Names of Allah – আসমাউল হুসনা বা আল্লাহ তায়ালার ৯৯ নামের ফজিলত

 
 
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে ইরশাদ করেন, ‘আল্লাহ তাআলার ৯৯টি গুণবাচক নাম রয়েছে; যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার এ গুণবাচক নামের জিকির করবে, সে জান্নাতে যাবে।’ তাছাড়া এ গুণবাচক নামগুলোর আলাদা আলাদা অনেক উপকার ও ফজিলত রয়েছে। আল্লাহ তাআলার একটি গুণবাচক নাম (اَلْكَبِيْرُ) ‘আল-কাবিরু’।(اَلْكَبِيْرُ) ‘আল-কাবিরু’র অর্থ হলো সবচেয়ে বড়, যার নিকটেও কেউ নেই; তিনি ব্যতীত সব কিছুই ছোট; আসমান-জমিনের মহিমা ও গর্ব শুধুমাত্র তারই।’ আল্লাহর কাছে তার গুণবাচক নামসমূহের মাধ্যমে প্রার্থনা ও যিকির করলে আল্লাহ খুশি হন। এ প্রসঙ্গে আল- কুরআনের সূরা আরাফের ১৮০ নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সব উত্তম নাম। কাজেই সে নাম ধরেই তাঁকে ডাক। আর তাদেরকে বর্জন কর, যারা তাঁর নামের ব্যাপারে বাঁকা পথে চলে। তারা নিজেদের কৃতকর্মের ফল শিগগিরই পাবে। ’ উত্তম নাম বলতে সে সকল নামকে বোঝানো হয়েছে, যা গুণ-বৈশিষ্ট্যের পরিপূর্ণতায় সর্বোচ্চ স্তরকে চিহ্নিত করে। তার গুণবাচক নামকে বলা হয়, আসমাউল হুসনা। উপরোক্ত আয়াতেও ‘আসমাউল হুসনা’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যার দ্বারা বোঝা যায় যে, এসব আসমাউল হুসনা বা উত্তম নামসমূহ একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের বৈশিষ্ট্য। এ বৈশিষ্ট্য লাভ করা অন্য কারও পক্ষে সম্ভব নয়। আয়াতের মর্ম কথা হলো, হামদ, সানা, গুণ ও প্রশংসাকীর্তন, তাসবীহ-তাহলীলের যোগ্য যেহেতু শুধুমাত্র আল্লাহ-ই এবং বিপদাপদে মুক্তি দান আর প্রয়োজন মেটানোও শুধু তাঁর-ই ক্ষমতায়। কাজেই যদি প্রশংসা ও গুণকীর্তণ করতে হয়, তবে তাঁরই করবে আর নিজের প্রয়োজন বা উদ্দেশ্য সিদ্ধি কিংবা বিপদমুক্তির জন্য ডাকতে হলে শুধু তাঁকেই ডাকবে, তাঁরই কাছে সাহায্য চাইবে। আর ডাকার পদ্ধতিও বলে দেওয়া হয়েছে যে, তাঁর জন্য নির্ধারিত ‘আসমায়ে হুসনা’ বা উত্তম নামে -ই ডাকবে। এ আয়াতের মাধ্যমে গোটা মুসলিম জাতিকে দুটি হিদায়াত বা দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে,
 
প্রথমত : আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্তাই প্রকৃত হামদ-সানা বা বিপদমুক্তি বা উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য ডাকার যোগ্য নয়।
 

দ্বিতীয়ত : তাঁকে ডাকার জন্য মানুষ এমন মুক্ত নয় যে, যেকোনো শব্দে ইচ্ছা ডাকতে থাকবে, বরং আল্লাহ বিশেষ অনুগ্রহপরবশ হয়ে আমাদিগকে সেসব শব্দ সমষ্টি শিখিয়ে দিয়েছেন যা তাঁর মহত্ব ও মর্যাদার উপযোগী। সেই সাথে এ সমস্ত শব্দেই তাঁকে ডাকার জন্য আমাদিগকে বাধ্য করে দিয়েছেন যাতে আমরা নিজের মত শব্দ পরিবর্তন না করি। কারণ, আল্লাহর গুণ বৈশিষ্ট্যের সব দিক লক্ষ্য রেখে তাঁর মহত্বের উপযোগী শব্দ চয়ন করতে পারা মানুষের সাধ্যের ঊর্ধ্বে। (মায়ারেফুল কুরআন )

 

  • ১//আল্লাহু =প্রত্যহ ১০০ বার এই নামের ‍যিকির করলে ঈমান দৃঢ় ও মযবুত হয় ।
  • ২//আররাহমানু=অনুগ্রহকারী  =প্রত্যেক নামাযের পর ১০০ বার পড়লে দুনিয়ার সমস্ত ভাল কাজ সম্পাদন করা সহজ হয়
  • ৩//আররাহীমু =পরম দয়ালু =প্রত্যহ এ নাম ৫০০ বার করে পড়লে সম্পদশালী হওয়া এবংআল্লহর দয়া ও সন্তষ্টি তার প্রতি হয়।
  • ৪//আলমালিকু= বাদশাহ =মহিমান্বিত নামটি ৩০০০ বার পড়লে আল্লাহ তার মনোবাসনা পূণ করবেন
  • ৫//আলকুদ্দূসু=অতি পবিত্র=প্রত্যহ শেষ রাতে উয়া কুদ্দূসু নামুটি ১০০০বার পড়লে রোগ ব্যধি থেকে মুক্ত থাকা যায়
  • ৬//আসসালামু= শান্তিদাতা=রিয়মিতভাবে ফজরের নামাযের পর এ নাম ১০০০বার পড়লে ঙ্গান বৃদ্ধি পায়
  • ৭//আলমুমিনু=নিরাপত্তাদানকারী=যালিমের যুলুম ও বালা মসিবতথেকে নিরাপদ থাকার জন্যে প্রত্যহ এ নাম ১৩৬বার পড়বে ।
  • ৮//আলমুহাইমিনু=রখক=দুশ্চিন্তাগ্রস্ত  ব্যক্তি প্রত্যহ ২৯ বার বা বেশী পরিমানে পাঠ করলে দুচিন্তা ও ভয় দূর হবে
  • ৯//আল আযীযু=প্রতাপশালী= বিচারকের কাছে যাওয়ার আগে প্রভাতে ৪১ বার পড়লে ইনশাআল্লাহ বিচারক তারপ্রতি সদয় হবেন ।
  • ১০//আলজাব্বারু=পরাক্রমশালী=প্রত্যহ ফজর ও মাগরিবের পর ২১৬ বার পড়লে যাবতীয় যুলুম থেকে মুক্তিপাবে ।
  • ১১//আলমুতাকাব্বিরু=অহংকারাধিকারী=এই নাম সবদা পড়লে মার সম্মান বৃদ্ধি পায় ও উন্নতি লাভ হয়
  • ১২//আল খালিকু=স্রষ্টা=প্রত্যহ ১০০০বার পাঠ করলে ইনশাআল্লাহ পুত্র সন্তান নসীব হবে ।
  • ১৩//আলবা রিউ=ত্রুটিহীন স্রষ্টা=প্রত্যহ ৭বার এ নাম জপলে কবরের কঠিন আযাব খেকে মুক্তি পাওয়া যায় ।
  • ১৪//আলমুছাওয়িরু=আকৃতিদাতা=সহবাসের পূবে স্বামী স্ত্রী উভয়ে ৭ বার পাঠ করলে ইনশাআল্লাহ নেক সন্তান লাভ হবে ।
  • ১৫//আল গাফফারু=অপরাধ মাজনাকারী=জুমুআর নামাযের পর ১০০বার পড়লে গুনাহ মাফ হয় ও অভাব দূর হয় ।
  • ১৬//আলক্বাহহারু=থমতাধর=প্রত্যহ ১০০ বার পড়লে সমস্ত বিপদ ও সমস্যা দূর হবে ইনশাআল্লাহ
  • ১৭//আলওয়াহহাবু=অধিক দানকারী=চাশতের নামাযের পর সেজদায় হিয়ে ১০০ বার পড়লে অথ ও প্রভাব বৃদ্ধি পায়
  • ১৮//আররাযযাক্বু=রিযিকদাতা= ফজরের নামাযের পূবে এই নামের যিকির করলে রিযিক বৃদ্ধি পায় ।
  • ১৯//আলফাত্তাহু=বিজয়দাতা=প্রত্যহ ৭০ বার এ নামের যিকির করলে মনের অন্ধকার দূর হয়ে যায়  ।
  • ২০//আল আলীমু= মহাঙ্গানী=এ নাম সবদা পড়লে ঙ্গান বৃদ্ধি পায় গুনাহ মাফ হয় ও মনের কপাট খুলে যায় ।
  • ২১//আল ক্বাবিদু=রিযিক সংকোচনকারী=প্রত্যহ এ নাম ৪০ বার পড়লে খুত পিপাসা থেকে রখা পাবে ।
  • ২২//আল বাসিতু= সম্প্রসারণকারী=প্রত্যহ ১৪০বার পড়লে বিড়দ আপদ থেকে নিরাপদ থাকা যায় ।
  • ২৩আলখাফিদু=রোধকারী =প্রত্যহ ৫০০ বার এ নামের ‍যিকির করলে মনোবাসনা পূণ হয় ।
  • ২৪//আররাফিউ=উন্নতি প্রদানকারী=১০০ বার পড়লে অত্যাচারীর আত্যাচার খেকে মুক্তি পাওয়া যায় ।
  • ২৫/আল মুইযযু=সম্মানদাতা=প্রত্যহ ৪১ বার পড়লে মযাদা বৃদ্ধি পায় ও সকলের নিকট সম্মানের পত্র হয় ।
  • ২৬//আলমুযিল্লু=অপমানদানকারী=নামাযের পর সেজদায় গিয়ে ৭৫ বার পড়ে দুআ করলে শত্রুতা হতে মুক্তি পাওয়া যায় ।
  • ২৭//আসসামীউ=সবশ্রোতা=বৃহস্প্রতিবার চাশতের পর ৫০০ বার পড়ে দুআ করলে দুআ কবুল হয় ।
  • ২৮//আলবাছীরু=সবদশী=জুমুআর নামাযের পর ১০০ বার পড়লে অন্তরে নূর সৃষ্টি হবে ।
  • ২৯//আলহাকামু=নিদেশদাতা =নিয়মিত এ নামের যিকির করলে কঠিন থেকে কঠিন কাজ সহজ হয় ।
  • ৩০//আলআদলু=ন্যায়বিচারক=শুক্রবার রাতে বিশ টুকরা রুটির উপর লিখে খেলে মানুষ তার অনুগত হয় ।
  • ৩১//আললাতীফু=অনুগ্রহকারী=প্রত্যহ১০০ বার পড়লে মনোবাসনা পূণ হয় ও কাজ সহজ সাধ্য হয়
  • ৩২//আলখাবীরু=সুপ্ত বিষয়ের সবঙ্গাতা=সাত দিন পযন্ত এ নাম পড়তে থাকলে গোপন তথ্য অবগত হওয়া যায় ।
  • ৩৩//আলহালীমু=পরম সহনশীল=ধনাঢ্য সদার ব্যক্তি এ নাম  নিয়মিত পড়লে ধন সম্পদ ও সদারী স্হায়ী হয় ।
  • ৩৪//আলআযীমু=উচ্চমযাদাবান=নিয়মিত এ নামের যিকির করলে মযাদা বৃদ্ধি পায় ও রোগ থেকে নিরাপদ থাকা যায় ।
  • ৩৫//আর রশীদু=সত্যতা পছন্দকারী=সবদা এ নামের যিকির করলে আল্লহ কাদের স্বভাব মহৎ করে দিবেন ।
  • ৩৬//আশশাকূরু=কৃতঙ্গশীল=প্রত্যহ ৫০০ বার এ নামের যিকির করলে কেয়ামতের দিন বিশেষ সম্মান লাভ হবে ।
  • ৩৭//আলআলিয়্যু=মহা উন্নত= এ নাম সবদা পাঠ করলে ও লিখে সঙ্গে রাখলে অভাব অভাব দূর হয়
  • ৩৮//আলকাবীরু=অতিমহান=প্রত্যহ১০০ বার পড়লে সমাজে বিশেষ মর্যাদা লাভ হয় ।
  • ৩৯//আলহাফীযু=রখণাবেথণকারী=এ নাম লিখে সঙ্গে রাখলে পানিতে ডুবে বা আগুনে পুড়ে মৃত্যু ঘটবে না
  • ৪০//আলমুক্বীতু=সামথ্যদাতা=৭ বার পড়ে পানিতে ফুক দিয়ে সে পানি শিশুকে খাওয়ালে তার কান্না বন্ধ হয়
  • ৪১//আলহাসীবু=হিসাব রখক=এ নামের যিকির অধিক পরিমানে করলে অহেতুক ব্যয়ের অভ্যাস দূর হয় ।
  • ৪২//আলজালীলু=মহিমান্বিত=১০ বার পড়ে মালের উপর ফুক দিলে তা নষ্ট হয় না এবং চুরিও হয় না ইনশাআল্লাহ ।
  • ৪৩//আলকারীমু=মযাদাবান=ঘুমানোর পূবে এ নামের যিকির করলে আলেম ও সৎ লোকের মযাদা লাভ হয়  ।
  • ৪৪//আররক্বীবু=নিরাপত্তাদানকারী=গভবতি নারী প্রত্যহ ৭ বার এ নাম পড়লে গভ নষ্ট হবার আশঙ্কা দূর হয় ।
  • ৪৫//আলমুজীবু=প্রাথনা গ্রহণকারী=এ নাম ৩ বার পড়ে মাথায় ফুক ‍দিলে মাথা ব্যথা ভাল হয় ।
  • ৪৬//আলওয়াসিউ=সম্প্রসারণকারী=অধিক পরিমাণে এ নামের যিকির করলে সম্পদ লাভ ও দুচিন্তা দূর হয়
  • ৪৭//আলহাকীমু=মহাঙ্গানী=প্রত্যহ যোহরের নামাযের পর ৯০ বার পড়লে সম্মান ও মযাদা লাভ হয় ।
  • ৪৮//আল ওয়াদূদু=কল্যাণ দানকারী=১০০১বার পড়ে খাদ্যে ফুক দিয়ে স্বামী স্ত্রী থেলে তাদের মধ্যে ভালবাসা সৃষ্টি হয় ।
  • ৪৯//আলমাজীদু=গৌরবান্বিত=প্রত্যহ সকালে ৯৯ বার পড়ে শরীরে ফুক দিলে সমাযে মযাদা বৃদ্ধি পায় ।
  • ৫০//আলবাইছু=পুনরুস্থানকারী=নিদ্রার পূবে বুকের উপর হাত রেখে ১০০০ বার পড়লে ঙ্গান ও হেকমত বৃদ্ধি পায় ।
  • ৫১//আশশাহীদু=সত্য সাথী প্রদানকারী=এ নামের যিকির বেশী বেশী পড়লে অন্তরের খারাপ বাসনা দূর হয় ।
  • ৫২//আলহাক্ককু=সত্য স্বরুপ=প্রত্যহ ১০০০বার পড়লে উত্তম স্ববাবের অধিকারী হয় এবং মন্ধ কাজের বাসনা দূর হয় ।
  • ৫৩//আলওয়াকীলু=অভিভাবক=যালিমের যুলুম থেকে বাচতে প্রত্যহ এ নাম ১৯৬ বার পড়বে ।
  • ৫৪//আতক্বাবিয়্যু=শক্তিশালী=যুমআর পর এ নামের যিকির করলে যুলুম থেকে বাচা যায় ।
  • ৫৫//আলমাতীনু=খমতাবান=নিয়মিত এ নামের যিকির দিনের প্রথম ভাগে করলে কমস্হলে পদউন্নতি হয় ।
  • ৫৬//আলওয়ালিয়্যু=বন্ধু=কঠিন বিপদের সময় শুক্রবার রাতে ১০০০বার পড়লে বিপদ দূর হয়
  • ৫৭//আলহামীদু=প্রশংসিত=প্রত্যহ৯৩ বার পড়লে সকল খারাপ অভ্যাস দূর হয়
  • ৫৮//আলমুহছিয়্যু=হিসাব রখণকারী=প্রত্যেক নামাযের পর  ১০ বার এ নামের যিকির করলে আল্লহর হেফাজতে থাকবে ।
  • ৫৯//আলমুবদিউ=প্রথম সৃজনকারী=প্রত্যহ আসরের নামাযের পর ১১ বার পড়লে মনের বাসনা পূণ হয় ।
  • ৬০//আলমুঈদু=পুন:সৃষ্টিকারী=কোন কথা ভুলে গেলে এ নামের যিকির করলে আল্লাহর ফজলে স্বরণ হয়
  • ৬১//আলমুহয়ী=জীবনদাতা=প্রত্যহ ১০০০ বার পড়লে মনে শক্তি সঞ্ঝার হয় অন্তর আলোকিত হয়
  • ৬২//আলমুমীতু=মৃত্যুদাতা=প্রত্যহ ৭ বার পড়ে নিজের গায়ে ফুক দিলে যাদু টোনা থেকে মুক্ত থাকবে ।
  • ৬৩//আলহাইয়্যু=চিরঞজীব=প্রত্যহ ৩০০০ বার পড়লে পাঠকারী নিরোগ থাকবে ।
  • ৬৪//আলকাইয়্যুমু=চিরস্থায়ী=এ নামের যিকির করলে আল্লাহর ইচ্ছায় মানুষের মধ্যে মযাদা বৃদ্ধি পায় ।
  • ৬৫//আলওয়াজিদু=সবনিয়ন্ত্রক=খাওয়ার সময় পড়লে ওই খাদ্য কলবের শক্তি ও নূর সৃষ্টির সহায়ক হবে ।
  • ৬৬//আলমাজিদু=অতি মযাদাবান=১০ বার পড়ে দম করে ফুক দিয়ে রোগিকে খাওয়ালে আল্লাহর ইচ্ছায় অচিরেই আরোগ্য হবে
  • ৬৭//আলওয়াহিদু=একক=প্রত্যহ১০০০ বার পাঠ করলে মন থেকে পাথিব মায়া ‍দূরিভূতি হয় ।
  • ৬৮//আলআহাদু=একমাত্র আল্লাহ=প্রত্যহ ১০০০ বার পড়লে মনের সকল প্রকার ভয় ও সংকীণতা দূর হয় ।
  • ৬৯//আছছমাদু= অমুখাপেথী=শেষ রাতে নিয়মিত ১১১বার পড়লে সত্যবাদীতা ও ঈমানী শক্তি লাভ হয় ।
  • ৭০//আলক্বাদিরু=সবশক্তিমান=কোন কাজ দূরহ হলে ৪১ বার পড়লে ইনশাআল্লাহ সহজ হবে ।
  • ৭১//আলমুক্বতাদিরু=সাবভৌম=প্রভাতে এ নামের যিকির বেশী বেশী করলে সকল কাজ সহজে সমাধা হবে ।
  • ৭২//আলমুকাদ্দিমু=শীঘ্র সম্পাদনকারী=সবধা এ নামের যিকির করলে নেক আমলের তৌফিক হয়
  • ৭৩//আলমুআখখিরু=বিলম্বে সম্পাদনকারী=অধিক পরিমানে এ নামের যিকির করলে খাটি তওবা করার তৌফিক হয় ।
  • ৭৪//আলআউয়াল=অনাদি=নিয়মিত ৪০বার এ নামের যিকির করলে আল্লাহর ইচ্ছায় পুত্র সন্তান লাভ করবে ।
  • ৭৫//আলআখিরু=অনন্ত=প্রত্যহ ১০০০ বার যিকির করলে মন থেকে শেরেকী দূর হবে ও ঈমানের সঙ্গে মৃত্যু হবে ।
  • ৭৬//আযযাহিরু=প্রকাশ্য=প্রত্যহ ইশরাক এর পর ৫০০ বার পড়লে চোখের দৃষ্টি শক্তি ও অন্তরে নূর লাভ হয় ।
  • ৭৭//আলবাতিনু=অপ্রকাশ্য=প্রত্যহ১০০০ বার পড়লে গোপন রহস্য জানা যাবে
  • ৭৮//আলওয়ালিয়ু=অভিভাবক=এ নামের নিয়মিত যিকির করলে আল্লাহ হঠাৎ বিপদ থেকে রখা করে ।
  • ৭৯//আলমুতা্ আলী=সুমহান=স্ত্রীলোকের হায়েযের সময় কষ্ট হলে এ নামের যিকির করলে কষ্ট কম হয় ।
  • ৮০//আলবাররু=অনুগ্রহকারী=৭ বার পড়ে বাচ্ছাদের দম করলে তারা নিরাপদ থাকবে ও নেককার হবে ।
  • ৮১//আততাওয়্যাবু=তওবা কবুলকী=চাশতের পর নিয়মিত ৩৬০ বার পড়লে তওবা করার বাসনা বৃদ্ধি পায় ।
  • ৮২//আলগফূরু =হে খমাশীল=জুমার নামাযের পর ১০০ বার ইয়া গফফারু ইগফিরলী যুনূবী পড়লে গুনাহ মাফ হয় ।
  • ৮৩//আর মুনতাকিমু=প্রতিশোধ গ্রহণকারী=বেশী বেশী এ নামের যিকির করলে আল্লাহ তাকে সবকাজে সাহায্য করবেন ।
  • ৮৪//আর রউফু=অত্যন্ত কৃপাশলী=১০ বার পড়ে নিজের বা ক্রব্ধ ব্যক্তির বুকে ফুক দিলে ক্রোধ নিবারিত হয় ।
  • ৮৫//আলমালিকুল মুলকি=জগতের অধিপতি=প্রত্যহ ৭০০০ বার করে একাধারে ৭ দিন পড়লে প্রভূত সম্মান লাভ হয় ।
  • ৮৬//যুল জালালি ওয়াল ইকরামি=মহিমা ও সম্মানের অধিকারী=সবদা এ নামের যিকির করলে অন্তরে আল্লাহর মহব্বত সৃষ্টি হয় ।
  • ৮৭//আলমুক্বসিত=ন্যায়পরায়ণ=সবদা এ নামের যিকির করলে এবাদতে কোন সন্দেহ থাকে না
  • ৮৮//আলজামিউ=সমবেতরী=সবদা এ নামের যিকির করলে নেক আত্নীয় স্বজনের সঙ্গে সখ্যতা বৃদ্ধি পায় ।
  • ৮৯//আলগনিয়্যু=সম্পদশালী=বিপদ কালে এ নামের যিকির করলে বিপদ দূর হয় ও স্বচ্ছলতা আসে
  • ৯০//আলমুগনিয়্যু=অভাব মোচনকারী= এ নাম ১০০০ বার পড়লে দারিদ্রতা দূর হয়
  • ৯১//আলমানিউ=নিষেধকারী=সকাল সন্ধা এ নামের ‍যিকির করলে সকল ভাল কাজে সফলতা আসবে ইনশাআল্লাহ
  • ৯২//আদদাররু=খতিসাধনকারী=বেশী বেশী পড়লে অত্যাচারী খতিগ্রস্ত হবে এবং পাঠকারী লাভবান হবে ।
  • ৯৩//আননাফিউ=উপকারকারী=ব্যবসার পণ্য ক্রয় করার আগে ২১ বার পড়লে ব্যবসপয় আশাতীত লাভ হয়
  • ৯৪//আননূরু=জ্যোতি=এ নামের যিকির দ্বারা হৃদয় আল্লাহর নূর আলোকিত হয় ।
  • ৯৫//আল হাদিউ=সতপখ প্রদশক=৫ ওয়াক্ত নামায়ের পর যিকির করলে ঙ্গান বুদ্ধি বৃদ্ধি পায় ।
  • ৯৬//আলবাদিউ=অদ্বিতীয় স্রষ্টা=প্রত্যহ ৪১ বার করে ক্রমাগত ৭ দিন পড়লে  পেরেশানী দূর হয় ।
  • ৯৭//আলবাক্বী=অনন্ত=প্রত্যহ ১০০০ বার  এ নামের যিকির করলে দু:খ কষ্ট দূর হয় ।
  • ৯৮//আল ওয়ারিসু=উত্তরাধিকারী=সূযদয়ের পূবেখনে ১০১ বার এ নামের যিকির করলে দুশ্চিন্তা দূর হয় ।
  • ৯৯//আসসবূরু=ধৈযশীল=এ নামের যিকির বেশী বেশী করলে দু:খ কষ্ট দূর হয় ও বরকত লাভ হয়।

 

 

আইডিসির সাথে যোগ দিয়ে উভয় জাহানের জন্য ভালো কিছু করুন!

 

আইডিসি এবং আইডিসি ফাউন্ডেশনের ব্যপারে  জানতে  লিংক০১ ও লিংক০২ ভিজিট করুন।

আইডিসি  মাদরাসার ব্যপারে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

আপনি আইডিসি  মাদরাসার একজন স্থায়ী সদস্য /পার্টনার হতে চাইলে এই লিংক দেখুন.

আইডিসি এতীমখানা ও গোরাবা ফান্ডে দান করে  দুনিয়া এবং আখিরাতে সফলতা অর্জন করুন।

কুরআন হাদিসের আলোকে বিভিন্ন কঠিন রোগের চিকিৎসা করাতেআইডিসি ‘র সাথে যোগাযোগ করুন।

ইসলামিক বিষয়ে জানতে এবং জানাতে এই গ্রুপে জয়েন করুন।

Islami Dawah Center Cover photo

 

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টারকে সচল রাখতে সাহায্য করুন!

 

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার ১টি অলাভজনক দাওয়াহ প্রতিষ্ঠান, এই প্রতিষ্ঠানের ইসলামিক ব্লগটি বর্তমানে ২০,০০০+ মানুষ প্রতিমাসে পড়ে, দিন দিন আরো অনেক বেশি বেড়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

বর্তমানে মাদরাসা এবং ব্লগ প্রজেক্টের বিভিন্ন খাতে (ওয়েবসাইট হোস্টিং, CDN,কনটেন্ট রাইটিং, প্রুফ রিডিং, ব্লগ পোস্টিং, ডিজাইন এবং মার্কেটিং) মাসে গড়ে ৫০,০০০+ টাকা খরচ হয়, যা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। সেকারনে, এই বিশাল ধর্মীয় কাজকে সামনে এগিয়ে নিতে সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে আপনাদের দোয়া এবং আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন, এমন কিছু ভাই ও বোন ( ৩১৩ জন ) দরকার, যারা আইডিসিকে নির্দিষ্ট অংকের সাহায্য করবেন, তাহলে এই পথ চলা অনেক সহজ হয়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

যারা এককালিন, মাসিক অথবা বাৎসরিক সাহায্য করবেন, তারা আইডিসির মুল টিমের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন, ইংশাআল্লাহ।

আইডিসির ঠিকানাঃ খঃ ৬৫/৫, শাহজাদপুর, গুলশান, ঢাকা -১২১২, মোবাইলঃ +88 01609 820 094, +88 01716 988 953 ( নগদ/বিকাশ পার্সোনাল )

ইমেলঃ info@islamidawahcenter.com, info@idcmadrasah.com, ওয়েব: www.islamidawahcenter.com, www.idcmadrasah.com সার্বিক তত্ত্বাবধানেঃ হাঃ মুফতি মাহবুব ওসমানী ( এম. এ. ইন ইংলিশ, ফার্স্ট ক্লাস )

 

 

কুরআনে বর্ণিত আল্লাহর ৯৯টি গুণবাচক নাম :

 

  • ১. আল্লাহ : “বল, তিনিই আল্লাহ, এক-অদ্বিতীয়।” (সূরা আল-ইখলাস : ০১),
  • ২. আর রহমানু : “পরম দয়ালু।” (সূরা আর-রহমান : ০১),
  • ৩. আর রাহিমু : (সীমাহীন করুণাময়) “পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।” (সূরা ফাতিহা : ০৩), এ ছাড়া কুরআনুল কারিমের বিভিন্ন সূরায় নিম্নে বর্ণিত গুণবাচক নামগুলো রয়েছে :
  • ৪. মালিকু (সত্তাধিকারী),
  • ৫. আল কুদ্দুসু (মহাপবিত্র),
  • ৬. আস্-সালামু (শান্তিদাতা),
  • ৭. আল-মুমিনু (নিরাপত্তাদাতা),
  • ৮. আল-মুহাইমিনু (রক্ষণাবেক্ষণকারী),
  • ৯. আল-আযিযু (মহাপরাক্রমশালী),
  • ১০. আল-জাব্বারু (মহাপ্রতাপশালী),
  • ১১. আল-মুতাকাব্বিরু (মহাগৌরবের অধিকারী),
  • ১২. আল-খালিকু (সৃষ্টিকর্তা),
  • ১৩. আল-কারিমু (উদ্ভাবনকারী),
  • ১৪. আল-মুসাব্বিরু (আকৃতিদানকারী),
  • ১৫. আল-গাফ্ফারু (অসীম ক্ষমাশীল),
  • ১৬. আল-কাহ্হারু (মহাপরাক্রমশালী),
  • ১৭. আল-ওয়াহ্হাবু (মহান দাতা),
  • ১৮. আল রাজ্জাকু (রিজিকদাতা),
  • ১৯. আল-ফাত্তাহু (মহা বিজয়দানকারী),
  • ২০. আল-আলিমু (মহাজ্ঞানী),
  • ২১. আল-ক্বাবিদু (হরণকারী),
  • ২২. আল-বাসিতু (সম্প্রসারণকারী),
  • ২৩. আল-খাফিদু (অবনতকারী),
  • ২৪. আর রাফিয়ু (উন্নতকারী),
  • ২৫. আল মুয়িযু (মর্যাদাদানকারী),
  • ২৬. আল-মুজিল্লু (অপমানকারী),
  • ২৭. আস-সামিয়ু (সর্বশ্রোতা),
  • ২৮. আল-বাসিরু (সর্বদ্রষ্টা)
  • ২৯. আল-হাব্বিসু (মহাবিচারক),
  • ৩০. আল-আদিলু (ন্যায়পরায়ণ),
  • ৩১. আল-লাতিফু (সূক্ষ্মদর্শী),
  • ৩২. আল-খাবিরু (মহা সংবাদরক্ষক),
  • ৩৩. আল-হালিমু (মহা সহিষ্ণু),
  • ৩৪. আল-আযিমু (মহান),
  • ৩৫. আল-গাফুরু (ক্ষমাশীল),
  • ৩৬. আশ্ শাকুরু (গুণগ্রাহী),
  • ৩৭. আল-আলিয়্যু (মহা উন্নত),
  • ৩৮. আল-কাবিরু (সর্বাপেক্ষা বড়),
  • ৩৯. আল-হাফিযু (মহারক্ষক),
  • ৪০. আল-মুকিতু (মহান শক্তিদাতা),
  • ৪১. আল-হাসিবু (হিসাব গ্রহণকারী),
  • ৪২. আল-জালিলু (মহা মহিমাময়),
  • ৪৩. আল-কারিমু (মহা অনুগ্রহশীল),
  • ৪৪. আর রাকিবু (মহাপর্যবেক্ষণকারী),
  • ৪৫. আল-মুজিবু (মহান কবুলকারী),
  • ৪৬. আল- ওয়াসিয়ু (মহাবিস্তারকারী),
  • ৪৭. আল-হাকিমু (মহাপ্রজ্ঞাময়),
  • ৪৮. আল-ওয়াদুদু (প্রেমময় বন্ধু),
  • ৪৯. আল-মাজিদু (মহাগৌরবান্বিত),
  • ৫০. আল-বাইসু (পুনরুত্থানকারী),
  • ৫১. আশ্শাহীদু (সর্বদর্শী),
  • ৫২. আল-হাক্কু (মহাসত্য),
  • ৫৩. আল-ওয়াকিলু (মহান দায়িত্বশীল বা প্রতিনিধি),
  • ৫৪. আল-ক্বাযিয়্যু (মহাশক্তি ধর),
  • ৫৫. আল-মাতিনু (চূড়ান্ত সুরক্ষিত ক্ষমতার অধিকারী),
  • ৫৬. আল-ওয়ালিয়্যু (মহান অভিভাবক),
  • ৫৭. আল-হামিদু (মহাপ্রশংসিত),
  • ৫৮. আল-মুহ্সিয়্যু (পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব গ্রহণকারী),
  • ৫৯. আল-মুবদিয়ু (সূচনাকারী),
  • ৬০. আল-মুঈদু (পুনঃসৃষ্টিকারী),
  • ৬১. আল-হাইয়্যু (চিরঞ্জীব),
  • ৬২. আল-কাইয়্যুমু (চিরস্থায়ী),
  • ৬৩. আল-মুহ্য়িয়ু (জীবনদানকারী),
  • ৬৪. আল-মুমিতু (মৃত্যুদানকারী),
  • ৬৫. আল-ওয়াজিদু (ইচ্ছাপূরণকারী),
  • ৬৬. আল-মাজিদ (মহাগৌরবান্বিত),
  • ৬৭. আল-ওয়াহিদু (একক সত্তা),
  • ৬৮. আস্ ছামাদু (স্বয়ংসম্পূর্ণ/অমুখাপেক্ষী),
  • ৬৯. আল-ক্বাদিরু (সর্বশক্তিমান),
  • ৭০. আল-মুক্তাদিরু (মহান কুদরতের অধিকারী),
  • ৭১. আল-মুকাদ্দিমু (অগ্রসরকারী),
  • ৭২. আল-মুআখ্খিরু (বিলম্বকারী),
  • ৭৩. আল-আউওয়ালু (অনাদি),
  • ৭৪. আল-আখিরু (অনন্ত),
  • ৭৫. আয যাহিরু (প্রকাশ্য),
  • ৭৬. আল-বাতিনু (লুক্কায়িত),
  • ৭৭. আল-ওয়ালিউ (মহান অধিপতি),
  • ৭৮. আল-মুতাআলিয়ু (চির-উন্নত),
  • ৭৯. আল-বাররু (কল্যাণদাতা),
  • ৮০. আত্ তাউওয়াবু (মহান তওবাকবুলকারী),
  • ৮১. আল-মুন্তাকিমু (প্রতিশোধ গ্রহণকারী),
  • ৮২. আল-আফুউ (ক্ষমাকারী/উদারতা প্রদর্শনকারী),
  • ৮৩. আর-রাউফু (অতিশয় দয়ালু),
  • ৮৪. মালিকুল মুলকি (সর্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী),
  • ৮৫. যুল-যালালি ওয়াল ইকরামি (গৌরব ও মহত্ত্বের অধিকারী),
  • ৮৬. আল-মুকসিতু (ন্যায়পরায়ণ),
  • ৮৭. আল-জামিয়ু (একত্রকারী),
  • ৮৮. আল-গানিয়্যু (ঐশ্বর্যের অধিকারী),
  • ৮৯. আল-মুগনিয়ু (ঐশ্বর্যদানকারী),
  • ৯০. আল-মানিয়ু (প্রতিরোধকারী),
  • ৯১. আদ্-দাররু (অনিষ্টকারী),
  • ৯২. আন-নাফিয়ু (উপকারকারী),
  • ৯৩. আন্ নূরু (জ্যোতি),
  • ৯৪. আল-হাদিয়ু ( হেদায়েতকারী/পথ প্রদর্শনকারী),
  • ৯৫. আল-বাদিয়ু (সূচনাকারী),
  • ৯৬. আল-বাকিয়ু (চিরবিরাজমান),
  • ৯৭. আল-ওয়ারিসু (স্বত্বাধিকারী),
  • ৯৮. আর রাশিদু (সৎপথে পরিচালনাকারী),
  • ৯৯. আস-সাবুরু (মহাধৈর্যশীল)।
বিভিন্ন হাদীস অণুসারে, আল্লাহ’র ৯৯টি নামের একটি তালিকা আছে, কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট ধারাবাহিক ক্রম নেই; তাই সম্মিলিত মতৈক্যের ভিত্তিতে কোনো সুনির্দিষ্ট তালিকাও নেই। তাছাড়া কূরআন এবং হাদিসের বর্ণনা অণুসারে আল্লাহ্’র সর্বমোট নামের সংখ্যা ৯৯-এর অধিক, প্রায় ৪,০০০। অধিকন্তু আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ কর্তৃক বর্ণিত একটা হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ্ তার কিছু নাম মানবজাতির অজ্ঞাত রেখেছেন। এই নামসমূহের ব্যাপারে ক্বুরআনের বর্ণনায় আল্লাহ তাআলার উদ্ধৃতি এসেছে “ আল্লাহ বলে আহ্বান কর কিংবা রহমান বলে, যে নামেই আহবান কর না কেন, সব সুন্দর নাম তাঁরই। — সূরা বনী-ইসরাঈল আয়াত ১১০। ” অনেকগুলো হাদিস দ্বারাই প্রমাণিত যে,[৩] মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহ’র অনেকগুলো নাম-এর উল্লেখ করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, একটি বিশুদ্ধ হাদিসে হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) জনাব মুহাম্মাদ (সাঃ) এর উক্তি বর্ণনা করেন যে, “ حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، جَمِيعًا عَنْ سُفْيَانَ، – وَاللَّفْظُ لِعَمْرٍو – حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏”‏ لِلَّهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ اسْمًا مَنْ حَفِظَهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ وَإِنَّ اللَّهَ وِتْرٌ يُحِبُّ الْوِتْرَ ‏”‏ ‏.‏ وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ أَبِي عُمَرَ ‏”‏ مَنْ أَحْصَاهَا ‏”‏ ” অর্থাৎ, “ আল্লাহ তাআলার ৯৯টি নাম আছে; সেগুলোকে মুখস্থকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে। যেহেতু আল্লাহ তাআলা বিজোড় (অর্থাৎ, তিনি একক, এবং এক একটি বিজোড় সংখ্যা), তিনি বিজোড় সংখ্যাকে ভালোবাসেন। আর ইবনে উমরের বর্ণনায় এসেছে যে, (শব্দগুলো হলো) “যে ব্যক্তি সেগুলোকে পড়বে”।[৪] ” ক্বুরআনের বর্ণনায় আল্লাহ’র গুণবাচক নামসমূহকে “সুন্দরতম নামসমূহ” বলে উল্লেখ করা হয়েছে। (নিম্ন-বর্ণিত দেখুন সূরা আল আরাফ ৭:১৮০, বনী-ইসরাঈল 17:110, ত্বোয়া-হা 20:8, আল হাশ্‌র 59:24)
 
Islami Dawah Center Cover photo
 

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টারকে সচল রাখতে সাহায্য করুন!

 

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার ১টি অলাভজনক দাওয়াহ প্রতিষ্ঠান, এই প্রতিষ্ঠানের ইসলামিক ব্লগটি বর্তমানে ২০,০০০+ মানুষ প্রতিমাসে পড়ে, দিন দিন আরো অনেক বেশি বেড়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

বর্তমানে মাদরাসা এবং ব্লগ প্রজেক্টের বিভিন্ন খাতে (ওয়েবসাইট হোস্টিং, CDN,কনটেন্ট রাইটিং, প্রুফ রিডিং, ব্লগ পোস্টিং, ডিজাইন এবং মার্কেটিং) মাসে গড়ে ৫০,০০০+ টাকা খরচ হয়, যা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। সেকারনে, এই বিশাল ধর্মীয় কাজকে সামনে এগিয়ে নিতে সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে আপনাদের দোয়া এবং আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন, এমন কিছু ভাই ও বোন ( ৩১৩ জন ) দরকার, যারা আইডিসিকে নির্দিষ্ট অংকের সাহায্য করবেন, তাহলে এই পথ চলা অনেক সহজ হয়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

যারা এককালিন, মাসিক অথবা বাৎসরিক সাহায্য করবেন, তারা আইডিসির মুল টিমের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন, ইংশাআল্লাহ।

আইডিসির ঠিকানাঃ খঃ ৬৫/৫, শাহজাদপুর, গুলশান, ঢাকা -১২১২, মোবাইলঃ +88 01609 820 094, +88 01716 988 953 ( নগদ/বিকাশ পার্সোনাল )

ইমেলঃ info@islamidawahcenter.com, info@idcmadrasah.com, ওয়েব: www.islamidawahcenter.com, www.idcmadrasah.com সার্বিক তত্ত্বাবধানেঃ হাঃ মুফতি মাহবুব ওসমানী ( এম. এ. ইন ইংলিশ, ফার্স্ট ক্লাস )

 

আল্লাহর ৯৯ নামের মধ্যে ১২টি ফজিলত-আসমায়ে হোসনার ফজিলত-

 
হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী করিম (সাঃ) এরশাদ করেছেন আল্লাহ তালার ৯৯টি নাম রয়েছে যে তা মুখস্থ করবে সে বেহেশ্তে প্রবেশ করবে। এই হাদীসের অন্যত্র এরূপ আছে, যে ব্যক্তি এই নামগুলো মুখস্থ করে নিবে সে নিশ্চয়ই বেহেশতে প্রবেশ করবে। এই নাম গুলো হচ্ছে আল্লাহর, যিনি ব্যতিত কোন মাবুদ নেই। আল্লাহর ৯৯ নামের ১২টরি ফজিলত- ১. ইয়া-আল্লাহ ঃ যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার আল্লাহর নামটি জিকির করবে, আল্লাহপাক তার ঈমান দৃঢ় করবে। পার্থিব কোন লোভ-লালসা বা ছলনা তার ঈমান নষ্ট করতে পারবে না। ২. ইয়া-রাহমানুঃ যে ব্যক্তি দৈনিক প্রত্যেক নামাজের পরে ১০০ বার “ইয়া-রাহমানু” পড়বে ইনশাল্লাহ তার অন্তর থেকে সকল প্রকার কর্কশতা ও গাফলতি দূর হবে। ৩. ইয়া-রাহীমু ঃ যে ব্যক্তি দৈনিক প্রত্যেক নামাজের পরে ১০০ বার “ইয়া-রাহীমু” পড়বে আল্লাহতালা দুনিয়াবিদ বালা মসিবত দূর করে দিবেন। ৪. ইয়া-মালিকু ঃ যে ব্যক্তি ফজরের নামাজের পর প্রত্যহ ১০০ বার “ইয়া-মালিকু” বলবে আল্লাহতালা তাকে ধনী করে দিবেন। ৫. ইয়া-কুদ্দুসু ঃ যে ব্যক্তি প্রত্যহ সূযাস্তের সময় এই নামটি ১০০ পাঠ করবে আল্লাহ তার মনের বিদ্বেষ দূর করে দিবেন। ৬. ইয়া-সালাম ঃ যে ব্যীক্ত এই নামটি “ইয়া-সালাম” বেশি বেশি পাঠ করবেন আল্লাহ তার সকল প্রকার বালা মুসিবত থেকে বাঁচিয়ে রাখবেন। ৭. ইয়া-মুমিনু ঃ যে ব্যক্তি কোন ভয়ের সময় ৩৩ বার এই নামটি পড়বে আল্লাহ পাক সর্ব প্রকার ভয়-ভীতি ও ক্ষতি থেকে নিরাপদে রাখবেন। ৮. ইয়া-মুহাইমিনু ঃ যে ব্যক্তি গোসল করে দুই রাকাত নামাজ পড়ে খাস দিলে ১০০ বার “ইয়া-মুহাইমিনু” এই নামটি পড়বে আল্লাহ তালা তার ভিতর ও বাহির করে দিবেন। ৯. ইয়া-আযিযু ঃ যে ব্যক্তি ৪০ দিন পর্যন্ত একাধারে ৪০ বার “ইয়া-আযিযু” পড়বে আল্লাহপাক তাকে সম্মানিত ও অমুখাপেক্ষী করে দিবেন। ১০. ইয়া-জব্বারু ঃ কেউ যদি উক্তি নামটি হাতের আংটির পাথরে খোদাই করে ব্যবহার করে, তবে সে যেখানেই গমন করুক না কে লোকে তাকে সম্মান করবে। ১১. ইয়া-মুতাকাব্বিরঃ যে ব্যক্তি নিদ্রা যাওয়ার পূর্বে অযু করে পবিত্রাবস্থায় এই নাম পাঠ করবে, আল্লাহ তাকে ভয়-ভীতি পূর্ণ কোন স্বপ্ন দেখাবেন না। ১২. ইয়া-খলিকু ঃ যে ব্যক্তি একাধারে ৭ দিন পর্যন্ত এই নামটি সদা সর্বদা জিকির করিবে, আল্লাহ তালা তাকে বিপদ-আপদ থেকে মুক্ত রাখবেন।

 

আইডিসির সাথে যোগ দিয়ে উভয় জাহানের জন্য ভালো কিছু করুন!

 

আইডিসি এবং আইডিসি ফাউন্ডেশনের ব্যপারে  জানতে  লিংক০১ ও লিংক০২ ভিজিট করুন।

আইডিসি  মাদরাসার ব্যপারে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

আপনি আইডিসি  মাদরাসার একজন স্থায়ী সদস্য /পার্টনার হতে চাইলে এই লিংক দেখুন.

আইডিসি এতীমখানা ও গোরাবা ফান্ডে দান করে  দুনিয়া এবং আখিরাতে সফলতা অর্জন করুন।

কুরআন হাদিসের আলোকে বিভিন্ন কঠিন রোগের চিকিৎসা করাতেআইডিসি ‘র সাথে যোগাযোগ করুন।

ইসলামিক বিষয়ে জানতে এবং জানাতে এই গ্রুপে জয়েন করুন।