Surah Waqiah সূরা ওয়াকিয়া’হ এবং এর ফজিলত

 

Sura-Waqiah

 

56) সূরা আল ওয়াক্বিয়া – Surah Waqia (মক্কায় অবতীর্ণ – Ayah 96)

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

 
 

(1 إِذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ যখন কিয়ামতের ঘটনা ঘটবে, When the Event inevitable cometh to pass,

( إِذَا যখন When وَقَعَتِ ঘটবে occurs ٱلْوَاقِعَةُ ঘটনাটি (কিয়ামত) the Event )

 

(2 لَيْسَ لِوَقْعَتِهَا كَاذِبَةٌ যার বাস্তবতায় কোন সংশয় নেই। Then will no (soul) entertain falsehood concerning its coming.

( لَيْسَ না (হবে) Not لِوَقْعَتِهَا তার সংঘটনের (ব্যাপারে) at its occurrence كَاذِبَةٌ কোনো অস্বীকারকারী a denial )

 

(3 خَافِضَةٌ رَّافِعَةٌ এটা নীচু করে দেবে, সমুন্নত করে দেবে। (Many) will it bring low; (many) will it exalt;
( خَافِضَةٌ (তাহবে কাঊকে) অবনতকারী Bringing down رَّافِعَةٌ (আবার কাঊকে) সমুন্নতকারী raising up)
 
 
(4 إِذَا رُجَّتِ الْأَرْضُ رَجًّا যখন প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী। When the earth shall be shaken to its depths,
(  إِذَا যখন When, رُجَّتِ প্রকম্পিত করা হবে will be shaken,  ٱلْأَرْضُ পৃথিবী the earth,  رَجًّا (প্রবল) কম্পন (with) a shaking ) 
 
 
(5 وَبُسَّتِ الْجِبَالُ بَسًّا এবং পর্বতমালা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে। And the mountains shall be crumbled to atoms,
( وَبُسَّتِ = এবং ছিন্নভিন্ন করা হবে And will be crumbled, ٱلْجِبَالُ পাহারসমূহকে the mountains, بَسًّا ছিন্নভিন্ন করার মতো (with awful) crumbling) 
 
 
(6 فَكَانَتْ هَبَاء مُّنبَثًّا অতঃপর তা হয়ে যাবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণা। Becoming dust scattered abroad, 

( فَكَانَتْ অতঃপর তা হবে So they become , هَبَآءً ধূলিকণা dust particles,  مُّنۢبَثًّا বিক্ষিপ্ত dispersing ) 

 
(7 وَكُنتُمْ أَزْوَاجًا ثَلَاثَةً  এবং তোমরা তিনভাবে বিভক্ত হয়ে পড়বে। And ye shall be sorted out into three classes.

( وَكُنتُمْ এবং তোমরা হবে বিভক্ত And you will become أَزْوَٰجًا ভাগে বিভক্ত kinds ثَلَٰثَةً তিনটি three ) 

 
(8 فَأَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ مَا أَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ যারা ডান দিকে, কত ভাগ্যবান তারা। Then (there will be) the Companions of the Right Hand;- What will be the Companions of the Right Hand?

( فَأَصْحَٰبُ লোকগুলো অতঃপর Then (the) companions ٱلْمَيْمَنَةِ ডান হাতের (of) the right مَآ কি (ভাগ্যবান) what أَصْحَٰبُ লোকগুলো (are the) companions ٱلْمَيْمَنَةِ ডানহাতের (of) the right?

 
(9 وَأَصْحَابُ الْمَشْأَمَةِ مَا أَصْحَابُ الْمَشْأَمَةِ এবং যারা বামদিকে, কত হতভাগা তারা। And the Companions of the Left Hand,- what will be the Companions of the Left Hand?

( وَأَصْحَٰبُ এবং লোকগুলো And (the) companions ٱلْمَشْـَٔمَةِ বামহাতের (of) the left مَآ কি (দুর্ভাগা) what أَصْحَٰبُ লোকগুলো (are the) companions ٱلْمَشْـَٔمَةِ বামহাতের (of) the left?

 
(10 وَالسَّابِقُونَ السَّابِقُونَ অগ্রবর্তীগণ তো অগ্রবর্তীই। And those Foremost (in Faith) will be Foremost (in the Hereafter).
( وَٱلسَّٰبِقُونَ এবং অগ্রবর্তীরা (তো) And the foremost, ٱلسَّٰبِقُونَ অগ্রবর্তীই (are) the foremost)
 
(11 أُوْلَئِكَ الْمُقَرَّبُونَ তারাই নৈকট্যশীল, These will be those Nearest to Allah.
( أُو۟لَٰٓئِكَ তারাই Those, ٱلْمُقَرَّبُونَ নৈকট্যপ্রাপ্ত (are) the nearest ones)
 
(12 فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ অবদানের উদ্যানসমূহে, In Gardens of Bliss:
( فِى (তারা থাকবে) মধ্যে In,  جَنَّٰتِ জান্নাতের Gardens ٱلنَّعِيمِ )
 
(13 ثُلَّةٌ مِّنَ الْأَوَّلِينَ তারা একদল পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে। A number of people from those of old,
( ثُلَّةٌ বেশিসংখ্যক A company , مِّنَ মধ্য হতে of,  ٱلْأَوَّلِينَ পূর্ববর্তীদের the former people )
 
(14 وَقَلِيلٌ مِّنَ الْآخِرِينَ এবং অল্পসংখ্যক পরবর্তীদের মধ্যে থেকে। And a few from those of later times.
( وَقَلِيلٌ এবং অল্পসংখ্যক (হবে) And a few, مِّنَ  মধ্য হতে of,  ٱلْءَاخِرِينَ পরবর্তীদের the later people)
 
(15 عَلَى سُرُرٍ مَّوْضُونَةٍ স্বর্ণ খচিত সিংহাসন। (They will be) on Thrones encrusted (with gold and precious stones),
( عَلَىٰ (তারা বসবে) উপর On, سُرُرٍ আসন সমূহের thrones, مَّوْضُونَةٍ স্বর্ণখচিত decorated )
 
(16 مُتَّكِئِينَ عَلَيْهَا مُتَقَابِلِينَ তারা তাতে হেলান দিয়ে বসবে পরস্পর মুখোমুখি হয়ে। Reclining on them, facing each other.
(  مُّتَّكِـِٔينَ হেলানদিয়ে বসবে Reclining, عَلَيْهَا তার উপর on them, مُتَقَٰبِلِينَ মুখোমুখি হয়ে facing each other )
 
(17 يَطُوفُ عَلَيْهِمْ وِلْدَانٌ مُّخَلَّدُونَ তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরেরা। Roundabout them will (serve) youths of perpetual (freshness),
( يَطُوفُ ঘুরাফিরা করবে Will circulate, عَلَيْهِمْ তাদের কাছে  among them, وِلْدَٰنٌ কিশোররা boys,  مُّخَلَّدُونَ চির immortal )
 
 
(18 بِأَكْوَابٍ وَأَبَارِيقَ وَكَأْسٍ مِّن مَّعِينٍ পানপাত্র কুঁজা ও খাঁটি সূরাপূর্ণ পেয়ালা হাতে নিয়ে, With goblets, (shining) beakers, and cups (filled) out of clear-flowing fountains:
( بِأَكْوَابٍ পান পাত্রগুলো নিয়ে With vessels, وَأَبَارِيقَ ও কুঁজো and jugs,  وَكَأْسٍ ও পেয়ালা (ভরা) and a cup, مِّن  হতে  from, مَّعِينٍ প্রবাহিত সূরারঝর্ণা  a flowing stream)
 
(19 لَا يُصَدَّعُونَ عَنْهَا وَلَا يُنزِفُونَ যা পান করলে তাদের শিরঃপীড়া হবে না এবং বিকারগ্রস্ত ও হবে না। No after-ache will they receive therefrom, nor will they suffer intoxication:
( لَّا না Not, يُصَدَّعُونَ মাথাঘুরাবে they will get headache, عَنْهَا তা থেকে therefrom, وَلَا এবং না and not,  يُنزِفُونَ তারা জ্ঞানহারা হবে they will get intoxicated )
 
 
(20وَفَاكِهَةٍ مِّمَّا يَتَخَيَّرُونَ আর তাদের পছন্দমত ফল-মুল নিয়ে, And with fruits, any that they may select:
(  وَفَٰكِهَةٍ এবং ফলমূল (থাকবে) And fruits, مِّمَّا তা হতে যা (চাইবে) of what,  يَتَخَيَّرُونَ তারা বেছে নিবে they select )
 
(21 وَلَحْمِ طَيْرٍ مِّمَّا يَشْتَهُونَ এবং রুচিমত পাখীর মাংস নিয়ে। And the flesh of fowls, any that they may desire.
( وَلَحْمِ এবং গোশত (থাকবে) And (the) flesh,  طَيْرٍ পাখির (of) fowls,  مِّمَّا তাহতে যা of what,  يَشْتَهُونَ  তারা চাইবে (নিতে পারবে) they desire )
 
(22 وَحُورٌ عِينٌ তথায় থাকবে আনতনয়না হুরগণ, And (there will be) Companions with beautiful, big, and lustrous eyes,-
(  وَحُورٌ এবং হুরসমূহ (থাকবে) And fair ones,  عِينٌ ডাগর চোখ বিশিষ্ট (with) large eyes )
 
 
(23 كَأَمْثَالِ اللُّؤْلُؤِ الْمَكْنُونِ আবরণে রক্ষিত মোতির ন্যায়, Like unto Pearls well-guarded.
( كَأَمْثَٰلِ দৃষ্টান্ত মতো Like, ٱللُّؤْلُؤِ মুক্তার pearls, ٱلْمَكْنُونِ লুকিয়েরাখা well-protected )

 

(24 جَزَاء بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ তারা যা কিছু করত, তার পুরস্কারস্বরূপ। A Reward for the deeds of their past (life).
(  جَزَآءًۢ পুরষ্কার A reward, بِمَا ঐ বিষয়ের যা for what,  كَانُوا۟ তারা ছিল they used (to),  يَعْمَلُونَ তারা কাজ করতে do )
 
 
(25 لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا تَأْثِيمًا তারা তথায় অবান্তর ও কোন খারাপ কথা শুনবে না। Not frivolity will they hear therein, nor any taint of ill,-
( لَا না Not,  يَسْمَعُونَ তারা শুনতেপাবে  they will hear, فِيهَا তার মধ্যে therein,  لَغْوًا অসারকথা vain talk, وَلا এবং না and not, تَأْثِيمًا পাপের (কথা)  sinful (speech) )
 
(26 إِلَّا قِيلًا سَلَامًا سَلَامًا কিন্তু শুনবে সালাম আর সালাম। Only the saying, “Peace! Peace”.
( إِلَّا তবে Except,  قِيلًا বলা হবে a saying, سَلَٰمًا “সালাম” “Peace, سَلَٰمًا “(আর) সালাম” Peace” )
 
 
(27 وَأَصْحَابُ الْيَمِينِ مَا أَصْحَابُ الْيَمِينِ যারা ডান দিকে থাকবে, তারা কত ভাগ্যবান। The Companions of the Right Hand,- what will be the Companions of the Right Hand?
( وَأَصْحَٰبُ এবং লোকগুলো And (the) companions, ٱلْيَمِينِ ডানহাতের (of) the right, مَآ কি (ভাগ্যবান) what, أَصْحَٰبُ লোকগুলো (are the) companions, ٱلْيَمِينِ ডানহাতের (of) the right? )

 

(28 فِي سِدْرٍ مَّخْضُودٍ তারা থাকবে কাঁটাবিহীন বদরিকা বৃক্ষে। (They will be) among Lote-trees without thorns,
( فِى মধ্যে Among, سِدْرٍ কুলবৃক্ষসমূহের lote trees, مَّخْضُودٍ কাঁটাহীন thornless )
 
(29 وَطَلْحٍ مَّنضُودٍ এবং কাঁদি কাঁদি কলায়, Among Talh trees with flowers (or fruits), piled one above another,
( وَطَلْحٍ এবং কলাসমূহে And banana trees, مَّنضُودٍ থরে থরে সাজানো layered )
 
(30 وَظِلٍّ مَّمْدُودٍ এবং দীর্ঘ ছায়ায়। In shade long-extended,
( وَظِلٍّ ও ছায়ায় And shade, مَّمْدُودٍ বিস্তৃত extended )
 
(31 وَمَاء مَّسْكُوبٍ এবং প্রবাহিত পানিতে, By water flowing constantly,
( وَمَآءٍ এবং পানির (কাছে) And water, مَّسْكُوبٍ (সদা) প্রবহমান poured forth )
 
(32 وَفَاكِهَةٍ كَثِيرَةٍ ও প্রচুর ফল-মূলে, And fruit in abundance.
( وَفَٰكِهَةٍ এবং ফলমূল And fruit,  كَثِيرَةٍ পর্যাপ্ত abundant )
 
(33 لَّا مَقْطُوعَةٍ وَلَا مَمْنُوعَةٍ যা শেষ হবার নয় এবং নিষিদ্ধ ও নয়, Whose season is not limited, nor (supply) forbidden,
( لَّا না Not, مَقْطُوعَةٍ শেষ হবে limited, وَلَا আর না and not,  مَمْنُوعَةٍ নিষিদ্ধ হবে forbidden )
 
 
(34 وَفُرُشٍ مَّرْفُوعَةٍ আর থাকবে সমুন্নত শয্যায়। And on Thrones (of Dignity), raised high.
( وَفُرُشٍ এবং শয্যাসমূহে And (on) couches, مَّرْفُوعَةٍ সুউচ্চ raised )
 
 
(35 إِنَّا أَنشَأْنَاهُنَّ إِنشَاء আমি জান্নাতী রমণীগণকে বিশেষরূপে সৃষ্টি করেছি। We have created (their Companions) of special creation.
( إِنَّآ নিশ্চয়ই আমরা Indeed We, أَنشَأْنَٰهُنَّ তাদের আমরা সৃষ্টি করব [We] have produced them, إِنشَآءً সৃষ্টি (নতুন করে) (into) a creation )
 
(36 فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا অতঃপর তাদেরকে করেছি চিরকুমারী। And made them virgin – pure (and undefiled), –
( فَجَعَلْنَٰهُنَّ তাদের অতঃপর আমরা বানানো And We have made them, أَبْكَارًا চিরকুমারী virgins )

 

(37 عُرُبًا أَتْرَابًا কামিনী, সমবয়স্কা। Beloved (by nature), equal in age,-
( عُرُبًا স্বামীসোহাগিনী Devoted,  أَتْرَابًا সমবয়স্কা equals in age )
 
 
(38 لِّأَصْحَابِ الْيَمِينِ ডান দিকের লোকদের জন্যে। For the Companions of the Right Hand.
( لِّأَصْحَٰبِ লোকদের জন্যে For (the) companions,  ٱلْيَمِينِ ডানহাতের (of) the right )
 
 
(39 ثُلَّةٌ مِّنَ الْأَوَّلِينَ তাদের একদল হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে। A (goodly) number from those of old,
( ثُلَّةٌ বহুসংখ্যক A company, مِّنَ মধ্য হতে of , ٱلْأَوَّلِينَ পূর্ববর্তীদের the former people )
 
 
(40 وَثُلَّةٌ مِّنَ الْآخِرِينَ এবং একদল পরবর্তীদের মধ্য থেকে। And a (goodly) number from those of later times.
( وَثُلَّةٌ বহুসংখ্যক And a company, مِّنَ মধ্য হতে of,  ٱلْءَاخِرِينَ পরবর্তীদের the later people )
 
 
(41 وَأَصْحَابُ الشِّمَالِ مَا أَصْحَابُ الشِّمَالِ বামপার্শ্বস্থ লোক, কত না হতভাগা তারা। The Companions of the Left Hand,- what will be the Companions of the Left Hand..
 
( وَأَصْحَٰبُ এবং লোকদের And (the) companions ٱلشِّمَالِ বামহাতের (of) the left مَآ কি (দুর্ভাগ্য) what أَصْحَٰبُ লোকদের (are the) companions ٱلشِّمَالِ বামহাতের (of) the left?)
 
(42 فِي سَمُومٍ وَحَمِيمٍ তারা থাকবে প্রখর বাষ্পে এবং উত্তপ্ত পানিতে, (They will be) in the midst of a Fierce Blast of Fire and in Boiling Water,
( فِى মধ্য (থাকবে) In سَمُومٍ উষ্ণবাতাস scorching fire وَحَمِيمٍ ও ফুটন্ত পানির and scalding water )
 
(43 وَظِلٍّ مِّن يَحْمُومٍ এবং ধুম্রকুঞ্জের ছায়ায়। And in the shades of Black Smoke:
( وَظِلٍّ এবং ছায়ায় And a shade مِّن থেকে (সৃষ্টি) of يَحْمُومٍ কালো ধোঁয়ার black smoke )
 
(44 لَّا بَارِدٍ وَلَا كَرِيمٍ যা শীতল নয় এবং আরামদায়কও নয়। Nothing (will there be) to refresh, nor to please:
( لَّا না Not بَارِدٍ ঠাণ্ডা (হবে) cool وَلَا আর না and not كَرِيمٍ আনন্দদায়ক pleasant )
 
(45 إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَلِكَ مُتْرَفِينَ তারা ইতিপূর্বে স্বাচ্ছন্দ্যশীল ছিল। For that they were wont to be indulged, before that, in wealth (and luxury),
( إِنَّهُمْ তারা নিশ্চয়ই Indeed they كَانُوا۟ ছিল were قَبْلَ পূর্বে before ذَٰلِكَ এর that مُتْرَفِينَ বিলাসী জীবনের অধিকারী indulging in affluence)
 
(46 وَكَانُوا يُصِرُّونَ عَلَى الْحِنثِ الْعَظِيمِ তারা সদাসর্বদা ঘোরতর পাপকর্মে ডুবে থাকত। And persisted obstinately in wickedness supreme!
( وَكَانُوا۟ এবং তারা ছিল And were يُصِرُّونَ তারা অবিরত লিপ্ত থাকে persisting عَلَى উপর in ٱلْحِنثِ পাপের the sin ٱلْعَظِيمِ ঘোরতর the great)
 
(47 وَكَانُوا يَقُولُونَ أَئِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَامًا أَئِنَّا لَمَبْعُوثُونَ তারা বলতঃ আমরা যখন মরে অস্থি ও মৃত্তিকায় পরিণত হয়ে যাব, তখনও কি পুনরুত্থিত হব? And they used to say, “What! when we die and become dust and bones, shall we then indeed be raised up again?-
( وَكَانُوا۟ এবং তারা ছিল And they used (to) يَقُولُونَ তারা বলে say أَئِذَا “যখন কি “When مِتْنَا আমরা মরে যাব we die وَكُنَّا ও আমরা হব and become تُرَابًا মাটি dust وَعِظَٰمًا ও হাড় and bones أَءِنَّا নিশ্চয়ই কি আমরা will we لَمَبْعُوثُونَ উত্থিত হব অবশ্যই surely be resurrected?
 
 
(48 أَوَ آبَاؤُنَا الْأَوَّلُونَ এবং আমাদের পূর্বপুরুষগণও! “(We) and our fathers of old?”
( أَوَءَابَآؤُنَا অথবা আমাদের বাপদাদারও And also ٱلْأَوَّلُونَ পূর্বসূরী our forefathers?
 
 
(49 قُلْ إِنَّ الْأَوَّلِينَ وَالْآخِرِينَ বলুনঃ পূর্ববর্তী ও পরবর্তীগণ, Say: “Yea, those of old and those of later times,

( قُلْ বলো Say إِنَّ “নিশ্চয়ই “Indeed ٱلْأَوَّلِينَ পূর্বসূরীকে the former وَٱلْءَاخِرِينَ এবং উত্তরসূরীকে and the later people) 

 
 
(50 لَمَجْمُوعُونَ إِلَى مِيقَاتِ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ সবাই একত্রিত হবে এক নির্দিষ্ট দিনের নির্দিষ্ট সময়ে। “All will certainly be gathered together for the meeting appointed for a Day well-known.
( لَمَجْمُوعُونَ অবশ্যই একত্র করা হবে Surely will be gathered إِلَىٰ দিকে for مِيقَٰتِ (নির্দিষ্ট) সময়ে (the) appointment يَوْمٍ দিনে (of) a Day مَّعْلُومٍ নির্ধারিত”well-known”)
 
 
(51 ثُمَّ إِنَّكُمْ أَيُّهَا الضَّالُّونَ الْمُكَذِّبُونَ অতঃপর হে পথভ্রষ্ট, মিথ্যারোপকারীগণ। “Then will ye truly,- O ye that go wrong, and treat (Truth) as Falsehood!-
( ثُمَّ “এরপর “Then إِنَّكُمْ নিশ্চয়ই তোমরা indeed you أَيُّهَا হে O those astray! ٱلضَّآلُّونَ পথভ্রষ্টরা O those astray! ٱلْمُكَذِّبُونَ মিথ্যারোপকারীরা the deniers )
 
 
(52 لَآكِلُونَ مِن شَجَرٍ مِّن زَقُّومٍ তোমরা অবশ্যই ভক্ষণ করবে যাক্কুম বৃক্ষ থেকে, “Ye will surely taste of the Tree of Zaqqum.
(  لَءَاكِلُونَ অবশ্যই আহার করবে Will surely eat مِن থেকে from شَجَرٍ গাছ (the) tree مِّن থেকে of زَقُّومٍ যাক্কুমের Zaqqum )
 
 
(53 فَمَالِؤُونَ مِنْهَا الْبُطُونَ অতঃপর তা দ্বারা উদর পূর্ণ করবে, “Then will ye fill your insides therewith,
( فَمَالِـُٔونَ অতঃপর পূর্ণ করবে Then will fill مِنْهَا তা দিয়ে with it ٱلْبُطُونَ পেট সমূহকে the bellies )
 
 
(54 فَشَارِبُونَ عَلَيْهِ مِنَ الْحَمِيمِ অতঃপর তার উপর পান করবে উত্তপ্ত পানি। “And drink Boiling Water on top of it:

( فَشَٰرِبُونَ অতঃপর পান করবে And drink عَلَيْهِ তার উপর over it مِنَ থেকে [from] ٱلْحَمِيمِ ফুটন্ত পানি the scalding water

 
(55 فَشَارِبُونَ شُرْبَ الْهِيمِ পান করবে পিপাসিত উটের ন্যায়। “Indeed ye shall drink like diseased camels raging with thirst!”
(  فَشَٰرِبُونَ অতঃপর পান করবে And will drink شُرْبَ পান করার (মত) (as) drinking ٱلْهِيمِ পিপাসার্ত উট সমূহের” (of) the thirsty camels”)
 
 
(56 هَذَا نُزُلُهُمْ يَوْمَ الدِّينِ কেয়ামতের দিন এটাই হবে তাদের আপ্যায়ন। Such will be their entertainment on the Day of Requital! 

(  هَٰذَا এটা This نُزُلُهُمْ তাদের আপ্যায়ন (হবে) (is) their hospitality يَوْمَ দিনে (on the) Day ٱلدِّينِ কিয়ামতের (of) Judgment )

 
 
(57 نَحْنُ خَلَقْنَاكُمْ فَلَوْلَا تُصَدِّقُونَ আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে। অতঃপর কেন তোমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস কর না। It is We Who have created you: why will ye not witness the Truth?

( نَحْنُ আমরা We خَلَقْنَٰكُمْ তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি [We] created you فَلَوْلَا কেন তবুও না so why (do) not تُصَدِّقُونَ তোমার বিশ্বাস কর you admit the truth?)

 
(58 أَفَرَأَيْتُم مَّا تُمْنُونَ তোমরা কি ভেবে দেখেছ, তোমাদের বীর্যপাত সম্পর্কে। Do ye then see?- The (human Seed) that ye throw out,-
(  أَفَرَءَيْتُم তোমরা (ভেবে) দেখেছ কি তাহলে Do you see مَّا যা what تُمْنُونَ তোমরা বীর্যপাত কর you emit? )
 
 
(59 أَأَنتُمْ تَخْلُقُونَهُ أَمْ نَحْنُ الْخَالِقُونَ তোমরা তাকে সৃষ্টি কর, না আমি সৃষ্টি করি? Is it ye who create it, or are We the Creators?

( ءَأَنتُمْ তোমরা কি Is it you تَخْلُقُونَهُۥٓ তা সৃষ্টি কর who create it أَمْ না or نَحْنُ আমরা (are) We ٱلْخَٰلِقُونَ সৃষ্টিকারী the Creators? ) 

 
 
(60 نَحْنُ قَدَّرْنَا بَيْنَكُمُ الْمَوْتَ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ আমি তোমাদের মৃত্যুকাল নির্ধারিত করেছি এবং আমি অক্ষম নই। We have decreed Death to be your common lot, and We are not to be frustrated
( نَحْنُ আমরা We قَدَّرْنَا নির্ধারণ করেছি [We] have decreed بَيْنَكُمُ তোমাদের মাঝে among you ٱلْمَوْتَ মৃত্যু the death وَمَا এবং না and not نَحْنُ আমরা We بِمَسْبُوقِينَ অক্ষম (are) outrun) 
 
 
(61 عَلَى أَن نُّبَدِّلَ أَمْثَالَكُمْ وَنُنشِئَكُمْ فِي مَا لَا تَعْلَمُونَ এ ব্যাপারে যে, তোমাদের পরিবর্তে তোমাদের মত লোককে নিয়ে আসি এবং তোমাদেরকে এমন করে দেই, যা তোমরা জান না। from changing your Forms and creating you (again) in (forms) that ye know not.
(  عَلَىٰٓ এক্ষেত্রে In أَن যে that نُّبَدِّلَ পরিবর্তন করব আমরা We (will) change أَمْثَٰلَكُمْ তোমাদের আকৃতি your likeness[es] وَنُنشِئَكُمْ এবং তোমাদের সৃষ্টি করব আমরা and produce you فِى (এমন আকৃতির) মধ্যে in مَا যা what لَا না not تَعْلَمُونَ তোমরা জান you know)
 
 
 
(62 وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ النَّشْأَةَ الْأُولَى فَلَوْلَا تَذكَّرُونَ তোমরা অবগত হয়েছ প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে, তবে তোমরা অনুধাবন কর না কেন? And ye certainly know already the first form of creation: why then do ye not celebrate His praises?
(  وَلَقَدْ এবং নিশ্চয়ই And certainly عَلِمْتُمُ তোমরা জেনেছ you know ٱلنَّشْأَةَ সৃষ্টিকে the creation ٱلْأُولَىٰ প্রথমবার the first فَلَوْلَا কেন তবে না so why not تَذَكَّرُونَ তোমরা শিক্ষা গ্রহণ কর you take heed? ) 
 
 
(63 أَفَرَأَيْتُم مَّا تَحْرُثُونَ তোমরা যে বীজ বপন কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি? See ye the seed that ye sow in the ground?

( أَفَرَءَيْتُم তোমরা তবে কি (ভেবে) দেখেছ And do you see مَّا যা what تَحْرُثُونَ তোমরা বীজবপণ কর you sow? )

 
(64 أَأَنتُمْ تَزْرَعُونَهُ أَمْ نَحْنُ الزَّارِعُونَ তোমরা তাকে উৎপন্ন কর, না আমি উৎপন্নকারী ? Is it ye that cause it to grow, or are We the Cause?
( ءَأَنتُمْ তোমরা কি Is it you (who) تَزْرَعُونَهُۥٓ সেই ফসল ফলাও cause it to grow أَمْ না or نَحْنُ আমরা (are) We ٱلزَّٰرِعُونَ উৎপাদনকারী the Ones Who grow? ) 
 
 
(65 لَوْ نَشَاء لَجَعَلْنَاهُ حُطَامًا فَظَلَلْتُمْ تَفَكَّهُونَ আমি ইচ্ছা করলে তাকে খড়কুটা করে দিতে পারি, অতঃপর হয়ে যাবে তোমরা বিস্ময়াবিষ্ট।
Were it Our Will, We could crumble it to dry powder, and ye would be left in wonderment,
(  لَوْ যদি If نَشَآءُ চাই আমরা We willed لَجَعَلْنَٰهُ তা আমরা পরিণত করতে পারি অবশ্যই We (would) surely make it حُطَٰمًا খড়কুটায় debris فَظَلْتُمْ তোমরা তখন থাকবে then you would remain تَفَكَّهُونَ অবাক বোধ করতে wondering) 
 
(66 إِنَّا لَمُغْرَمُونَ বলবেঃ আমরা তো ঋণের চাপে পড়ে গেলাম; (Saying), “We are indeed left with debts (for nothing):
( إِنَّا “(বলবে) আমরা নিশ্চয়ই “Indeed we لَمُغْرَمُونَ অবশ্যই ঋণগ্রস্ত হয়েছি surely are laden with debt )
 
(67 بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ বরং আমরা হূত সর্বস্ব হয়ে পড়লাম। “Indeed are we shut out (of the fruits of our labor)”
(  بَلْ বরং Nay نَحْنُ আমরা we مَحْرُومُونَ বঞ্চিত হয়েছি” (are) deprived”)
 
 
(68 أَفَرَأَيْتُمُ الْمَاء الَّذِي تَشْرَبُونَ তোমরা যে পানি পান কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি? See ye the water which ye drink?

(  أَفَرَءَيْتُمُ তোমরা তবে কি (ভেবে) দেখেছ Do you see ٱلْمَآءَ পানি (সম্পর্কে) the water ٱلَّذِى যা which تَشْرَبُونَ তোমরা পান কর you drink? )

(69 أَأَنتُمْ أَنزَلْتُمُوهُ مِنَ الْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ الْمُنزِلُونَ তোমরা তা মেঘ থেকে নামিয়ে আন, না আমি বর্ষন করি? Do ye bring it down (in rain) from the cloud or do We?
(  ءَأَنتُمْ তোমরা কি Is it you أَنزَلْتُمُوهُ তা নামিয়ে আন who send it down مِنَ থেকে from ٱلْمُزْنِ মেঘ the rain clouds أَمْ না or نَحْنُ আমরা We ٱلْمُنزِلُونَ বর্ষণকারী (are) the Ones to send?
 
 
(70 لَوْ نَشَاء جَعَلْنَاهُ أُجَاجًا فَلَوْلَا تَشْكُرُونَ আমি ইচ্ছা করলে তাকে লোনা করে দিতে পারি, অতঃপর তোমরা কেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না? Were it Our Will, We could make it salt (and unpalatable): then why do ye not give thanks?
( لَوْ যদি If نَشَآءُ চাই আমরা We willed جَعَلْنَٰهُ তা আমরা করতে পারি We (could) make it أُجَاجًا লোনা salty فَلَوْلَا কেন তাহলে না then why are you not grateful? تَشْكُرُونَ তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর then why are you not grateful?)
 
 
(71 أَفَرَأَيْتُمُ النَّارَ الَّتِي تُورُونَ তোমরা যে অগ্নি প্রজ্জ্বলিত কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি? See ye the Fire which ye kindle?

( أَفَرَءَيْتُمُ তোমরা তবে কি (ভেবে) দেখেছ Do you see ٱلنَّارَ আগুন (সম্পর্কে) the Fire ٱلَّتِى যা which تُورُونَ তোমরা জ্বালাও you ignite?)

 
(72 أَأَنتُمْ أَنشَأْتُمْ شَجَرَتَهَا أَمْ نَحْنُ الْمُنشِؤُونَ তোমরা কি এর বৃক্ষ সৃষ্টি করেছ, না আমি সৃষ্টি করেছি ? Is it ye who grow the tree which feeds the fire, or do We grow it?
( ءَأَنتُمْ তোমরা কি Is it you أَنشَأْتُمْ তোমরাই সৃষ্টি করেছ who produced شَجَرَتَهَآ তার গাছকে its tree أَمْ না or نَحْنُ আমরা We ٱلْمُنشِـُٔونَ স্রষ্টা (are) the Producers?)
 
(73 نَحْنُ جَعَلْنَاهَا تَذْكِرَةً وَمَتَاعًا لِّلْمُقْوِينَ আমি সেই বৃক্ষকে করেছি স্মরণিকা এবং মরুবাসীদের জন্য সামগ্রী।We have made it a memorial (of Our handiwork), and an article of comfort and convenience for the denizens of deserts.

( نَحْنُ আমরা We جَعَلْنَٰهَا তা আমরা বানিয়েছি have made it تَذْكِرَةً স্মরণীয় নিদর্শন a reminder وَمَتَٰعًا ও জীবনোপকরণ (হিসেবে) and a provision لِّلْمُقْوِينَ (মরুচারী) মুসাফিরদের জন্যে for the wayfarers in the desert) 

 
(74 فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন। Then celebrate with praises the name of thy Lord, the Supreme!

( فَسَبِّحْ অতএব তুমি পবিত্রতা ঘোষণা করো So glorify بِٱسْمِ নামের (the) name رَبِّكَ তোমার রবের (of) your Lord ٱلْعَظِيمِ মহান the Most Great )

 
(75 فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ অতএব, আমি তারকারাজির অস্তাচলের শপথ করছি, Furthermore I call to witness the setting of the Stars,-

( فَلَآ অতঃপর না But nay أُقْسِمُ শপথ করছি আমি I swear بِمَوَٰقِعِ অস্ত যাওয়ার স্থানের by setting ٱلنُّجُومِ তারকা গুলোর (of) the stars) 

 
(76 وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَّوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ নিশ্চয় এটা এক মহা শপথ-যদি তোমরা জানতে। And that is indeed a mighty adjuration if ye but knew,-
(  وَإِنَّهُۥ এবং তা নিশ্চয়ই And indeed it لَقَسَمٌ শপথ অবশ্যই (is) surely an oath لَّوْ যদি if تَعْلَمُونَ তোমরা জান you know – عَظِيمٌ (শপথ) বিরাট great)
 
 
(77 إِنَّهُ لَقُرْآنٌ كَرِيمٌ নিশ্চয় এটা সম্মানিত কোরআন, That this is indeed a qur’an Most Honourable,
(  إِنَّهُۥ তা নিশ্চয়ই Indeed it لَقُرْءَانٌ অবশ্যই কুরআন (is) surely a Quran كَرِيمٌ মহা সম্মানিত noble )
 
(78 فِي كِتَابٍ مَّكْنُونٍ যা আছে এক গোপন কিতাবে, In Book well-guarded,
(  فِى মধ্যে In كِتَٰبٍ কিতাবের a Book مَّكْنُونٍ সুরক্ষিত well-guarded )
 
(79 لَّا يَمَسُّهُ إِلَّا الْمُطَهَّرُونَ যারা পাক-পবিত্র, তারা ব্যতীত অন্য কেউ একে স্পর্শ করবে না। Which none shall touch but those who are clean:
(  لَّا না None يَمَسُّهُۥٓ তা স্পর্শ করতে পারে touch it إِلَّا এছাড়া except ٱلْمُطَهَّرُونَ (যারা) পবিত্র the purified ) 
 
(80 تَنزِيلٌ مِّن رَّبِّ الْعَالَمِينَ এটা বিশ্ব-পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ। A Revelation from the Lord of the Worlds.
(  تَنزِيلٌ অবতীর্ণ A Revelation مِّن পক্ষ হতে from رَّبِّ রবের (the) Lord )
 
(81 أَفَبِهَذَا الْحَدِيثِ أَنتُم مُّدْهِنُونَ তবুও কি তোমরা এই বাণীর প্রতি শৈথিল্য পদর্শন করবে? Is it such a Message that ye would hold in light esteem?
( أَفَبِهَٰذَا তবুও কি এই  Then is it to this, ٱلْحَدِيثِ বাণী (সম্পর্কে) statement, أَنتُم তোমরা that you, مُّدْهِنُونَ তুচ্ছজ্ঞান করবে (are) indifferent? )
 
(82 وَتَجْعَلُونَ رِزْقَكُمْ أَنَّكُمْ تُكَذِّبُونَ এবং একে মিথ্যা বলাকেই তোমরা তোমাদের ভূমিকায় পরিণত করবে? And have ye made it your livelihood that ye should declare it false?
( وَتَجْعَلُونَ এবং তোমরা বানিয়ে নেবে And you make,  رِزْقَكُمْ তোমাদের জীবিকা (এই নিয়ামত) your provision, أَنَّكُمْ (এভাবে) যে তোমরা  that you,  تُكَذِّبُونَ মিথ্যা মনে করছ deny )
 
(83 فَلَوْلَا إِذَا بَلَغَتِ الْحُلْقُومَ অতঃপর যখন কারও প্রাণ কন্ঠাগত হয়। Then why do ye not (intervene) when (the soul of the dying man) reaches the throat,-
( فَلَوْلَآ তবে কেন নয় Then why not,  إِذَا যখন when,  بَلَغَتِ পৌঁছাবে (প্রাণ) it reaches, ٱلْحُلْقُومَ কণ্ঠনালীতে the throat )
 
 

(84 وَأَنتُمْ حِينَئِذٍ تَنظُرُونَ এবং তোমরা তাকিয়ে থাক, And ye the while (sit) looking on,-

( وَأَنتُمْ এবং তোমরা And you, حِينَئِذٍ সে সময় (at) that time, تَنظُرُونَ তাকিয়ে থাকবে look on )

 

(85 وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنكُمْ وَلَكِن لَّا تُبْصِرُونَ তখন আমি তোমাদের অপেক্ষা তার অধিক নিকটে থাকি; কিন্তু তোমরা দেখ না। But We are nearer to him than ye, and yet see not,-
( وَنَحْنُ এবং আমরা And We, أَقْرَبُ অধিকতর নিকটে (are) nearer, إِلَيْهِ তার কাছে to him, مِنكُمْ তোমাদের চেয়ে than you, وَلَٰكِن কিন্তু but, لَّا না you (do) not see, تُبْصِرُونَ তোমরা দেখতে পাও you (do) not see )
 
 
(86 فَلَوْلَا إِن كُنتُمْ غَيْرَ مَدِينِينَ যদি তোমাদের হিসাব-কিতাব না হওয়াই ঠিক হয়, Then why do ye not,- If you are exempt from (future) account,-
( فَلَوْلَآ অতঃপর কেন Then why not, إِن যদি if, كُنتُمْ তোমরা হয়ে থাক you are, غَيْرَ (এমন যে) নও not, مَدِينِينَ অধিনস্ত (কারও) to be recompensed )
 
 
(87 تَرْجِعُونَهَا إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ তবে তোমরা এই আত্মাকে ফিরাও না কেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও ? Call back the soul, if ye are true (in the claim of independence)?
( تَرْجِعُونَهَآ তা তোমরা ফিরিয়ে আন Bring it back, إِن যদি if, كُنتُمْ তোমরা হও you are, صَٰدِقِينَ সত্যবাদী truthful )

 

(88 فَأَمَّا إِن كَانَ مِنَ الْمُقَرَّبِينَ যদি সে নৈকট্যশীলদের একজন হয়; Thus, then, if he be of those Nearest to Allah,
( فَأَمَّآ আর Then, إِن যদি if, كَانَ সে হয় he was, مِنَ অন্তর্ভুক্ত of, ٱلْمُقَرَّبِينَ নৈকট্য প্রাপ্তদের those brought near )

 

(89 فَرَوْحٌ وَرَيْحَانٌ وَجَنَّةُ نَعِيمٍ তবে তার জন্যে আছে সুখ, উত্তম রিযিক এবং নেয়ামতে ভরা উদ্যান। (There is for him) Rest and Satisfaction, and a Garden of Delights.
( فَرَوْحٌ (তার জন্যে) তবে আরাম Then rest, وَرَيْحَانٌ ও উত্তম জীবনোপকরণ and bounty, وَجَنَّتُ এবং জন্নাত and a Garden, نَعِيمٍ সুখকর (of) Pleasure )
 
 
(90 وَأَمَّا إِن كَانَ مِنَ أَصْحَابِ الْيَمِينِ আর যদি সে ডান পার্শ্বস্থদের একজন হয়, And if he be of the Companions of the Right Hand,
( وَأَمَّآ আর And, إِن যদি if, كَانَ সে হয় he was, مِنْ অন্তর্ভুক্ত of, أَصْحَٰبِ লোকদের (the) companions, ٱلْيَمِينِ ডান হাতের (of) the right ) 
 
 
(91 فَسَلَامٌ لَّكَ مِنْ أَصْحَابِ الْيَمِينِ তবে তাকে বলা হবেঃ তোমার জন্যে ডানপার্শ্বসস্থদের পক্ষ থেকে সালাম। (For him is the salutation), “Peace be unto thee”, from the Companions of the Right Hand.
( فَسَلَٰمٌ তবে (বলা হবে) সালাম Then peace, لَّكَ তোমার জন্য for you;, مِنْ অন্তর্ভুক্ত [from], أَصْحَٰبِ লোকদের (the) companions, ٱلْيَمِينِ ডান হাতের (of) the right )
 
 
(92 وَأَمَّا إِن كَانَ مِنَ الْمُكَذِّبِينَ الضَّالِّينَ আর যদি সে পথভ্রষ্ট মিথ্যারোপকারীদের একজন হয়, And if he be of those who treat (Truth) as Falsehood, who go wrong,
( وَأَمَّآ আর But, إِن যদি if, كَانَ সে হয় he was, مِنَ অন্তর্ভুক্ত of, ٱلْمُكَذِّبِينَ মিথ্যারোপকারীদের the deniers, ٱلضَّآلِّينَ পথভ্রষ্টদের the astray )
 
 
(93 فَنُزُلٌ مِّنْ حَمِيمٍ তবে তার আপ্যায়ন হবে উত্তপ্ত পানি দ্বারা। For him is Entertainment with Boiling Water.

( فَنُزُلٌ আপ্যায়ন তবে (হবে) Then hospitality, مِّنْ দিয়ে of, حَمِيمٍ ফুটন্ত পানির (the) scalding water)

 

(94 وَتَصْلِيَةُ جَحِيمٍ এবং সে নিক্ষিপ্ত হবে অগ্নিতে। And burning in Hell-Fire.
( وَتَصْلِيَةُ ও দগ্ধকরণ And burning, جَحِيمٍ জাহান্নামের (in) Hellfire)
 
 
(95 إِنَّ هَذَا لَهُوَ حَقُّ الْيَقِينِ এটা ধ্রুব সত্য। Verily, this is the Very Truth and Certainly.
( إِنَّ নিশ্চয়ই Indeed, هَٰذَا এটা this, لَهُوَ তা অবশ্যই surely it, حَقُّ সত্য (is the) truth, ٱلْيَقِينِ ধ্রুব certain )
 
 
(96 فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন। So celebrate with praises the name of thy Lord, the Supreme.
( فَسَبِّحْ সুতরাং পবিত্রতা ঘোষণা করো So glorify, بِٱسْمِ নামের (the) name, رَبِّكَ  তোমার রবের (of) your Lord, ٱلْعَظِيمِ (যিনি) মহান the Most Great )

 

আইডিসির সাথে যোগ দিয়ে উভয় জাহানের জন্য ভালো কিছু করুন

 

আইডিসি এবং আইডিসি ফাউন্ডেশনের ব্যপারে বিস্তারিত জানতে  এই লিংক দুটি ( লিংক০১ ও লিংক০২ ) ভিজিট করুন।

আইডিসি  মাদরাসার ব্যপারে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

আপনি আইডিসি  মাদরাসার একজন স্থায়ী সদস্য /পার্টনার হতে চাইলে এই লিংক দেখুন.

আইডিসি এতীমখানা ও গোরাবা ফান্ডে দান করে  দুনিয়া এবং আখিরাতে সফলতা অর্জন করুন।

কুরআন হাদিসের আলোকে বিভিন্ন কঠিন রোগের চিকিৎসা করাতেআইডিসি ‘র সাথে যোগাযোগ করুন।

ইসলামিক বিষয়ে জানতে এবং জানাতে এই গ্রুপে জয়েন করুন।

 

সূরা আল- ওয়াক্বিয়া’র নামের অর্থ, নিশ্চিত ঘটনা।

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি সূরা ওয়াক্বিয়াহ  পাঠ করবে, সে কখনো ক্ষুধায় কষ্ট ভোগ করবে না।’

এই সূরা পাঠ করলে দরিদ্রতা গ্রাস করতে পারেনা। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সূরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) তার মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সূরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন।

হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) মৃত্যুর আগে বলেন, ‘তাদের (ইবনে মাসউদের সন্তানদের) জন্য আমি সূরা ওয়াকিয়াহ রেখে গেলাম।’

এই সূরা পাঠ করলে কেউ কখনো গরীব হবে না। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতিরাত্রে সূরা ওয়াক্বিয়াহ তিলাওয়াত করবে সে কখনো অভাবগ্রস্ত থাকবে না।’

হাদিসে নারীদের এ সূরা শিক্ষা দেয়ার জন্য তাগিদ দেয়া হয়েছে। মা আয়েশা (রাঃ)-কে এ সূরা পাঠের জন্য নির্দেশ করা হয়েছিলো। সূরা ওয়াক্বিয়াহ জুমাবার পড়া যেতে পারে। এছাড়া রাতে পড়ার জন্যে হাদিসে বলা আছে।

সূরা আল-ওয়াকিয়াহর আরবি থেকে বাংলা অনুবাদঃ

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
إِذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ
যখন কিয়ামতের ঘটনা ঘটবে,
لَيْسَ لِوَقْعَتِهَا كَاذِبَةٌ
যার বাস্তবতায় কোন সংশয় নেই।
خَافِضَةٌ رَّافِعَةٌ
এটা নীচু করে দেবে, সমুন্নত করে দেবে।
إِذَا رُجَّتِ الْأَرْضُ رَجًّا
যখন প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী।
وَبُسَّتِ الْجِبَالُ بَسًّا
এবং পর্বতমালা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে।
فَكَانَتْ هَبَاء مُّنبَثًّا
অতঃপর তা হয়ে যাবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণা।
وَكُنتُمْ أَزْوَاجًا ثَلَاثَةً
এবং তোমরা তিনভাবে বিভক্ত হয়ে পড়বে।
فَأَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ مَا أَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ
যারা ডান দিকে, কত ভাগ্যবান তারা।
وَأَصْحَابُ الْمَشْأَمَةِ مَا أَصْحَابُ الْمَشْأَمَةِ
এবং যারা বামদিকে, কত হতভাগা তারা।
وَالسَّابِقُونَ السَّابِقُونَ
অগ্রবর্তীগণ তো অগ্রবর্তীই।
أُوْلَئِكَ الْمُقَرَّبُونَ
তারাই নৈকট্যশীল,
فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ
অবদানের উদ্যানসমূহে,
ثُلَّةٌ مِّنَ الْأَوَّلِينَ
তারা একদল পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।
وَقَلِيلٌ مِّنَ الْآخِرِينَ
এবং অল্পসংখ্যক পরবর্তীদের মধ্যে থেকে।
عَلَى سُرُرٍ مَّوْضُونَةٍ
স্বর্ণ খচিত সিংহাসন।
مُتَّكِئِينَ عَلَيْهَا مُتَقَابِلِينَ
তারা তাতে হেলান দিয়ে বসবে পরস্পর মুখোমুখি হয়ে।
يَطُوفُ عَلَيْهِمْ وِلْدَانٌ مُّخَلَّدُونَ
তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরেরা।
بِأَكْوَابٍ وَأَبَارِيقَ وَكَأْسٍ مِّن مَّعِينٍ
পানপাত্র কুঁজা ও খাঁটি সূরাপূর্ণ পেয়ালা হাতে নিয়ে,
لَا يُصَدَّعُونَ عَنْهَا وَلَا يُنزِفُونَ
যা পান করলে তাদের শিরঃপীড়া হবে না এবং বিকারগ্রস্ত ও হবে না।
وَفَاكِهَةٍ مِّمَّا يَتَخَيَّرُونَ
আর তাদের পছন্দমত ফল-মুল নিয়ে,
وَلَحْمِ طَيْرٍ مِّمَّا يَشْتَهُونَ
এবং রুচিমত পাখীর মাংস নিয়ে।
وَحُورٌ عِينٌ
তথায় থাকবে আনতনয়না হুরগণ,
كَأَمْثَالِ اللُّؤْلُؤِ الْمَكْنُونِ
আবরণে রক্ষিত মোতির ন্যায়,
جَزَاء بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ
তারা যা কিছু করত, তার পুরস্কারস্বরূপ।
لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا تَأْثِيمًا
তারা তথায় অবান্তর ও কোন খারাপ কথা শুনবে না।
إِلَّا قِيلًا سَلَامًا سَلَامًا
কিন্তু শুনবে সালাম আর সালাম।
وَأَصْحَابُ الْيَمِينِ مَا أَصْحَابُ الْيَمِينِ
যারা ডান দিকে থাকবে, তারা কত ভাগ্যবান।
فِي سِدْرٍ مَّخْضُودٍ
তারা থাকবে কাঁটাবিহীন বদরিকা বৃক্ষে।
وَطَلْحٍ مَّنضُودٍ
এবং কাঁদি কাঁদি কলায়,
وَظِلٍّ مَّمْدُودٍ
এবং দীর্ঘ ছায়ায়।
وَمَاء مَّسْكُوبٍ
এবং প্রবাহিত পানিতে,
وَفَاكِهَةٍ كَثِيرَةٍ
ও প্রচুর ফল-মূলে,
لَّا مَقْطُوعَةٍ وَلَا مَمْنُوعَةٍ
যা শেষ হবার নয় এবং নিষিদ্ধ ও নয়,
وَفُرُشٍ مَّرْفُوعَةٍ
আর থাকবে সমুন্নত শয্যায়।
إِنَّا أَنشَأْنَاهُنَّ إِنشَاء
আমি জান্নাতী রমণীগণকে বিশেষরূপে সৃষ্টি করেছি।
فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا
অতঃপর তাদেরকে করেছি চিরকুমারী।
عُرُبًا أَتْرَابًا
কামিনী, সমবয়স্কা।
لِّأَصْحَابِ الْيَمِينِ
ডান দিকের লোকদের জন্যে।
ثُلَّةٌ مِّنَ الْأَوَّلِينَ
তাদের একদল হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।
وَثُلَّةٌ مِّنَ الْآخِرِينَ
এবং একদল পরবর্তীদের মধ্য থেকে।
وَأَصْحَابُ الشِّمَالِ مَا أَصْحَابُ الشِّمَالِ
বামপার্শ্বস্থ লোক, কত না হতভাগা তারা।
فِي سَمُومٍ وَحَمِيمٍ
তারা থাকবে প্রখর বাষ্পে এবং উত্তপ্ত পানিতে,
وَظِلٍّ مِّن يَحْمُومٍ
এবং ধুম্রকুঞ্জের ছায়ায়।
لَّا بَارِدٍ وَلَا كَرِيمٍ
যা শীতল নয় এবং আরামদায়কও নয়।
إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَلِكَ مُتْرَفِينَ
তারা ইতিপূর্বে স্বাচ্ছন্দ্যশীল ছিল।
وَكَانُوا يُصِرُّونَ عَلَى الْحِنثِ الْعَظِيمِ
তারা সদাসর্বদা ঘোরতর পাপকর্মে ডুবে থাকত।
وَكَانُوا يَقُولُونَ أَئِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَامًا أَئِنَّا لَمَبْعُوثُونَ
তারা বলতঃ আমরা যখন মরে অস্থি ও মৃত্তিকায় পরিণত হয়ে যাব, তখনও কি পুনরুত্থিত হব?
أَوَ آبَاؤُنَا الْأَوَّلُونَ
এবং আমাদের পূর্বপুরুষগণও!
قُلْ إِنَّ الْأَوَّلِينَ وَالْآخِرِينَ
বলুনঃ পূর্ববর্তী ও পরবর্তীগণ,
لَمَجْمُوعُونَ إِلَى مِيقَاتِ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ
সবাই একত্রিত হবে এক নির্দিষ্ট দিনের নির্দিষ্ট সময়ে।
ثُمَّ إِنَّكُمْ أَيُّهَا الضَّالُّونَ الْمُكَذِّبُونَ
অতঃপর হে পথভ্রষ্ট, মিথ্যারোপকারীগণ।
لَآكِلُونَ مِن شَجَرٍ مِّن زَقُّومٍ
তোমরা অবশ্যই ভক্ষণ করবে যাক্কুম বৃক্ষ থেকে,
فَمَالِؤُونَ مِنْهَا الْبُطُونَ
অতঃপর তা দ্বারা উদর পূর্ণ করবে,
فَشَارِبُونَ عَلَيْهِ مِنَ الْحَمِيمِ
অতঃপর তার উপর পান করবে উত্তপ্ত পানি।
فَشَارِبُونَ شُرْبَ الْهِيمِ
পান করবে পিপাসিত উটের ন্যায়।
هَذَا نُزُلُهُمْ يَوْمَ الدِّينِ
কেয়ামতের দিন এটাই হবে তাদের আপ্যায়ন।
نَحْنُ خَلَقْنَاكُمْ فَلَوْلَا تُصَدِّقُونَ
আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে। অতঃপর কেন তোমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস কর না।
أَفَرَأَيْتُم مَّا تُمْنُونَ
তোমরা কি ভেবে দেখেছ, তোমাদের বীর্যপাত সম্পর্কে।
أَأَنتُمْ تَخْلُقُونَهُ أَمْ نَحْنُ الْخَالِقُونَ
তোমরা তাকে সৃষ্টি কর, না আমি সৃষ্টি করি?
نَحْنُ قَدَّرْنَا بَيْنَكُمُ الْمَوْتَ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ
আমি তোমাদের মৃত্যুকাল নির্ধারিত করেছি এবং আমি অক্ষম নই।
عَلَى أَن نُّبَدِّلَ أَمْثَالَكُمْ وَنُنشِئَكُمْ فِي مَا لَا تَعْلَمُونَ
এ ব্যাপারে যে, তোমাদের পরিবর্তে তোমাদের মত লোককে নিয়ে আসি এবং তোমাদেরকে এমন করে দেই, যা তোমরা জান না।
وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ النَّشْأَةَ الْأُولَى فَلَوْلَا تَذكَّرُونَ
তোমরা অবগত হয়েছ প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে, তবে তোমরা অনুধাবন কর না কেন?
أَفَرَأَيْتُم مَّا تَحْرُثُونَ
তোমরা যে বীজ বপন কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?
أَأَنتُمْ تَزْرَعُونَهُ أَمْ نَحْنُ الزَّارِعُونَ
তোমরা তাকে উৎপন্ন কর, না আমি উৎপন্নকারী ?
لَوْ نَشَاء لَجَعَلْنَاهُ حُطَامًا فَظَلَلْتُمْ تَفَكَّهُونَ
আমি ইচ্ছা করলে তাকে খড়কুটা করে দিতে পারি, অতঃপর হয়ে যাবে তোমরা বিস্ময়াবিষ্ট।
إِنَّا لَمُغْرَمُونَ
বলবেঃ আমরা তো ঋণের চাপে পড়ে গেলাম;
بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ
বরং আমরা হূত সর্বস্ব হয়ে পড়লাম।
أَفَرَأَيْتُمُ الْمَاء الَّذِي تَشْرَبُونَ
তোমরা যে পানি পান কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?
أَأَنتُمْ أَنزَلْتُمُوهُ مِنَ الْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ الْمُنزِلُونَ
তোমরা তা মেঘ থেকে নামিয়ে আন, না আমি বর্ষন করি?
لَوْ نَشَاء جَعَلْنَاهُ أُجَاجًا فَلَوْلَا تَشْكُرُونَ
আমি ইচ্ছা করলে তাকে লোনা করে দিতে পারি, অতঃপর তোমরা কেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না?
أَفَرَأَيْتُمُ النَّارَ الَّتِي تُورُونَ
তোমরা যে অগ্নি প্রজ্জ্বলিত কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?
أَأَنتُمْ أَنشَأْتُمْ شَجَرَتَهَا أَمْ نَحْنُ الْمُنشِؤُونَ
তোমরা কি এর বৃক্ষ সৃষ্টি করেছ, না আমি সৃষ্টি করেছি ?
نَحْنُ جَعَلْنَاهَا تَذْكِرَةً وَمَتَاعًا لِّلْمُقْوِينَ
আমি সেই বৃক্ষকে করেছি স্মরণিকা এবং মরুবাসীদের জন্য সামগ্রী।
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ
অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন।
فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ
অতএব, আমি তারকারাজির অস্তাচলের শপথ করছি,
وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَّوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ
নিশ্চয় এটা এক মহা শপথ-যদি তোমরা জানতে।
إِنَّهُ لَقُرْآنٌ كَرِيمٌ
নিশ্চয় এটা সম্মানিত কোরআন,
فِي كِتَابٍ مَّكْنُونٍ
যা আছে এক গোপন কিতাবে,
لَّا يَمَسُّهُ إِلَّا الْمُطَهَّرُونَ
যারা পাক-পবিত্র, তারা ব্যতীত অন্য কেউ একে স্পর্শ করবে না।
تَنزِيلٌ مِّن رَّبِّ الْعَالَمِينَ
এটা বিশ্ব-পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।
أَفَبِهَذَا الْحَدِيثِ أَنتُم مُّدْهِنُونَ
তবুও কি তোমরা এই বাণীর প্রতি শৈথিল্য পদর্শন করবে?
وَتَجْعَلُونَ رِزْقَكُمْ أَنَّكُمْ تُكَذِّبُونَ
এবং একে মিথ্যা বলাকেই তোমরা তোমাদের ভূমিকায় পরিণত করবে?
فَلَوْلَا إِذَا بَلَغَتِ الْحُلْقُومَ
অতঃপর যখন কারও প্রাণ কন্ঠাগত হয়।
وَأَنتُمْ حِينَئِذٍ تَنظُرُونَ
এবং তোমরা তাকিয়ে থাক,
وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنكُمْ وَلَكِن لَّا تُبْصِرُونَ
তখন আমি তোমাদের অপেক্ষা তার অধিক নিকটে থাকি; কিন্তু তোমরা দেখ না।
فَلَوْلَا إِن كُنتُمْ غَيْرَ مَدِينِينَ
যদি তোমাদের হিসাব-কিতাব না হওয়াই ঠিক হয়,
تَرْجِعُونَهَا إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ
তবে তোমরা এই আত্মাকে ফিরাও না কেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও ?
فَأَمَّا إِن كَانَ مِنَ الْمُقَرَّبِينَ
যদি সে নৈকট্যশীলদের একজন হয়;
فَرَوْحٌ وَرَيْحَانٌ وَجَنَّةُ نَعِيمٍ
তবে তার জন্যে আছে সুখ, উত্তম রিযিক এবং নেয়ামতে ভরা উদ্যান।
وَأَمَّا إِن كَانَ مِنَ أَصْحَابِ الْيَمِينِ
আর যদি সে ডান পার্শ্বস্থদের একজন হয়,
فَسَلَامٌ لَّكَ مِنْ أَصْحَابِ الْيَمِينِ
তবে তাকে বলা হবেঃ তোমার জন্যে ডানপার্শ্বসস্থদের পক্ষ থেকে সালাম।
وَأَمَّا إِن كَانَ مِنَ الْمُكَذِّبِينَ الضَّالِّينَ
আর যদি সে পথভ্রষ্ট মিথ্যারোপকারীদের একজন হয়,
فَنُزُلٌ مِّنْ حَمِيمٍ
তবে তার আপ্যায়ন হবে উত্তপ্ত পানি দ্বারা।
وَتَصْلِيَةُ جَحِيمٍ
এবং সে নিক্ষিপ্ত হবে অগ্নিতে।
إِنَّ هَذَا لَهُوَ حَقُّ الْيَقِينِ
এটা ধ্রুব সত্য।
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ
অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন।

অন্তিম রোগশয্যায় আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)— এর শিক্ষাপ্রদ কথোপকথনঃ ইবনে—কাসীর ইবনে আসাকীরের বরাত দিয়ে এই ঘটনা বর্ণনা করেন যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) যখন অন্তিম রোগশয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন আমীরুল মু’মিনীন হযরত ওসমান (রাঃ) তাঁকে দেখতে যান৷ তখন তাঁদের মধ্যে শিক্ষাপ্রদ যে কথোপকথন হয় তা নিম্নরুপঃ-
→হযরত ওসমানঃ ما تشتكي আপনার অসুখটা কি?
→হযরত ইবনে মাসউদঃ ذنوبي আমার পাপসমূহই আমার অসুখ৷
→ওসমান গণীঃ ما تشتهي আপনার বাসনা কি?
→ইবনে মাসউদঃ رحمة ربي আমার পালনকর্তার রহমত কামনা করি৷
→ওসমান গণীঃ আমি আপনার জন্যে কোন চিকিৎসক ডাকব কি?
→ইবনে মাসউদঃ الطبيب امرضني চিকিৎসকই আমাকে রোগাক্রান্ত করেছেন৷
→ওসমান গনীঃ আমি আপনার জন্যে সরকারী বায়তুল মাল থেকে কোন উপটৌকন পাঠিয়ে দেব কি?
→ইবনে মাসউদঃ لاحاجة لي فيها এর কোন প্রয়োজন নেই৷
→ওসমান গণীঃ উপটৌকন গ্রহণ করুন৷ তা আপনার পর আপনার কন্যাদের উপকারে আসবে৷
→ইবনে মাসউদঃ আপনি চিন্তা করছেন যে, আমার কন্যারা দারিদ্র ও উপবাসে পতিত হবে৷ কিন্তু আমি এরুপ চিন্তা করি না৷ কারণ, আমি কন্যাদেরকে জোর নির্দেশ দিয়ে রেখেছি যে, তারা যেন প্রতিরাত্রে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করে৷ আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)— কে বলতে শুনেছি,
من قرأ سورةالواقعة كل ليلة لم تصبه فاقة ابدا”
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করবে, সে কখনও উপবাস করবে না৷
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ [রা.] বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সুরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে মাসউদ [রা.] তাঁর মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সুরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন। [বাইহাকি:শুআবুল ঈমান-২৪৯৮]
সুরা আর রাহমান, সুরা হাদিদ ও সুরা ওয়াকিয়া’র তেলাওয়াতকারীকে কেয়ামতের দিন জান্নাতুল ফিরদাউসের অধিবাসী হিসেবে ডাকা হবে। অন্য এক হাদিসে আছে, সুরা ওয়াকিয়াহ হলো ধনাঢ্যতার সুরা, সুতরাং তোমরা নিজেরা তা পড় এবং তোমাদের সন্তানদেরকেও এ সুরার শিক্ষা দাও। অন্য এক বর্ণনায় আছে: তোমাদের নারীদেরকে এ সুরার শিক্ষা দাও। আম্মাজান হজরত আয়েশা [রা.] কে এ সুরা তেলাওয়াত করার জন্য আদেশ করা হয়েছিল।
তাছাড়া অভাবের সময় এ সুরার আমলের কথাটা তো হাদিস দ্বারাই প্রমানিত। এমনকি বর্ণিত আছে যে হজরত ইবনে মাসউদ [রা.] কে যখন তার সন্তানদের জন্য একটি দিনারও রেখে না যাওয়ার কারণে তিরস্কার করা হলো তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তাদের জন্য আমি সুরা ওয়াকিয়াহ রেখে গেলাম।

 

আইডিসির সাথে যোগ দিয়ে উভয় জাহানের জন্য ভালো কিছু করুন!

 

আইডিসি এবং আইডিসি ফাউন্ডেশনের ব্যপারে  জানতে  লিংক০১ ও লিংক০২ ভিজিট করুন।

আইডিসি  মাদরাসার ব্যপারে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

আপনি আইডিসি  মাদরাসার একজন স্থায়ী সদস্য /পার্টনার হতে চাইলে এই লিংক দেখুন.

আইডিসি এতীমখানা ও গোরাবা ফান্ডে দান করে  দুনিয়া এবং আখিরাতে সফলতা অর্জন করুন।

কুরআন হাদিসের আলোকে বিভিন্ন কঠিন রোগের চিকিৎসা করাতেআইডিসি ‘র সাথে যোগাযোগ করুন।

ইসলামিক বিষয়ে জানতে এবং জানাতে এই গ্রুপে জয়েন করুন।

 

Islami Dawah Center Cover photo

 

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টারকে সচল রাখতে সাহায্য করুন!

 

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার ১টি অলাভজনক দাওয়াহ প্রতিষ্ঠান, এই প্রতিষ্ঠানের ইসলামিক ব্লগটি বর্তমানে ২০,০০০+ মানুষ প্রতিমাসে পড়ে, দিন দিন আরো অনেক বেশি বেড়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

বর্তমানে মাদরাসা এবং ব্লগ প্রজেক্টের বিভিন্ন খাতে (ওয়েবসাইট হোস্টিং, CDN,কনটেন্ট রাইটিং, প্রুফ রিডিং, ব্লগ পোস্টিং, ডিজাইন এবং মার্কেটিং) মাসে গড়ে ৫০,০০০+ টাকা খরচ হয়, যা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। সেকারনে, এই বিশাল ধর্মীয় কাজকে সামনে এগিয়ে নিতে সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে আপনাদের দোয়া এবং আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন, এমন কিছু ভাই ও বোন ( ৩১৩ জন ) দরকার, যারা আইডিসিকে নির্দিষ্ট অংকের সাহায্য করবেন, তাহলে এই পথ চলা অনেক সহজ হয়ে যাবে, ইংশাআল্লাহ।

যারা এককালিন, মাসিক অথবা বাৎসরিক সাহায্য করবেন, তারা আইডিসির মুল টিমের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন, ইংশাআল্লাহ।

আইডিসির ঠিকানাঃ খঃ ৬৫/৫, শাহজাদপুর, গুলশান, ঢাকা -১২১২, মোবাইলঃ +88 01609 820 094, +88 01716 988 953 ( নগদ/বিকাশ পার্সোনাল )

ইমেলঃ info@islamidawahcenter.com, info@idcmadrasah.com, ওয়েব: www.islamidawahcenter.com, www.idcmadrasah.com সার্বিক তত্ত্বাবধানেঃ হাঃ মুফতি মাহবুব ওসমানী ( এম. এ. ইন ইংলিশ, ফার্স্ট ক্লাস )