had been Our Will, We could have transformed them (to remain) in their places; then should they have been unable to move about, nor could they have returned (after error).

(  وَلَوْ এবং যদি And if,  نَشَاء চাই আমরা We willed, لَمَسَخْنَٰهُمْ তাদেরকে আমরা অবশ্যই বিকৃত করে দিতে পারি  surely We (would have) transformed them, عَلَىٰ উপর in,  مَكَانَتِهِمْ তাদের (নিজ নিজ) অবস্থানেই their places,  فَمَا অতঃপর না then not,  ٱسْتَطَٰعُوا۟ তারা সমর্থ হবে they would have been able,  مُضِيًّا আগে যেতে to proceed,  وَلَا আর না and not,  يَرْجِعُونَ পিছনে ফিরতে return ) 

 

(68)  وَمَنْ نُعَمِّرْهُ نُنَكِّسْهُ فِي الْخَلْقِ أَفَلَا يَعْقِلُونَ আমি যাকে দীর্ঘ জীবন দান করি, তাকে সৃষ্টিগত পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেই। তবুও কি তারা বুঝে না? If We grant long life to any, We cause him to be reversed in nature: Will they not then understand?

(  وَمَن এবং কোনো ব্যক্তি And (he) whom,  نُّعَمِّرْهُ যাকে দীর্ঘায়ু দিই আমরা We grant him long life,  نُنَكِّسْهُ উল্টিয়ে দিই আমরা তার We reverse him,  فِى মধ্যে in,  ٱلْخَلْقِ আকৃতি-প্রকৃতির (বুদ্ধি ও যোগ্যতার) the creation,  أَفَلَا তবুও কি না Then will not,  يَعْقِلُونَ তারা জ্ঞানবুদ্ধি কাজে লাগায় they use intellect? ) 

 

(69)  وَمَا عَلَّمْنَاهُ الشِّعْرَ وَمَا يَنبَغِي لَهُ إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ وَقُرْآنٌ مُّبِينٌ আমি রসূলকে কবিতা শিক্ষা দেইনি এবং তা তার জন্যে শোভনীয়ও নয়। এটা তো এক উপদেশ ও প্রকাশ্য কোরআন । We have not instructed the (Prophet) in Poetry, nor is it meet for him: this is no less than a Message and a Qur’an making things clear.

(  وَمَا  এবং না And not,  عَلَّمْنَٰهُ তাকে আমরা শিখিয়েছি We taught him,  ٱلشِّعْرَ কবিতা [the] poetry,  وَمَا আর না and not,  يَنۢبَغِى শোভা পায় (এটা) it is befitting,  لَهُۥٓ তার জন্যে for him,  إِنْ না Not,  هُوَ তা it,  إِلَّا এছাড়া (is) except,  ذِكْرٌ উপদেশ a Reminder,  وَقُرْءَانٌ ও (পাঠযোগ্য কিতাব) কোরআন and a Quran,  مُّبِينٌ সুস্পষ্ট clear ) 

 

(70)  لِيُنذِرَ مَن كَانَ حَيًّا وَيَحِقَّ الْقَوْلُ عَلَى الْكَافِرِينَ যাতে তিনি সতর্ক করেন জীবিতকে এবং যাতে কাফেরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। That it may give admonition to any (who are) alive, and that the charge may be proved against those who reject (Truth).

(  لِّيُنذِرَ  সতর্ক করে যেন  To warn مَن (এমন প্রত্যেককে) যে (him) who,  كَانَ হলো is,  حَيًّا জীবিত alive,  وَيَحِقَّ এবং প্রতিষ্ঠিত হতে পারে (যেন) and may be proved true,  ٱلْقَوْلُ (শাস্তির) বাণী the Word,  عَلَى বিরুদ্ধে against,  ٱلْكَٰفِرِينَ কাফিরদের the disbelievers ) 

 

(71)  أَوَلَمْ يَرَوْا أَنَّا خَلَقْنَا لَهُمْ مِمَّا عَمِلَتْ أَيْدِينَا أَنْعَامًا فَهُمْ لَهَا مَالِكُونَ তারা কি দেখে না, তাদের জন্যে আমি আমার নিজ হাতের তৈরী বস্তুর দ্বারা চতুস্পদ জন্তু সৃষ্টি করেছি, অতঃপর তারাই এগুলোর মালিক। See they not that it is We Who have created for them – among the things which Our hands have fashioned – cattle, which are under their dominion?

(  أَوَلَمْ নি কি Do not,  يَرَوْا۟ তারা দেখে they see,  أَنَّا যে আমরা that We,  خَلَقْنَا আমরা সৃষ্টি করেছি [We] created,  لَهُم তাদের জন্যে for them,  مِّمَّا সেসব থেকে যা from what,  عَمِلَتْ সৃষ্টি করেছে have made,  أَيْدِينَآ আমাদের হাতগুলো Our hands,  أَنْعَٰمًا (যেমন) গবাদি পশু cattle,  فَهُمْ এখন তারাই then they,  لَهَا সেগুলোর [for them],  مَٰلِكُونَ মালিক (are the) owners? ) 

 

(72)  وَذَلَّلْنَاهَا لَهُمْ فَمِنْهَا رَكُوبُهُمْ وَمِنْهَا يَأْكُلُونَ আমি এগুলোকে তাদের হাতে অসহায় করে দিয়েছি। ফলে এদের কতক তাদের বাহন এবং কতক তারা ভক্ষণ করে। And that We have subjected them to their (use)? of them some do carry them and some they eat.

(  وَذَلَّلْنَٰهَا এবং সেগুলোকে আমরা বশীভূত করেছি And We have tamed them,  لَهُمْ তাদের জন্যে for them,  فَمِنْهَا অতঃপর (রয়েছে) সেগুলোর কিছু কিছু so some of them -,  رَكُوبُهُمْ তাদের বাহনও (যেমন উট) they ride them,  وَمِنْهَا এবং সেগুলোর কিছু কিছু and some of them,  يَأْكُلُونَ তারা আহারও করে they eat ) 

 

(73)  وَلَهُمْ فِيهَا مَنَافِعُ وَمَشَارِبُ أَفَلَا يَشْكُرُونَ তাদের জন্যে চতুস্পদ জন্তুর মধ্যে অনেক উপকারিতা ও পানীয় রয়েছে। তবুও কেন তারা শুকরিয়া আদায় করে না? And they have (other) profits from them (besides), and they get (milk) to drink. Will they not then be grateful?

(  وَلَهُمْ এবং তাদের জন্যে রয়েছে And for them,  فِيهَا সেগুলোর মধ্যে therein,  مَنَٰفِعُ (নানা রকম) উপকার (are) benefits,  وَمَشَارِبُ এবং (নানা প্রকার) পানীয় and drinks,  أَفَلَا তবুও কি না so (will) not,  يَشْكُرُونَ তারা কৃতজ্ঞ হবে they give thanks? ) 

 

(74)  وَاتَّخَذُوا مِن دُونِ اللَّهِ آلِهَةً لَعَلَّهُمْ يُنصَرُونَ  তারা আল্লাহর পরিবর্তে অনেক উপাস্য গ্রহণ করেছে যাতে তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হতে পারে। Yet they take (for worship) gods other than Allah, (hoping) that they might be helped!

(  وَٱتَّخَذُوا۟ এবং (এ সত্ত্বেও) তারা গ্রহণ করেছে But they have taken, مِن মধ্য হতে besides,  دُونِ ছাড়া besides, ٱللَّهِ আল্লাহ Allah,  ءَالِهَةً উপাস্যরূপে (অন্যদেরকে) gods,  لَّعَلَّهُمْ  তারা যাতে that they may,  يُنصَرُونَ  তারা সাহায্য পাবে be helped,

 

(75)  لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَهُمْ وَهُمْ لَهُمْ جُندٌ مُّحْضَرُونَ অথচ এসব উপাস্য তাদেরকে সাহায্য করতে সক্ষম হবে না এবং এগুলো তাদের বাহিনী রূপে ধৃত হয়ে আসবে। They have not the power to help them: but they will be brought up (before Our Judgment-seat) as a troop (to be condemned).

(  لَا না Not, يَسْتَطِيعُونَ তারা সমর্থ হবে they are able,  نَصْرَهُمْ তাদের সাহায্য করতে to help them,  وَهُمْ বরং তারাই (হয়ে আছে) but they -,  لَهُمْ তাদের জন্যে for them,  جُندٌ সৈন্য (রক্ষাকারী রূপে) (are) host(s),  مُّحْضَرُونَ সদা উপস্থিত (who will) be brought ) 

 

(76)  فَلَا يَحْزُنكَ قَوْلُهُمْ إِنَّا نَعْلَمُ مَا يُسِرُّونَ وَمَا يُعْلِنُونَ অতএব তাদের কথা যেন আপনাকে দুঃখিত না করে। আমি জানি যা তারা গোপনে করে এবং যা তারা প্রকাশ্যে করে। Let not their speech, then, grieve thee. Verily We know what they hide as well as what they disclose.

(  فَلَا কাজেই না (যেন) So (let) not,  يَحْزُنكَ তোমাকে দুঃখ দেয় grieve you,  قَوْلُهُمْ তাদের কথা their speech,  إِنَّا আমরা নিশ্চয়ই ndeed We,  نَعْلَمُ জানি আমরা [We] know,  مَا যা what,  يُسِرُّونَ তারা গোপন করে they conceal,  وَمَا আর যা and what,  يُعْلِنُونَ তারা প্রকাশ করে they declare ) 

 

(77)  أَوَلَمْ يَرَ الْإِنسَانُ أَنَّا خَلَقْنَاهُ مِن نُّطْفَةٍ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٌ مُّبِينٌ মানুষ কি দেখে না যে, আমি তাকে সৃষ্টি করেছি বীর্য থেকে? অতঃপর তখনই সে হয়ে গেল প্রকাশ্য বাকবিতন্ডাকারী। Doth not man see that it is We Who created him from sperm? yet behold! he (stands forth) as an open adversary!

(  أَوَلَمْ নি কি Does not,  يَرَ দেখে see,  ٱلْإِنسَٰنُ মানুষ [the] man,  أَنَّا যে আমরা that We,  خَلَقْنَٰهُ তাকে আমরা সৃষ্টি করেছি [We] created him,  مِن থেকে from,  نُّطْفَةٍ শুক্রবিন্দু a sperm-drop,  فَإِذَا অথচ পরে Then behold!,  هُوَ সে (হয়েছে) He, خَصِيمٌ ঝগড়াটে (is) an opponent,  مُّبِينٌ প্রকাশ্য  clear )

 

(78)  وَضَرَبَ لَنَا مَثَلًا وَنَسِيَ خَلْقَهُ قَالَ مَنْ يُحْيِي الْعِظَامَ وَهِيَ رَمِيمٌ সে আমার সম্পর্কে এক অদ্ভূত কথা বর্ণনা করে, অথচ সে নিজের সৃষ্টি ভুলে যায়। সে বলে কে জীবিত করবে অস্থিসমূহকে যখন সেগুলো পচে গলে যাবে? And he makes comparisons for Us, and forgets his own (origin and) Creation: He says, “Who can give life to (dry) bones and decomposed ones (at that)?”

( وَضَرَبَ এবং পেশ করে And he sets forth,  لَنَا আমাদের জন্যে for Us,  مَثَلًا উপমা an example,  وَنَسِىَ অথচ সে ভুলে যায় and forgets,  خَلْقَهُۥ তার সৃষ্টিকে his (own) creation,  قَالَ সে বলে He says,  مَن “কে “Who,  يُحْىِ প্রাণ দিবে will give life,  ٱلْعِظَٰمَ হাড়ে (to) the bones,  وَهِىَ  যখন তা (হয়ে যাবে) while they,  رَمِيمٌ পচাগলা জরাজীর্ণ” (are) decomposed?” ) 

 

(79)  قُلْ يُحْيِيهَا الَّذِي أَنشَأَهَا أَوَّلَ مَرَّةٍ وَهُوَ بِكُلِّ خَلْقٍ عَلِيمٌ বলুন, যিনি প্রথমবার সেগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, তিনিই জীবিত করবেন। তিনি সর্বপ্রকার সৃষ্টি সম্পর্কে সম্যক অবগত। Say, “He will give them life Who created them for the first time! for He is Well-versed in every kind of creation!

(  قُلْ বলো (তাদেরকে) Say,  يُحْيِيهَا  “তাতে প্রাণ দিবেন “He will give them life,  ٱلَّذِىٓ (তিনিই) যিনি Who,  أَنشَأَهَآ তা সৃষ্টি করেছেন produced them,  أَوَّلَ প্রথম (the) first,  مَرَّةٍ  বার time;, وَهُوَ এবং তিনি and He,  بِكُلِّ সম্পর্কে সবকিছু (is) of every,  خَلْقٍ (তাঁর) সৃষ্টির creation عَلِيمٌ সম্যক অবগত” All Knower” ) 

 

(80)  الَّذِي جَعَلَ لَكُم مِّنَ الشَّجَرِ الْأَخْضَرِ نَارًا فَإِذَا أَنتُم مِّنْهُ تُوقِدُونَ যিনি তোমাদের জন্যে সবুজ বৃক্ষ থেকে আগুন উৎপন্ন করেন। তখন তোমরা তা থেকে আগুন জ্বালাও।” The same Who produces for you fire out of the green tree, when behold! ye kindle therewith (your own fires)!

(  ٱلَّذِى যিনি The One Who, جَعَلَ সৃষ্টি করেছেন made,  لَكُم তোমাদের জন্যে for you,  مِّنَ থেকে from,  ٱلشَّجَرِ গাছ the tree,  ٱلْأَخْضَرِ  সবুজ [the] green, نَارًا আগুন fire, فَإِذَآ অতঃপর and behold!, أَنتُم তোমরা You, مِّنْهُ তা থেকে from it,  تُوقِدُونَ আগুন জ্বালো ignite ) 

 

(81)  أَوَلَيْسَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِقَادِرٍ عَلَى أَنْ يَخْلُقَ مِثْلَهُم بَلَى وَهُوَ الْخَلَّاقُ الْعَلِيمُ যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছেন, তিনিই কি তাদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে সক্ষম নন? হ্যাঁ তিনি মহাস্রষ্টা, সর্বজ্ঞ।” Is not He Who created the heavens and the earth able to create the like thereof?” – Yea, indeed! for He is the Creator Supreme, of skill and knowledge (infinite)!

(  أَوَلَيْسَ নন কি (সেই আল্লাহ) Is it not,  ٱلَّذِى যিনি (He) Who,  خَلَقَ সৃষ্টি করেছেন created,  ٱلسَّمَٰوَٰتِ আকাশ সমূহ the heavens, وَٱلْأَرْضَ ও পৃথিবীকে and the earth,  بِقَٰدِرٍ সক্ষম Able,  عَلَىٰٓ এক্ষেত্রে to,  أَن যে [that],  يَخْلُقَ সৃষ্টি করবেন create, مِثْلَهُم তাদের মতো (the) like of them,  بَلَىٰ হ্যাঁ নিশ্চয়ই Yes indeed!,  وَهُوَ এবং তিনিই and He,  ٱلْخَلَّٰقُ মহাস্রষ্টা (is) the Supreme Creator,  ٱلْعَلِيمُ সর্বজ্ঞ the All-Knower ) 

 

(82)  إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَنْ يَقُولَ لَهُ كُنْ فَيَكُونُ তিনি যখন কোন কিছু করতে ইচ্ছা করেন, তখন তাকে কেবল বলে দেন, ‘হও’ তখনই তা হয়ে যায়। Verily, when He intends a thing, His Command is, “be”, and it is!

(  إِنَّمَآ কেবল Only,  أَمْرُهُۥٓ তাঁর নির্দেশ হয় His Command,  إِذَآ যখন when,  أَرَادَ ইচ্ছে করেন He intends,  شَيْـًٔا কিছু (করতে) a thing,  أَن যে that,  يَقُولَ বলেন He says,  لَهُۥ তাকে to it,  كُن “হও” “Be”,  فَيَكُونُ তখনই হয়ে যায় and it is ) 

 

(83)  فَسُبْحَانَ الَّذِي بِيَدِهِ مَلَكُوتُ كُلِّ شَيْءٍ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ অতএব পবিত্র তিনি, যাঁর হাতে সবকিছুর রাজত্ব এবং তাঁরই দিকে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। So glory to Him in Whose hands is the dominion of all things: and to Him will ye be all brought back.

(  فَسُبْحَٰنَ অতএব মহান পবিত্র So glorified be,  ٱلَّذِى (সেই সত্ত্বা) তিনিই (He) Who,  بِيَدِهِۦ যার হাতে (আছে) in Whose hand,  مَلَكُوتُ সার্বভৌম ক্ষমতা is (the) dominion,  كُلِّ সব (of) all,  شَىْءٍ জিনিসের things,  وَإِلَيْهِ এবং তাঁরই দিকে and to Him,  تُرْجَعُونَ তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবে you will be returned ) 

 

 

সূরা ইয়াসিন তিলাওয়াতের ফজিলত

 

পবিত্র কোরআনের ১১৪টি সূরার মধ্যে সূরা ইয়াসিন বিশেষ তাৎপর্য ও গুরুত্ব বহন করে। সুরা ইয়াসিন হজরত মুহাম্মদ (সা.)- এর নবুয়ত লাভের প্রথম দিকে এবং হিজরতের বহু আগে মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। এর আয়াত সংখ্যা ৮৩, রুকু পাঁচটি। বিশ্বজাহান সৃষ্টির প্রায় দুই হাজার বছর পূর্বে মহান রাব্বুল আলামিন এ সূরা তেলাওয়াত করে ফেরেশতাদের শুনিয়েছিলেন। সূরা ইয়াসিনের বৈশিষ্ট্য, সৌরভ, তাৎপর্য ও ফজিলতের কথা শুনে তারা বিস্মিত হয়ে মাওলার কুদরতি পায়ে সেজদায় লুটিয়ে পড়েছিলেন। সুরা ইয়াসিন শুনেই পবিত্র কোরআনের বিশালত্ব সম্পর্কে তাদের মধ্যে সম্যক ধারণা বদ্ধমূল হয়েছিল।

সূরা ইয়াসিনকে কোরআনের রূহ বা প্রাণ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। ফজিলতের দিক থেকে এ সূরা যেমন অদ্বিতীয় তেমনি মানুষের জীবনসংশ্লিষ্ট বিষয় আলোচনায় এ সূরা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ইমাম গাজালি রহ. বলেন, সুরা ইয়াসিনকে  কোরআনের হৃৎপিণ্ড বলার কারণ হচ্ছে, এ সূরায় কিয়ামত ও হাশর-নাশরের বিশদ ব্যাখ্যা অলঙ্কার সহকারে বর্ণিত হয়েছে। পরকালের বিশ্বাস ইমানের এমন একটি মূলনীতি, যার ওপর মানুষের সব আমল ও আচরণের বিশুদ্ধতা নির্ভরশীল।

সূরা ইয়াসিনের ফজিলত, গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। অসংখ্য হাদিস এ রাসুলে পাক (সঃ) এই সুরার মহাত্ম্য সম্পর্কে আমাদেরকে জানিয়েছেন। নিন্মে তার মধ্যথেকে কিছু ফজিলত উল্লেখ করা হলোঃ

সুরা ইয়াসিন কোরানের হৃদয়ঃ

তাফসিরে    জালালাইনশরীফের   হাশিয়া    ৩৬৮  পৃষ্ঠার   মধ্যে   বায়জাভী   শরীফের  উদ্ধৃতি  দিয়ে  হযরত ইবনে  আব্বাস  রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একখানা হাদীসশরীফ নকল করা হয়েছে-
‘রাসূলেপাক     সাল্লাল্লাহু    আলাইহি     ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, নিশ্চয় প্রত্যেক  বস্তুর ‘কলব’ রয়েছে   এবং     কোরআনশরীফের     কলব   হচ্ছে ‘সূরায়ে ইয়াসিনশরীফ’।

হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘প্রত্যেক বস্তুর একটি হৃদয় আছে। আল-কোরআনের হৃদয় হলো সূরা ইয়াসিন। যে ব্যক্তি একবার সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করবে, আল্লাহ তায়ালা ১০ বার কোরআন খতমের সওয়াব দেবেন।’ (তিরমিজি : ২৮৯১)।

সুরা ইয়াসিন গুনাহ মাফের মাধ্যমঃ

মানুষ মাত্রই দৈনন্দিন কাজকর্মে ভুল-ত্রুটি করে থাকে। ভুল-ত্রুটি করা হলো গোনাহের কাজ। গোনাহের কাজ মানুষকে জাহান্নামের দিকে ধাবিত করে। জাহান্নাম থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো নেক আমল বা তওবা করা। যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করবে, আল্লাহ তায়ালা সন্তুষ্ট হয়ে তার অতীত জীবনের সব গোনাহ মাফ করে দেবেন।

হজরত মাকাল বিন ইয়াসার (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করবে, আল্লাহ তার অতীত জীবনের সব গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন।’ (সুনানে আবু দাউদ : ৩১২১, বায়হাকি : ২১৭৮)।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে রাতে সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করবে, আল্লাহ তার ওই রাতের সব গোনাহ মাফ করে দেবেন।’ (সুনানে দারেমি : ৩৪৬০)।

সুরা ইয়াসিন হাজত (প্রয়োজন) পূরণের মাধ্যমঃ

মানুষ মাত্রই অবস্থান অনুযায়ী নানা ধরনের অভাব-অনটনে বা হাজত থাকে। শুধু পরিশ্রম করে কিংবা অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে অভাব-অনটন থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। পরিশ্রমকারী বা অর্থ উপার্জনকারীর ওপর আল্লাহর বিশেষ রহমত থাকতে হয়। সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত-বরকত আসে। সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করলে মনের হাজত বা মনের আশা পূর্ণ হয়।

হজরত আতা বিন আবি রাবাহ (রা.) বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি শুনেছি যে, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি দিনের বেলায় সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করবে, তার সব হাজত পূর্ণ করা হবে।’ (সুনানে দারেমি : ৩৪৬১)।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়ের রা: বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি সূরা ইয়াসিন অভাব-অনটনের সময় পাঠ করে তাহলে তার অভাব দূর হয়, সংসারে শান্তি ও রিজিকে বরকত লাভ হয়। (মাজহারি)

ইয়াহইয়া ইবনে কাসীর বলেন, ‘যে ব্যক্তি সকালে সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে সে সন্ধ্যা পর্যন্ত সুখে-স্বস্তিতে থাকবে। যে সন্ধ্যায় পাঠ করবে সে সকাল পর্যন্ত শান্তিতে থাকবে (মাজহারি)।

সুরা ইয়াসিন মৃত্যু-কষ্ট লাঘবের মাধ্যমঃ

যদি কোন মুসলমানের সকরাতুল মউতের সময় তার নিকট সূরায়ে ইয়াসিনশরীফ পাঠ করা হয়, বেহেশত            হতে            রেদওয়ান           ফেরেশতা, বেহেশতের সুসংবাদ  না দেওয়া পর্যন্ত মালাকুল মউত তার রূহ কবজ করবেন না। রূহ কবজের সঙ্গে সঙ্গে সে ব্যক্তি ‘রাইয়ান’ নামক বেহেশতে থাকবে।   (হাশিয়ায়ে   জালালাইনশরীফ-   ৩৬০  পৃ.)

হজরত আবু যর (রা:) বলেন, আমি রাসূল সা:-এর কাছ থেকে শুনেছি তিনি বলেছেন, মৃত্যু পথযাত্রী ব্যক্তির কাছে সূরা ইয়াসিন পাঠ করলে তার মৃত্যু যন্ত্রণা সহজ হয়ে যায়। (মাজহারি)

হযরত মা’কিল ইবনে ইয়াসার ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- “এটা তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিদের নিকট পাঠ করো।” অর্থাৎ সূরা ইয়াসীন। -( আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাযাহ, মুসনাদে আহমাদ )

ইমাম আহমাদ ( রঃ ) বলেছেন- আমাদের প্রবীণরা বলতেন, মুমূর্ষু ব্যক্তির নিকট সূরা ইয়াসীন পাঠ করা হলে আল্লাহ তাঁর কষ্ট লাঘব করে দেন। ( তাফসীরে ইবনে কাসীর, ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা- ১৫৪ )

আল্লাহর সাহায্য ছাড়া ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তি লাভ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কোরআন তেলাওয়াত হলো বিপদাপদ এবং জাহান্নামের আগুন থেকে নাজাত লাভের উত্তম উছিলা। দুনিয়াবি সব ধরনের পেরেশানি থেকে মুক্তি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে, সূরা ইয়াসিন বেশি বেশি তেলাওয়াতের জন্য আল্লাহ তায়ালা সবাইকে তৌফিক দান করুন।

 

আইডিসির সাথে যোগ দিয়ে উভয় জাহানের জন্য ভালো কিছু করুন।

 

আইডিসি এবং আইডিসি ফাউন্ডেশনের ব্যপারে বিস্তারিত জানতে  লিংক০১ ও লিংক০২ ভিজিট করুন।

আইডিসি  মাদরাসার ব্যপারে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

আপনি আইডিসি  মাদরাসার একজন স্থায়ী সদস্য /পার্টনার হতে চাইলে এই লিংক দেখুন.

আইডিসি এতীমখানা ও গোরাবা ফান্ডে দান করে  দুনিয়া এবং আখিরাতে সফলতা অর্জন করুন।

কুরআন হাদিসের আলোকে বিভিন্ন কঠিন রোগের চিকিৎসা করাতেআইডিসি ‘র সাথে যোগাযোগ করুন।

ইসলামিক বিষয়ে জানতে এবং জানাতে এই গ্রুপে জয়েন করুন।

 
 
Islami Dawah Center Cover photo

 

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টারকে সচল রাখতে সাহায্য করুন!

 

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার ১টি অলাভজনক দাওয়াহ প্রতিষ্ঠান, এই প্রতিষ্ঠানের ইসলামিক ব্লগটি বর্তমানে ২০,০০০+ মানুষ প্রতিমাসে পড়ে, দিন দিন আরো অনেক বেশি বেড়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

বর্তমানে মাদরাসা এবং ব্লগ প্রজেক্টের বিভিন্ন খাতে (ওয়েবসাইট হোস্টিং, CDN,কনটেন্ট রাইটিং, প্রুফ রিডিং, ব্লগ পোস্টিং, ডিজাইন এবং মার্কেটিং) মাসে গড়ে ৫০,০০০+ টাকা খরচ হয়, যা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। সেকারনে, এই বিশাল ধর্মীয় কাজকে সামনে এগিয়ে নিতে সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে আপনাদের দোয়া এবং আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন, এমন কিছু ভাই ও বোন ( ৩১৩ জন ) দরকার, যারা আইডিসিকে নির্দিষ্ট অংকের সাহায্য করবেন, তাহলে এই পথ চলা অনেক সহজ হয়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

যারা এককালিন, মাসিক অথবা বাৎসরিক সাহায্য করবেন, তারা আইডিসির মুল টিমের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন, ইংশাআল্লাহ।

আইডিসির ঠিকানাঃ খঃ ৬৫/৫, শাহজাদপুর, গুলশান, ঢাকা -১২১২, মোবাইলঃ +88 01609 820 094, +88 01716 988 953 ( নগদ/বিকাশ পার্সোনাল )

ইমেলঃ info@islamidawahcenter.com, info@idcmadrasah.com, ওয়েব: www.islamidawahcenter.com, www.idcmadrasah.com সার্বিক তত্ত্বাবধানেঃ হাঃ মুফতি মাহবুব ওসমানী ( এম. এ. ইন ইংলিশ )